৫৫/বি (৩য় তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৯৫৬৭১৩০, ফ্যাক্স : ০২-৭১৬১০৮০

কুমিল্লার বরুরা ও রায়পুরের কেরোয়ায় হাতপাখা প্রার্থীর ওপর হামলার নিন্দা

কুমিল্লা বরুড়ার ২নং ভবানীপুর ইউনিয়নে হাতপাখার প্রার্থী মুফতী শরীফুল ইসলাম এবং রায়পুর ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নের হাতপাখার কর্মীদের উপর সরকার দলীয় দস্যুদের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।

আজ ১৪ নভেম্বর ২০২১ এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, শনিবার বিকেলে কেরোয়া ইউনিয়নের জোড়পোল এলাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাতপাখা মার্কার কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারনা চালানো অবস্থায় আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কার কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে গুরুত্বর আহত হয়েছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক হাফেজ মো. আব্দুল আহাদ মামুনসহ কয়েকজন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপরদিকে বরুরা ভবানীপুর ইউনিয়নে হাতপাখার চেয়ারম্যান প্রার্থী মুফতী শরীফুল ইসলামকে প্রাণনাশের চেষ্টা করে। এতে মারাত্মক আহত হন তিনি।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশে কোন নির্বাচন কমিশন আছে বলে মনে হয় না। আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। ফলে দেশ এক চরম পরিণতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন মহল উদ্বিগ্ন। স্বাধীনতার ৫০তম বছরে এসেও মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছে না। তাহলে নির্বাচনের কী প্রয়োজন। জনগণ যদি নির্বাচন করতে না পারে এবং জনগণ তাদের পছন্দের প্রাথীদের ভোট দিতে না পারে, তাহলে নির্বাচনের নামে তামাশার কী দরকার? ইউপি নির্বাচনে সহিংসতায় ৪১জন মানুষের মৃত্যু হওয়া অশুভ ইঙ্গিত বহন করে।

পীর সাহেব বলেন, দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনেও বিরোধী দলের এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে নিয়ে জাল ভোট দেয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। গাংনীতে জোর করে নৌকায় সীল মারা, বগুড়ায় আনসার সদস্য দিয়ে নৌকার বাক্স ভরা, জামালপুরে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা, কালকিনিতে ভোট শুরু হওয়ার সাথে সাথে গোলাগুলি, বাজিতপুরে বিরোধী দলের এজেন্টদের প্রবেশ করতে না দেয়া, নারায়ণগঞ্জের কাশিপুরে হাতপাখার প্রার্থীর ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং চাপ প্রয়োগ করে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করানো এবং হোমনার যুবলীগ নেতা কর্তৃক হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম ছিড়ে ফেলা এবং প্রার্থীকে মারধর করার ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশ এক ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে যাওয়ার অশুভ ইঙ্গিত বহণ করে।

বর্তমান সরকার নির্বাচনী ব্যবস্থাকে পুরোপুরি শেষ করে দিয়েছে। বলা যায় নির্বাচনকে নির্বাসনে দিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, মানুষের নাগরিক ও ভোটাধিকার আজ চরমভাবে ভুলণ্ঠিত। এভাবে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ চলতে পারে না।

শেয়ার করুন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook

অন্যান্য আমীরের বিবৃতি, বিবৃতি

Scroll to Top

সদস্য ফরম

নিচের ফরমটি পূরণ করে প্রাথমিক সদস্য হোন

small_c_popup.png

প্রশ্ন করার জন্য নিচের ফরমটি পূরণ করে পাঠিয়ে দিন