You Are Here: Home » featured » ঢাকাস্থ জাতিসংঘ কার্যালয়ে স্মারকিলিপি প্রদান কর্মসূচীতে পুলিশী বাধা!! মিয়ানমারে মুসলিম গণ-হত্যা বন্ধে ওআইসি ও জাতিসংঘের রহস্যজনক নিরবতা মুসলিম উম্মাহকে মর্মাহত করেছে-মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী

ঢাকাস্থ জাতিসংঘ কার্যালয়ে স্মারকিলিপি প্রদান কর্মসূচীতে পুলিশী বাধা!! মিয়ানমারে মুসলিম গণ-হত্যা বন্ধে ওআইসি ও জাতিসংঘের রহস্যজনক নিরবতা মুসলিম উম্মাহকে মর্মাহত করেছে-মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী

ঢাকাস্থ জাতিসংঘ কার্যালয়ে স্মারকিলিপি প্রদান কর্মসূচীতে পুলিশী বাধা!! মিয়ানমারে মুসলিম গণ-হত্যা বন্ধে ওআইসি ও জাতিসংঘের রহস্যজনক নিরবতা মুসলিম উম্মাহকে মর্মাহত করেছে-মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী

৬ এপ্রিল ঢাকামুখী লংমার্চ সফল করুন * মুসলিম গণহত্যা বন্ধের দাবিতে ৮,৯ও ১০ মিয়ানমার অভিমূখে লংমার্চ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী মিয়ানমারে মুসলিম গণ-হত্যা, মসজিদ, মাদরাসা ও মুসলমানদের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে দেয়ার পরও ওধাইসি ও জাতিসংঘের কোন প্রকার প্রতিবাদ না করা এবং রহস্যজনক নিরবতা মুসলিম উম্ম্াহকে মর্মাহত করেছে। তিনি বলেন, বিশ্বের সকল মুসলমান হলো একই দেহের মত। দেহের কোন অংশ আক্রান্ত হলে সমস্ত শরীরেই তার ব্যাথা অনুভূত হয়, ঠিক তেমনি বিশ্বের কোন প্রান্তে কোন মুসলমান আক্রান্ত হলে সমস্ত মুসলমানই আক্রান্ত হওয়ার সামিল। মিয়ানমারে যে পৈশাচিক বর্বরোচিত মুসলিম গণ-হত্যা, ঘর-বাড়ী, মসজিদ-মাদ্রাসায় অগ্নিসংযোগ চলছে তা কোন বিবেকবান মানুষ বরদাস্ত করতে পারে না। বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাসহ বাংলাদেশ সরকারকে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে দাবি জানান তিনি। তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার সাম্রাজ্যবাদীদের মদদপুষ্ট এজেন্ট। দেশে দেশে ন্যায় সংগত আন্দোলনকে সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী কর্মকান্ড বলে প্রতিরোধে সর্বদা সোচ্চার হয়। অথচ মিয়ানমারে যে নির্মম হত্যাযজ্ঞ, জ্বালাও-পোড়াও ধ্বংসলিলা চলছে সে ব্যাপারে ঐ সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী নির্বিকার কেন বিশ্ব বিবেক জানতে চায়।

মিয়ানমারে মুসলিম গণহত্যা ও বাড়ী-ঘরে হামলা ও জ্বালাও পোড়াও-এর প্রতিবাদে আজ ৪ এপ্রিল’১৩ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ ঢাকার পুরানা পল্টনস্থ হাউজবিল্ডিং চত্বরে জমায়েত ও গণমিছিল পূর্ব জমায়েতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। জমায়েতে বক্তব্য রাখেন- মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, নগর সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ূম, সহ প্রচার সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা নেছার উদ্দিন, নগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, আবু সাঈদ সিদ্দিকী প্রমূখ।
জমায়েতশেষে একটি বিশাল গণমিছিল বের হয়ে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ কার্যালয়ের দিকে রওয়ানা হয়ে পল্টন, দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে পুরানা পল্টন মোড়ে পৌঁছলে পুলিশ ৩ স্তরের ব্যারিগেড দিয়ে মিছিলের গতিরোধ করে। এসময় নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে, পরে নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে কর্মীরা শান্ত হয়।
পরে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকাস্থ জাতিসংঘ কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে। প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন প্রেসিডিয়ংাম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, নাস্তিক ব্লগারদের গ্রেফতার করে সরকার আইওয়াশ করছে সরকার। গণজাগরণ মঞ্চ ভেঙ্গে দিতে হবে। সাথে সাথে গ্রেফতারকৃতদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। ৬ এপ্রিল আল্লামা আহমদ শফী আহুত লংমার্চ সফলের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। লংমার্চে বাধা দিলে সরকারের জন্য তা হবে বুমেরাং।

Comments

comments

About The Author

Number of Entries : 673

Comments (1)

Leave a Comment

কপিরাইট © ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০১১ সকল স্বত্ব সংরক্ষিত

Scroll to top