You Are Here: Home » featured » অবক্ষয়ে জর্জরিত জাতিকে বাঁচাতে হলে রাসূল সা.-এর অনুপম আদর্শের রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে -শায়েখ চরমোনাই

অবক্ষয়ে জর্জরিত জাতিকে বাঁচাতে হলে রাসূল সা.-এর অনুপম আদর্শের রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে -শায়েখ চরমোনাই

অবক্ষয়ে জর্জরিত জাতিকে বাঁচাতে হলে রাসূল সা.-এর অনুপম আদর্শের রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে -শায়েখ চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম- শায়েখ চরমোনাই বলেছেন, রাসূল সা.এর আদর্শ অনুসরণ ও অনুকরণ না থাকায় হিংসা-বিদ্বেষের আগুনে মানুষ জ্বলেপুড়ে ছাই হচ্ছে। সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ে জর্জরিত জাতিকে বাঁচাতে হলে রাসূল সা.-এর অনুপম আদর্শের রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে। নৈতিকতা বিবর্জিত জাতিকে ইসলামের সুমহান আদর্শে ফিরিয়ে আনতে হলে ইসলামী অনুশাসনের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, জাতিকে নৈতিকতাহীন করার পেছনে ঈমান ও ইসলাম বিধ্বংসী শিক্ষাআইন ও সিলেবাসই বেশি দায়ী। জাতিকে চরম ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে বাঁচাতে ঈমান ও ইসলাম বিধ্বংসী শিক্ষাআইন সংশোধন প্রয়োজন। ইসলামকে অবজ্ঞা করে কস্মিণকালেও শান্তি পাওয়া যাবে না। তিনি শান্তি ও মুক্তি পেতে সকলকে ইসলামের সুমহান পতাকাতলে ফিরে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ শান্তিতে নেই। দুনিয়ার মোহ আজ সবাইকে অন্ধ করে ফেলেছে। আসলে আত্মশুদ্ধি না হলে দেশের ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাওয়া অশান্তির দাবানল বন্ধ হবে না। আত্মশুদ্ধি না থাকায় মানুষের নৈতিক অবক্ষয় চরম আকার ধারণ করেছে। আত্মশুদ্ধি অর্জনের মাধ্যমেই জননিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

শায়েখ চরমোনাই বলেন, রাসূল সা.এর আদর্শ থেকে দূরে সরে থাকার কারণে সামাজিক অস্থিরতা ও অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। নারী নির্যাতন, অপহরণ নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এমনকি পিতার হাতে পুত্র, পুত্রের হাতে পিতা খুনের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে হলে আত্মশুদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে ইসলামী সমাজ বিপ্লবের দিকে ফিরে আসতে হবে।

শনিবার (১ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি শের-ই বাংলানগর থানা শাখার উদ্যোগে রাজধানীর শের-ই বাংলানগরস্থ আগারগাঁও পাকা মার্কেট মসজিদ প্রাঙ্গণে বিশাল ইসলামী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

শায়েখ চরমোনাই বলেন, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গো-রক্ষার নামে হিন্দু উগ্রবাদীরা অসংখ্য মুসলমানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ভারতের পশুবাদী সন্ত্রাসী হিন্দুরা ধারাবাহিকভাবে মুসলমানদের উপর তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। অবিলম্বে সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর পশুবাদী হিন্দুদের নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। মুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধ না হলে মুসলমানরা নিরবে বসে থাকবে না। সারাবিশ্বের দুইশ কোটি মুসলমান বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে দিতে বাধ্য হবে। ভারত বিভিন্নভাবে মুসলমানদের উপর তাদের নগ্ন আক্রমন করে যাচ্ছে। সেইসূত্রে ভারতীয় চলচ্চিত্রে ‘আল্লাহ মেহেরবান’ নামক গানে চরম অশ্লীলতার প্রকাশ করা হয়েছে এবং হযরত আয়েশা রা. চরিত্রে কলঙ্ক লেপন করা হয়েছে। এভাবে ভারতীয় ছবি মুক্তির মাধ্যমে ইসলামের বিরুদ্ধে বিশোদগার করেই যাচ্ছে। তাই অবিলম্বে এধরণের ভারতীয় ছায়াছবিসহ সব ধরনের চ্যানেল বাংলাদেশে বন্ধ করতে হবে।

প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ নোমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পশ্চিম রাজাবাজার জামে মসজিদের খতীব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি ঢাকা বিভাগীয় ছদর হাফেজ মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা ওয়ালীউদ্দিন রাশেদী, মুফতি ফয়জুল্লাহ ফয়েজী, মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ, মুফতি কামরুল ইসলাম আরেফী ও মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। সম্মেলন পরিচালনা করে মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল।

Comments

comments

About The Author

Number of Entries : 673

কপিরাইট © ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০১১ সকল স্বত্ব সংরক্ষিত

Scroll to top