৫৫/বি (৩য় তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৯৫৬৭১৩০, ফ্যাক্স : ০২-৭১৬১০৮০

পুরোনো বন্দোবস্তে নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনার আগে দেশবাসী সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চায় -ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

  • হোম
  • জাতীয় সংলাপ
  • পুরোনো বন্দোবস্তে নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনার আগে দেশবাসী সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চায় -ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

পুরোনো বন্দোবস্তে নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনার আগে দেশবাসী সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চায় -ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আজ ২৮ আগস্ট, বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন কর্তৃক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আধুনিক জাতিরাষ্ট্রে নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। আমরাও নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে আছি। কিন্তু আজকের বাংলাদেশ একটি রক্তস্নাত বিশেষ পরিস্থিতিতে বিরাজ করছে। গত ২৪ এর জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা রক্ত ও জীবন উৎসর্গ করেছে ৫৪ বছরের জঞ্জাল দুর করার জন্য, দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্র থেকে চিরস্থায়ী মুক্তির জন্য। সেই বিষয়ে কোন রোডম্যাপ না দিয়ে পুরোনো বন্দোবস্তের নির্বাচনী রোডম্যাপ জুলাইকে অস্বীকার করার নামান্তর।

জাতি সংবিধান, রাজনৈতিক সংস্কৃতিসহ সামগ্রিক সংস্কারের জন্য অধির অপেক্ষা করছে। সংস্কারের জন্য নানা কার্যক্রম হয়েছে কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, সংস্কারের সকল চেষ্টাই এখন কাগুজে দলীলে পরিনত হয়েছে। মৌলিক সংস্কারের সামান্যতমও বাস্তবায়ন হয় নাই। তাই অন্য যে কোন রোডম্যাপের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ দিতে হবে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, জুলাই সনদের আইনী ভিত্তি নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া যায় নাই, সংবিধানে থাকা স্বৈরাচার তৈরির আইনী সুযোগ এখনো রোধ করা যায় নাই, বিগত ৫৪ বছরে চর্চিত অশুভ নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার করা যায় নাই। নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে রাজনীতিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা জাতির, আশা, আকাঙ্খা, উদ্বেগ-উৎকন্ঠাকে উপেক্ষা করে পুরোনো অশুভ রাজনৈতিক বন্দোবস্তকে জিইয়ে রাখার অপচেষ্টা ছাড়া কিছু না।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, নির্বাচন কি বিদ্যমান নিয়মে হবে না পিআর পদ্ধতিতে হবে তা নিয়ে কোন সমাধান হয় নাই। অনেক রাজনৈতিক দল পিআর চাইছে। এর একটা সুরাহা হওয়ার আগেই এমন কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করার নৈতিক অধিকার নির্বাচন কমিশনের নাই। রোডম্যাপে যা বলা হয়েছে তা প্রায় সবই নির্বাচন কমিশনের রুটিন ওয়ার্কের অংশ। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে জনতার দাবীর বিষয়ে আলোচনার কোন সূচি রাখা হয় নাই। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখও বলা হয় নাই। একটি সারবস্তুহীন স্মার্ট এই উপস্থাপনার লক্ষ নিয়ে আমরা সন্দিহান। জুলাই সনদের আইনী ভিত্তি ও পিআর নিয়ে যে আলোচনা তা ধামাচাপা দেয়ার একটা প্রচেষ্টা বলেই মনে হচ্ছে।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, নির্বাচনের রোডম্যাপ দিয়েছেন; ভালো। এখন দ্রুততার সাথে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে। অন্যাথায় জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষই ব্যর্থ হবে, আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তা হতে দেবে না।

শেয়ার করুন

অন্যান্য জাতীয় সংলাপ

ভোলার দৌলতখানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি কর্তৃক সাংবাদিক নির্যাতনের নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ স্বৈরতন্ত্রের সুপ্ত বীজ যাদের মধ্যে আছে তারাই সংবাদ প্রকাশে বাধা দেয়, সাংবাদিক নির্যাতন করে -পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহের চরমোনাই আজ ২৩ আগস্ট, শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, সাংবাদিকগণ হলো রাষ্ট্রের স্তম্ভ। সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সমাজ-রাষ্ট্রের অসংগতি, দুর্নীতি সম্পর্কে মানুষ জানতে পারে। অপরাধ প্রতিহত হয়। সেজন্য একটি সভ্য ও সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক দেশে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া কোনভাবেই সহ্য করা হয় না। বিগত ১৫ বছরে শেখ হাসিনার সরকার সৎ ও নির্বিক সাংবাদিকদের নির্যাতন-নিপীড়ন করেছে এবং একদল ছা-পোষা সাংবাদিক তৈরি করেছিলো। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ২৪ এর জুলাই অভ্যুত্থানে স্বৈরতন্ত্রের পতনের পরে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হয়েছিলো। কিন্তু বিএনপি দলীয় বা বিএনপির নামধারী নানাস্তরের নেতারা সাংবাদিকদের ওপরে আগের মতো চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে এবং সাংবাদিকদের ওপরে হামলা করে তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। তার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত হলো ভোলার দৌলতখানে সময় টিভির সাংবাদিকদের ওপরে হামলা করার ঘটনা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাচ্ছে। ঘটনার বিবরণে যা জানা যাচ্ছে তা ভীতিজনক। মব সৃষ্টি করে সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা দেয়া, সাংবাদিকদের শারীরিক হেনস্তা করা এবং তাদের জীবনের হুমকি তৈরি করার যে বিবরণ এসেছে তা কোন সভ্য সমাজে কল্পনা করা যায় না। বিএনপি বারংবার গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু তাদের তৃণমূলের নেতৃত্ব যেমাত্রায় সহিংসতাপ্রবণ তাতে আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের আতংকিত হওয়ার যথেষ্ঠ কারণ তৈরি হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর বলেন, এর আগে গাজীপুরে একাধিক সাংবাদিক নির্যাতন এমনকি সাংবাদিক হত্যার ঘটনাও আমরা দেখেছি। দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি হলেও হত্যাকারীর পেছনের লোকদের খুজে বের করা যায় নাই। এর ফলে দেশের প্রান্তে প্রান্তে সাংবাদিকদের ওপরে নির্যাতন করার সাহস পাচ্ছে। অতএব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রশাসনের প্রতি দাবী জানাচ্ছে যে, অবিলম্বে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এবং বিএনপির নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রুত ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় এর দায় বিএনপিকেও বহন করতে হবে।

ভোলার দৌলতখানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি কর্তৃক সাংবাদিক নির্যাতনের নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ স্বৈরতন্ত্রের সুপ্ত বীজ যাদের মধ্যে আছে তারাই সংবাদ প্রকাশে বাধা দেয়, সাংবাদিক নির্যাতন করে -পীর সাহেব চরমোনাই

বিস্তারিত দেখুন

সকল পোস্ট :

Scroll to Top

সদস্য ফরম

নিচের ফরমটি পূরণ করে প্রাথমিক সদস্য হোন

small_c_popup.png

প্রশ্ন করার জন্য নিচের ফরমটি পূরণ করে পাঠিয়ে দিন