You Are Here: Home » featured » বিদেশের পদলেহন করার কারণেই অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের সুযোগ পাচ্ছে -পীর সাহেব চরমোনাই

বিদেশের পদলেহন করার কারণেই অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের সুযোগ পাচ্ছে -পীর সাহেব চরমোনাই

বিদেশের পদলেহন করার কারণেই অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের সুযোগ পাচ্ছে -পীর সাহেব চরমোনাই

নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আমেরিকা ও দিল্লির হস্তক্ষেপ করার সুযোগ পাচ্ছে যা দেশের রাজনীতিতে অশনিসংকেত বলে অভিহিত করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারত ও আমেরিকার হস্তক্ষেপ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। তিনি বলেন, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনের নেয়ার তদবির করেছে যা কোনক্রমেই মেনে নেয়া যায় না। বিদেশীরা বরাবরই বাংলাদেশের রাজনীতিতে নাক গলানোর চেষ্টা করে। বাংলাদেশের নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণেই বিগত ৪২ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিলো তারা সকলেই বাংলাদেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলানোর সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি ক্ষমতার মোহ পরিহার করে প্রকৃত দেশপ্রেম নিয়ে রাজনীতি করার আহ্বান জানান।
আজ এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান করতে বর্তমান সরকার ব্যর্থ হওয়ায় বিদেশি সম্রাজ্যবাদী ও আদিপত্যবাদী অপশক্তিগুলো আমাদের রাজনীতি নিয়ে নাক গলানোর সুযোগ পাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিদেশিদের হাতে চলে যাবে। যা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলার ১৬ কোটির মানুষের কারোরই কাম্য নয়। নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে দু’টি দল আজ মরন খেলায় মেতে উঠেছে। দেশের উন্নয়ন ও সুখ-সমৃদ্ধির পথে প্রধান বাধা খোদাদ্রোহী সমাজব্যবস্থা, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস। নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে যে সংকট চলছে এর চাইতে বড় সংকট হলো রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন। এ সংকটের সমাধান না হলে নির্বাচন যত সুষ্ঠু হোক না কেন জনগণের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হবে না, যা বিগত দিনের কর্মকান্ডে প্রমাণিত। তিনি দুর্নীতি ও সন্ত্রাস নির্মুল করে একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। সেইসাথে বর্তমান নির্বাচনী তফসিল বাতিল করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের পুনঃতফসিল ঘোষণারও দাবি জানান।
এদিকে আজ শনিবার বিকেলে পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিষদের এক জরুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, আমীরের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, সহকারী মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, প্রিন্সিপাল মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ প্রমুখ।
সভায় ইসলামী আন্দোলন ঘোষিত কর্মসূচী নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।

Comments

comments

About The Author

Leave a Comment

কপিরাইট © ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০১১ সকল স্বত্ব সংরক্ষিত

Scroll to top