You Are Here: Home » সারাদেশ » চট্টগ্রামে মেয়র প্রার্থীর সমর্থনে পথসভায় পীর সাহেব চরমোনাই : সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামাতে হবে

চট্টগ্রামে মেয়র প্রার্থীর সমর্থনে পথসভায় পীর সাহেব চরমোনাই : সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামাতে হবে

চট্টগ্রামে মেয়র প্রার্থীর সমর্থনে পথসভায় পীর সাহেব চরমোনাই : সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামাতে হবে

চসিক নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থিত ইসলামী নগর উন্নয়ন আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী আলহাজ মাওলানা ওয়ায়েজ হোসেন ভূঁইয়ার সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারণায় নগরীর বিভিন্ন পথসভায় অংশ নিয়েছেন দলের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমআর নামাযের পর ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেইটের পথসভায় পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, সরকার সিটি নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করছে। বিরোধী দল ও বিভিন্ন প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ত্রাস করে চললেও ইসি নির্বিকার। এতে প্রমাণিত হয় সরকার ত্রাস সৃষ্টি করে ভোট ছিনতাই করতে চায়। তিনি অবিলম্বে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামানোর জোর দাবি জানান।

আন্দরকিল্লা, বাদামতলী ও ইপিজেড চত্বরে অনুষ্ঠিত পথসভায় অংশ নিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই আরো বলেন, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম এখান বসবাসের উপযুক্ততা হারিয়েছে। বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও বিগত মেয়রদের অসাধুতা, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের কাছে নতিস্বীকারের কারণে চট্টগ্রামের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন হয়নি। পীর সাহেব বলেন, চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে একজন নবীর ওয়ারেসকে আমানত হিসেবে রেখে গেলাম। টেবিল ঘড়িতে আলহাজ ওয়ায়েজ হোসেনকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আমরা নিশ্চয়তা দিতে পারি, জনগণের করের পয়সা যথাযথভাবে ব্যবহার করে চট্টগ্রামকে একটি উন্নত নগরীতে পরিণত করবেন তিনি।

মেয়র প্রার্থী ওয়ায়েজ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয় করার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু বড় দলের প্রার্থীরা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। এই টাকা এখন বিনিয়োগ করা হচ্ছে, নির্বাচিত হলে সেই টাকা সুদে আসলে তুলে নেবেন তারা। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়ন কিভাবে হবে, যদি আমরা দুর্নীতিবাজদের ভোট দিই?

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর, উত্তরবঙ্গে বৃহত্তর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বগুড়া মাদরাসার শায়খুল হাদীস আল্লামা আবদুল হক আজাদ বলেন, কত মেয়র এলেন এবং গেলেন জনগণের দুর্ভোগ কি কমেছে? দফায় দফায় ভপরপুর ইশতেহারের ফুলঝুরি প্রকাশ করে এরা জনগণ বোকা বানিয়ে শুধু ক্ষমতায় যেতেই ফন্দি আঁটছেন। যারা ক্ষমতায় আছেন যারা ছিলেন তারা জনগণের নিরাপত্তা দিতে পারিনি, স্বাধীনতার পূর্বে যে পরিমাণ শেয়াল-কুকুর মরেনি তার চেয়ে বেশি এখন নিত্য দিন মানুষ মরছে। খুন-গুম ও হত্যার শিকার হচ্ছে। যারা আমাদের নিরাপত্তা পারেনি, শান্তি-স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিতে পারেনি তারা মেয়র হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। আগামী ২৮ তারিখ তাদের প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান মাওলানা আজাদ।

পথসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ও ইসলামী নগর উন্নয়ন আন্দোলনের আহ্বায়ক আলহাজ জান্নাতুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সহ-দফতর সম্পাদক মুফতী মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন সাকী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি সাংবাদিক শফকত হোসাইন চাটগামী, চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মুহাম্মদ আল-ইকবাল, আলহাজ আবুল কাশেম মাতুব্বর, আলহাজ একেএম মহিউদ্দীন, উত্তর জেলা সেক্রেটারি মাওলানা সুলতানুল ইসলাম ভূঁইয়া, আলহাজ ইউনুস মোল্লা, ডা. রেজাউল করীম, মাওলানা শেখ আমজাদ হোসাইন, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জিহাদী, আলহাজ আবদুল করীম, মু. সগির আহমদ চৌধুরী, তরিকুল ইসলাম সরকার ও ছাত্রনেতা তাজুল ইসলাম শাহীন প্রমুখ।

Comments

comments

About The Author

Number of Entries : 673

কপিরাইট © ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০১১ সকল স্বত্ব সংরক্ষিত

Scroll to top