You Are Here: Home » featured » গাজায় মুসলমানের রক্তস্রোত বন্ধে বিশ্বমুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে -ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন

গাজায় মুসলমানের রক্তস্রোত বন্ধে বিশ্বমুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে -ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন

গাজায় মুসলমানের রক্তস্রোত বন্ধে বিশ্বমুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে -ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন

ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেছেন, ইসরাইলী বর্বরতার বিরুদ্ধে দেশে দেশে বিশ্বের মুসলমানরা জেগে উঠেছে। এমনকি লন্ডনেও লক্ষাধিক জনতার মিছিলের মাধ্যমে ইসরাইলীর বর্বরতার প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু আরবদেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মুসলিম বিশ্ব জেগে উঠলে জারজ রাষ্ট্র ইসরাইল ফিলিস্তিনে তাদের হিংস্র আঘাত বিস্তার করার সাহস পেত না। তিনি ইহুদি পণ্য বর্জনের জন্য বিশ্বের সকল মুসলমানদের প্রতি অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, গোটা দুনিয়ায় ইহুদি, খ্রিস্টানসহ সব বিজাতীয় ঐক্যবদ্ধভাবে মুসলিম কিলিং মিশন শুরু করেছে। ফিলিস্তিনের গাজায় মুসলমানদের রক্তস্রোত বইছে। সম্প্রতি গাজায় বিশ্বসন্ত্রাসী ইসরাইলী হামলায় হাজার হাজার মুসলিম শাহাদাত বরণ করেছেন, যার অধিকাংশ নারী ও শিশু। মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে তাদের ঘরবাড়ী, ফসলের জমি ও গবাদি পশু। আহত হয়েছে হাজার হাজার নিরীহ মানুষ। যাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও নেই। এই অবস্থায় ফিলিস্তিনের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে মিছিল সভা ও লিখনির মাধ্যমে বিশ্ববিবেক জাগ্রত করার আহ্বান জানান তিনি।

অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন আরো বলেন, ইসরাইলের এত বড় শক্তি হয়নি তারা মসুলমানদের বিরুদ্ধে লড়বে। আমেরিকা ও লন্ডনের মদদে তারা মুসলমানদের বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে অব্যাহত হামলা করে যাচ্ছে। ইসরাইলের এই বর্বরতাকে এখনই রুখে দিতে না পারলে বিশ্ব মুসলিমকে চরম খেসারত দিতে হবে।

বুধবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে ফিলিস্তিনে ইসরাইলের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ, যুদ্ধাপরাধী ইসলাইলের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার এবং ইহুদি পণ্য বর্জনের দাবীতে অনুষ্ঠিত শ্রমিক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নগর সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ ওমর ফারুকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান আহমদ খান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মোঃ মোস্তফা কামাল, এডভোকেট শেহাবুদ্দিন শিহাব, মাওলানা এইচ এম সাইফুল ইসলাম, শাহ আলম মানিক, ছাত্রনেতা এমদাদুল্লাহ ফাহাদ, ঢাকা জেলা সভাপতি মাওলানা নুর হোসেন, হাফেজ নাছির উদ্দিন মামুন, ইউনুছ তালুকদার, হাফেজ শাহাদাত হোসাইন, আবু সুফিয়ান প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, জারজ রাষ্ট্র ইসরাইল মার্কিনের মদদে ফিলিস্তিনের অসহায় নারী পুরুষ ও শিশুদেরকে যেভাবে হত্যা করছে হিংস্রতাকেও হার মানায়। আর আরবদেশগুলো নিরবে সহ্য করে যাচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ফখরুল ইসলাম বলেন, ইসরইল মূলত সকল ধর্মের শত্রু। আর সবচেয়ে বড় শত্রু ইসলামের। এই কারণেই হিটলার ৬০ লাখ ইহুদি হত্যা করে কিছু অভিশপ্ত ইহুদি রেখে দিয়ে বলেছিলেন ইহুদির স্বরূপ বিশ্ববাসীকে বুঝার জন্য রেখে দিলাম। তিনি বলেন, মুসলমানদের এখন বড় জিহাদ হলো ইহুদি ও মার্কিন পণ্য বর্জনের জিহাদে শরীক হওয়া। তাই ইহুদিদের অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দিতে এই জিহাদ চালিয়ে যেতে হবে।

Comments

comments

About The Author

কপিরাইট © ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০১১ সকল স্বত্ব সংরক্ষিত

Scroll to top