৫৫/বি (৩য় তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৯৫৬৭১৩০, ফ্যাক্স : ০২-৭১৬১০৮০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্দানশীন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায়সহ সকল ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধ করতে হবে – মহাসচিব, ইসলামী আন্দোলন

  • হোম
  • বিবৃতি
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্দানশীন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায়সহ সকল ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধ করতে হবে – মহাসচিব, ইসলামী আন্দোলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্দানশীন শিক্ষার্থীদের ভাইভা পরীক্ষায়সহ সবধরনের হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘পর্দা করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে ভাইভা পরীক্ষায় হয়রানি করা ও অনুপস্থিত দেখানোর ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব বলেন, বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে নারীরা বোরকা পরবে, এটাই স্বাভাবিক। একজন শিক্ষার্থীর স্বাধীনতা কোথায়? সে হিজাব করতে পারবে না, তার নাগরিক অধিকার কোথায়? ওই নারী শিক্ষার্থীকে যেভাবে মানসিক নির্যাতন করা হলো, তার বিচার করতে হবে। তাকে ভাইভায় উপস্থিত দেখাতে হবে। অন্যথায় বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে ধর্মীয় আবেগ-অনুভুতিতে আঘাত হানার দায়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তথাকথিতরা বলে থাকেন, সবার ধর্ম পালনের স্বাধীনতা আছে। কিন্তু কোথায় সেই স্বাধীনতা? দাঁড়ি-টুপি দেখলেই বলা হয় জঙ্গি। এটি কোন ধরনের স্বাধীনতা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা একজন মুসলিম। মুসলমানদের স্বার্থের কথা ভেবেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অথচ এখানে আজ মুসলমানরাই অবজ্ঞার শিকার। বোরকাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরমাল ড্রেস ঘোষণা এবং বায়োমেট্রিকস পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী শনাক্ত করতে হবে। পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীকে ভাইভায় উপস্থিত দেখাতে হবে এবং ধর্মীয় পোশাকের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করতে হবে।

অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্ত সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র। এখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পর্দা করেন। বিভিন্নভাবে তাদের হেনস্তা করা হয়। বোরকা, দাড়ি-টুপি দেখলেই তাকে জঙ্গি তকমা দেয়া হয়। এ ধরনের মানসিকতা পরিহার করতে হবে। সংবিধানে একজন নাগরিককে সকল ধরনের অধিকার দেয়া আছে। একজন নারীর শর্ট পোশাক পরা যদি তার স্বাধীনতা হয়, তাহলে নারীর বোরকা পরা কেন তার স্বাধীনতা হবে না? বিশ্ববিদ্যালয়ে লেলিন, কার্ল মার্কস, মাও সেতুং-এর আদর্শ চর্চা হতে পারলে, ইসলামের চর্চা কেন হতে পারবে না? এর জবাব সংশ্লিষ্টদের দিতে হবে। কেউ ধর্মীয় বিধিনিষেধ মেনে চললে তার সঙ্গে কেন এমন আচরণ করা হবে?

শেয়ার করুন

অন্যান্য বিবৃতি

Scroll to Top

সদস্য ফরম

নিচের ফরমটি পূরণ করে প্রাথমিক সদস্য হোন

small_c_popup.png

প্রশ্ন করার জন্য নিচের ফরমটি পূরণ করে পাঠিয়ে দিন