জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নাচ-গানের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় সরকারকে ধন্যবাদ
-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ৩ নভেম্বর, সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গানের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় অন্তর্বতী সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। জনমতকে শ্রদ্ধা করা, মানুষের দাবীর প্রতি সংবেদনশীল হওয়া সুশাসনের অন্যতম প্রধান নির্দেশক। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে সুশাসনের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা প্রকাশিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের সাথে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কল্যাণের প্রত্যাশা করছি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, বিষয়টাকে কেউ কেউ “শিল্পকলার বিরোধিতা” আকারে হাজির করার অপচেষ্টা করেছে। আমরা খুবই পরিস্কার করে বারংবার বলেছি যে, বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গনিত-ভাষা ও বিজ্ঞানের অবস্থা খুবই খারাপ। আমাদের এই তিনখাতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিনিয়োগ দরকার। একই সাথে এ দেশের মানুষ হাজার বছর ধরে মুসলমান। আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিল্পকলা-উৎসব সবকিছুর সাথেই ইসলাম জড়িত। তাই আমাদের এখানে শিল্পকলার নামে এমন কিছু করা সমীচীন হবে না যা ইসলামের বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক। ফলে গানের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার এই সিদ্ধান্ত দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এখন সরকারের প্রতি আহবান করবো, দ্রুততার সাথে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করুন।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, গানের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার এই সিদ্ধান্তের জন্য দেশের জনগন এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠনগসমূহের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বিশেষ করে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ, জাতীয় মূল্যবোধ সংরক্ষণ পরিষদসহ যারাই গঠনমূলকভাবে এই বিষয়ে জনগণের ভাবনা সরকারের কাছে তুলে ধরার কাজ করেছেন তাদের সবার প্রতিই শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। যেসকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই দাবীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আল্লাহ সবাইকে উত্তম প্রতিদান দিন।



