<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সংবাদ সম্মেলন &#8211; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ</title>
	<atom:link href="https://www.islamiandolanbd.org/category/press-conference/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.islamiandolanbd.org</link>
	<description>শুধু নেতা নয় নীতির পরিবর্তন চাই</description>
	<lastBuildDate>Wed, 13 Aug 2025 12:39:01 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.6.5</generator>

<image>
	<url>https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/03/cropped-icon.png</url>
	<title>সংবাদ সম্মেলন &#8211; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ</title>
	<link>https://www.islamiandolanbd.org</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বৈঠক অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ ছাড়া নির্বাচন আয়োজন না করা,সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন ও পিআর পদ্ধতিসহ সাতদফা দাবী উত্থাপন</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/5168-2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Yousuf Pias]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 13 Aug 2025 12:38:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই সনদ ছাড়া নির্বাচন আয়োজন না করা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=5168</guid>

					<description><![CDATA[প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বৈঠক অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ ছাড়া নির্বাচন আয়োজন না করা,সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন ও পিআর পদ্ধতিসহ সাতদফা দাবী উত্থাপন জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন, অতিতের ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের ধারা থেকে বের হতে বিদ্যমান নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন করে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বৈঠক অনুষ্ঠিত<br />
জুলাই সনদ ছাড়া নির্বাচন আয়োজন না করা,সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন ও পিআর পদ্ধতিসহ সাতদফা দাবী উত্থাপন</p>
<p>জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন, অতিতের ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের ধারা থেকে বের হতে বিদ্যমান নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন করে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করাসহ সাত দফা আলোচ্যসূচি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠক করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।</p>
<p>বৈঠক পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে দলের মুখপাত্র ও যুগ্মমহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, একটি রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের পরে অবশ্যই তার একটি সনদ হতে হবে এবং নির্বাচন হতে হবে জুলাই সনদের আলোকে। “জুলাই সনদের আইনী ভিত্তি নিশ্চিত করার আগে কোন অবস্থাতেই তফসিল ঘোষণা করবেন না” মর্মে সিইসিকে স্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে।<br />
জাতীয় সরকার নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা গেলো কিনা, রাজনৈতিক দলগুলো কতটা সুস্থ্য রাজনৈতিক চর্চায় অভ্যস্ত হলো তা বোঝার জন্যই স্থানীয় সরকার নির্বাচন দরকার।</p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে তার দায়িত্ব না থাকার কথা উল্লেখ করেছেন এবং আইনী পরিবর্তনের ধারা অব্যহত থাকার কথা বলেছেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন এখনো ঠিক করতে না পারাটা আমাদের জন্য ব্যর্থতা।</p>
<p>মাওলানা গাজী আতাউর রহমান লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সতর্ক করেছি যে, যদি আপনি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে পারেন তাহলেই নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করেন। অন্যথায় সাম্প্রতিক অতিতের নির্বাচন কমিশনারদের পরিনতি আপনার ক্ষেত্রেও পুনরাবৃত্তি হবে।</p>
<p>প্রতিনিধি দলে ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এবং আরেক যুগ্মমহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম।</p>
<p>সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- এর পক্ষ থেকে<br />
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে ৭টি মৌলিক প্রস্তাবনাসমূহ হলো,<br />
১) বিগত ক্ষমতাসীন দলগুলো যেভাবে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনকে দলীয় এবং ক্ষমতার অশুভ প্রভাব খাটিয়ে বিতর্কিত ও ব্যর্থ করেছে তা থেকে উত্তরণের জন্য সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রয়োজন করতে হবে।<br />
২) সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়িত্বশীল এবং দলনিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের জন্য প্রশিক্ষণ ও দিক নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। এর ব্যত্যয় হলে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।<br />
৩) সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে দেশের গৌরব সেনাবাহিনীকে শুধু স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নয় বরং প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সেনা সদস্য মোতায়েনের ব্যবস্থা করতে হবে।<br />
৪) জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে ও সংস্কারের ভিত্তিতে জাতীয় এবং সকল স্থানীয় নির্বাচন করতে হবে।<br />
৫) শতভাগ জনমতের মূল্যায়নের মাধ্যমে একটি কার্যকর সংসদ গঠনের লক্ষ্যে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি বা পি.আর. পদ্ধতির নির্বাচনের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।<br />
৬) ফ্যাসিস্ট, খুনি, মানবতা বিরোধী অপরাধী ও আধিপত্যবাদী শক্তির এজেন্ট আওয়ামীলীগ ও তার সকল দোসর ও সহযোগী দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা এবং তাদের নিবন্ধন বাতিল করা।<br />
৭) দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, টেন্ডারবাজ ও খুনিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা।</p>
<p>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, নির্বাচন অব্যশই হতে হবে। এবং প্রধান উপদেষ্টার আশাবাদ অনুসারে নির্বাচন আয়োজনের জন্যই আমরা এই প্রস্তাবনাগুলো ও সতর্কবার্তা তুলে ধরেছি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2025/08/WhatsApp-Image-2025-08-13-at-6.12.29-PM.jpeg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>নির্বাচন নিয়ে আমরা আতংকিত</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/election-3/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Yousuf Pias]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Aug 2025 10:49:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=5152</guid>

					<description><![CDATA[ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র এবং গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আজ ১১ আগস্ট, সোমবার গাজীপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিক হত্যা ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি প্রসঙ্গে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, “আপনাদের সহকর্মী গত ৭ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। নিহত আসাদুজ্জামান তুহিন একজন নির্ভিক সাংবাদিক ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a"></div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><strong><span style="font-size: 16px; background-color: var(--darkreader-background-ffffff, #181a1b); color: var(--darkreader-text-3a3a3a, #c3beb6); --darkreader-inline-bgcolor: var(--darkreader-bg--darkreader-background-ffffff, var(--darkreader-background-181a1b, #131516)); --darkreader-inline-color: var(--darkreader-text--darkreader-text-3a3a3a, var(--darkreader-text-c3beb6, #beb8b0));" data-darkreader-inline-bgcolor="" data-darkreader-inline-color="">ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র এবং গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আজ ১১ আগস্ট, সোমবার গাজীপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিক হত্যা ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি প্রসঙ্গে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন,</span></strong></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">“আপনাদের সহকর্মী গত ৭ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। নিহত আসাদুজ্জামান তুহিন একজন নির্ভিক সাংবাদিক ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত, মর্মাহত। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। এই ঘটনা কেবল গাজীপুরেই না বরং সারা দেশেই প্রচণ্ড ক্ষোভ ও নিন্দার জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিকভাবেও দেশের ভাবমুর্তির ক্ষতি করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অতিতের ন্যায় ৫ আগষ্টের পরেও সন্ত্রাস ও চাদাবাজির বিরুদ্ধে কথা বলে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক ঘটনায় আমাদের অবস্থান জানানো এবং আপনাদের সাথে মতবিনিময় করার জন্য আজকের এই আয়োজন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনের উদাসীনতা প্রসঙ্গে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। ঘটনার পরবর্তী করণীয় পালনে উদাসিনতা দেখিয়েছে। আট আগস্ট নিহত তুহিনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে আমি ইমামতি করেছি। আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, জানাজায় প্রশাসনের উর্ধতন দায়িত্বশীল ও সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বা তার প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে নিহত সাংবাদিকের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। শোকাহত পরিবার ও সাংবাদিক সহকর্মীদের সহমর্মীতা ও সমবেদনা জানাবেন, মানুষকে আশ্বস্ত করবেন, সাংবাদিকদের অভয় দিবেন। কিন্তু তারা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এতে করে মনে হচ্ছে একজন সাংবাদিক হত্যায় তাদের কোন বিকার নাই। তারা নির্বিকার।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">হত্যাকাণ্ডের শিকার সাংবাদিকের পরিবারের প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, নিহতের দুইটা বাচ্চা আছে। বাবা-মা আছেন। স্ত্রী-পরিবার আছেন। নিহত তুহিনের সংসারে আয় করার মতো আর কেউ নাই। এখন তার পরিবারে দায়-দায়িত্ব কে নেবে। সরকারের পক্ষ থেকে কেউ তাদের খোঁজ-খরব নেয় নাই। আমরা এর নিন্দা জানাচ্ছি।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তার অসহায় পরিবারকে এভাবে উপেক্ষা করার কারণে সাংবাদিকদের মধ্যে ভয় ও আতংক আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। আমি মনে করি, সাংবাদিকদের ভীত-সন্ত্রস্ত করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে এই নৃশংসতা ঘটানো হয়েছে। এবং নিহত তুহিন ও তার পরিবারকে উপেক্ষা করার মাধ্যমে সরকার ও গাজীপুর প্রশাসন সেই ভীত-সন্ত্রস্ত করার কাজে অপরাধীদের সহায়তা করেছে। কারণ সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য কোন ব্যবস্থা করে নাই। অভয় দেয়া হয় নাই। আশ্বস্তও করা হয় নাই। আমরা দাবী জানাচ্ছি, তার পরিবারর দায়িত্ব নিতে হবে। তার পরিবারের কর্মসংস্থানের ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। সার্বিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আহবান করবো নিহত তুহিনের পরিবার যেনো ক্ষতিপূরণ পায় সেজন্য আপনারা দাবী উত্থাপন করুন। এবং ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করুন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">জিএমপি কমিশনারের বক্তব্যের সমালোচনা করে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্র-প্রশাসন কিভাবে চলছে তা আমরা বুঝতে পারি না। জিএমপির কমিশনার একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সেখানে তিনি দায় স্বীকার করলেও কিছু আপত্তিকর কথা বলেছেন। তিনি সন্ত্রাস ও ছিনতাই এর জন্য বেকরত্বকে দায়ী করে ঢালাওভাবে শ্রমিকদের দায়ী করেছেন। আমরা এর নিন্দা জানাচ্ছি। গাজীপুরে পোষাক কারখানা বন্ধ হওয়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে। এর সাথে শ্রমিকদের চাদাবাজীতে যুক্ত হওয়ার কোন সম্পর্ক নাই। তার এই বক্তব্য আপত্তিকর।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">চাকুরী হারানো শ্রমিকরা চাদাবাজী ও ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত বলে তিনি যে কথা বলেছেন তার ব্যাখ্যা তার দেয়া উচিৎ। কতজনের অপরাধের কারণে তিনি শ্রমিকদেরকে অভিযুক্ত করছেন তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। আমরা মনে করি, তিনি শ্রমিকদের হেয়-প্রতিপন্ন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি তার ব্যর্থতা আড়াল করার চেষ্টা করেছেন। অপরাধীদের অপরাধকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করেছেন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তিনি গাজীপুরের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে খারাপ হয় নাই বলে মন্তব্য করেছেন। আমরা তার এই বক্তব্যকেও প্রত্যাখ্যান করছি। তার এই উদাসীনতা ও দায়িত্ব এড়ানো মনোভাব আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">তবে তাকে ধন্যবাদ। জানাজার নামাজে দেয়া আমাদের আহবানকে আমলে নিয়ে তিনি অপরাধীদেরকে আটক করেছেন এবং গাজীপুরের জন্য আরো দুই হাজার পুলিশ চেয়েছেন। আমরা মনে করি, গাজীপুরের জনসংখ্যা ও গুরুত্ব বিবেচনায় এই দুই হাজার পুলিশ যথেষ্ট না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">গাজী আতাউর রহমান বলেন, চাদাবাজীর পেছনে কারা আছে তাদের সামনে নিয়ে আশা দরকার। এখানে মাদকের কারণে নৈরাজ্য হয়, অনাচার-ব্যবিচার হয়। প্রশাসন তা জানে। কিন্তু তার প্রতিকারে প্রশাসনের কোন উদ্যোগ নাই। আমরা গাজীপুরকে নিরাপদ করতে চাই। বরং সারাদেশকেই নিরাপদ করতে চাই। জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে একটা নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য। আমরা এগুলো আর দেখতে চাই না। সেজন্য সকলের সহযোগীতা দরকার। সম্মিলিত কাজ দরকার।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আমরা মনে করি, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ হিসেবে যা বলা হয়েছে তা বিশ্বাসযোগ্য না। আমরা মনে করি, এর পেছনে আরো বড় কোন ঘটনা আছে। কারা তাদের টাকা দিয়ে হত্যা করিয়েছে তা বের করতে হবে। এই হত্যাকারীরা আগে কাদের প্রশ্রয়ে ছিলো, এখন কাদের প্রশ্রয়ে থাকে তা বের করতে হবে। তাদের নাম প্রকাশ করতে হবে। গাজীপুরে কাদের প্রশ্রয়ে চাদাবাজী হয় তা প্রকাশ করতে হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তিনি সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাংবাদিকদের সাথে আছে। তারা আতংক তৈরি করার জন্য এমন নৃশংসতা করেছে। আমরা যদি আতংকিত হই তাহলে ওদের উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে। তাই নির্ভিকভাবে দায়িত্ব পালন করুন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, কোন রাজনৈতিক দলকে শেল্টার দিবেন না। গাজীপুরে যে অভিযান শুরু হয়েছে তা যেনো কেবল এই খুনেই সীমাবদ্ধ না থেকে সামগ্রিক অপরাধ দমনে কাজ করে সেই আহবান জানাবো। অপরাধীদের হাতে থাকা অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। আমরা আতংকিত যে, এই অস্ত্র হয়তো আগামী নির্বাচনে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হবে। এই আশংকা নিয়ে তো নির্বাচন করা যায় না। সেনাবাহিনী মাঠে থাকার পরেও এই ধরণের অপরাধের পরে তো আমরা আশাহত হই। তাই সকল অপরাধীদের আটক করতে হবে। এবং তাদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আদালতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালত এখন শুধুই জামিন শুনানি করে। তারা বিচারের কাজের চেয়ে জামিন শুনানিতেই ব্যস্ত। তাদের আচরণ দেখলে মনে হয় আদালতের কাজ বিচার করা না বরং অপরাধীদের জামিন দেয়া। এটা তো হতে পারে না। তাই আটক অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গাজীপুর মহানগর এর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মাদ ফাইজ উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা এম এ হানিফ সরকার, সহ-সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান মিয়াজী, অধ্যক্ষ মাওলানা শহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি মুফতী হুসাইন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, এইচ এম সাইদুর রহমান, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক এইচ এম ওয়াহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা রফিকুল ইসলাম মন্ডলসহ সহযোগী সংগঠনের নগর নেতৃবৃন্দ।</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2025/08/77a05926-2c9d-4add-ae80-870cd176f3db.jpeg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>জনগণকে সর্বাত্মকভাবে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/jonogon-2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Admin-IAB]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Jan 2024 09:34:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=4558</guid>

					<description><![CDATA[দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করে অবৈধ সংসদ ভেঙ্গে দিন -সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে সর্বশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী অবিলম্বে বিদ্যমান কলঙ্কিত জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে দেশবিরোধী প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করুন। বিরোধীদলের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"><strong><span style="font-size: 16px;">দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করে অবৈধ সংসদ ভেঙ্গে দিন -সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই</span></strong></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে সর্বশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী অবিলম্বে বিদ্যমান কলঙ্কিত জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে দেশবিরোধী প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করুন। বিরোধীদলের সম্মানিত নেতৃবৃন্দকে কারাগার থেকে মুক্তি দিন। সকল রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় সরকার গঠনের রূপরেখা ঘোষণা দিন। নয়তো সম্ভাব্য বিপর্যয়ের দায় থেকে আপনিও রক্ষা পাবেন না। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনাদের যদি ন্যূনতম দেশপ্রেম থাকে তাহলে আপনারা দ্রুত পদত্যাগ করুন, প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করুন, কারাবন্দী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মুক্তি দিন। জনগণের ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিন। রাজনৈতিক কারণে সকল প্রকার জুলুম এবং হয়রানী বন্ধ করুন। দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করুন। তিনি দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে ৭ জানুয়ারি প্রহসনের নিবৃাচন বন্ধ করে অবৈধ সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে পূন”তফসিল ঘোষণা করুন। তিনি জনগণকে সর্বাত্মকভাবে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানান।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একতরফা প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ, বিদ্যমান পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের দাবী এবং চলমান রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মাওলা ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারি মহাসচিব হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম ও কৃষিবিদ আফতাব উদ্দিন, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, মাওলানা মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা খলিলুর রহমান, জিএম রুহুল আমীন, অ্যাডভোকেট এম হাসিবুল ইসলাম, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, ছাত্রনেতা শরিফুল ইসলাম রিয়াদ প্রমূখ।</div>
<div dir="auto"><img fetchpriority="high" decoding="async" class="aligncenter size-large wp-image-4559" src="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2024/01/2-1024x477.jpg" alt="" width="1024" height="477" srcset="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2024/01/2-1024x477.jpg 1024w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2024/01/2-300x140.jpg 300w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2024/01/2-768x357.jpg 768w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2024/01/2-1536x715.jpg 1536w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2024/01/2-2048x953.jpg 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<blockquote>
<div dir="auto"><em><strong>সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।</strong></em></div>
</blockquote>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<blockquote>
<div dir="auto"><em><strong>১. ৭ জানুয়ারী একতরফা প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করতে হবে।</strong></em></div>
<div dir="auto"><em><strong>২. বিদ্যমান জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে। ৩.নিবন্ধিত এবং আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে, জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে।</strong></em></div>
<div dir="auto"><em><strong>৪.বর্তমান নির্বাচন কমিশন ভেঙ্গে দিতে হবে এবং জাতীয় সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের পূণঃতফসিল ঘোষণা করবে।</strong></em></div>
<div dir="auto"><em><strong>৫. রাজনৈতিক কারণে বিরোধীদলের কারাবন্দী সকল নেতা-কর্মীর মুক্তি দিতে হবে।</strong></em></div>
</blockquote>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">লিখিত বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরে স্বৈরতন্ত্র এমন “সাংবিধানিক ও আইনসম্মত” রূপ নিয়ে জনতার ওপরে চেপে বসে আছে এবং আরো দীর্ঘায়িত হতে চাচ্ছে দেখে খুবই মর্মাহত ও ব্যথিত না হয়ে পারা যায় না। একটি সভ্য-স্বাধীন দেশের দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আমরা সরকারকে বারবার সতর্ক করেছি। স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা, নির্বাচন নামের তামাশা, জুলুম, নির্যাতন, লুটতরাজ ও দুর্নীতি থেকে সরিয়ে রাখার জন্য এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি নিয়ন্ত্রণ, গণ অধিকারসমূহ রক্ষায় সকল পন্থা অবলম্বন করেছি। রাজপথে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, জনমত গঠন ও জনমতের প্রকাশসহ সম্ভাব্য সব কিছুই আমরা করেছি। প্রত্যাশা ছিলো, সরকারে থাকা ব্যক্তিবর্গের বোধোদয় ঘটবে; তারা দেশকে গৃহযুদ্ধ ও সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে না। দেশের অর্থনীতি এবং জনগণের জীবনযাত্রাকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাবে না।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তিনি বলেন, সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিয়ে, অর্থনীতিকে ধ্বংশ করে হলেও ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। রাজনীতিতে হীন থেকে হীনতর সব কৌশল অবলম্বন করে তারা ক্ষমতায় থাকার পাঁয়তারা করে যাচ্ছে। সত্যি বলতে কি; আধুনিককালে কেউ ক্ষমতায় থাকার জন্য এতটা নির্লজ্জ, দেশের প্রতি এতো আত্মঘাতি, এতো হিংস্র ও এতোটা বেপরোয়া হতে পারে, তা আমাদের ভাবনায় ছিলো না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যেভাবে ক্ষমতায় থাকার একটা অসুস্থ্য প্রতিযোগিতা লক্ষ করা যায়, তারই একটি বিকৃত ও নোংরা উপস্থাপনা হিসেবে আমরা বর্তমান সমস্যাকে বিবেচনা করছিলাম। কিন্তু বর্তমান সরকারের কার্যক্রম আরো উদ্ধত, বেপরোয়া ও শঠতাপূর্ণ।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">পীর সাহেব বলেন, রাজনীতিকেই ধ্বংস করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে হত্যা করা হয়েছে। দেশের সম্পদ লুটেপুটে খেয়ে নিয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্কগুলোকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং ইতিহাসের নিকৃষ্টতম শঠতায় প্রহসনমূলক নির্বাচনের অপচেষ্টা করছে। একই সাথে শিক্ষা সিলেবাসের নামে জাতির ভবিষ্যত প্রজন্মকে শেষ করার পাঁয়তারা করছে। সরকারের আজ্ঞাবহ দলদাস নির্বাচন কমিশন আগামী ৭ জানুয়ারী প্রহসনমূলক একতরফা নির্বাচনের যে ঘোষণা দিয়েছে, পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নির্লজ্জ ও শঠতাপূর্ণ নির্বাচন কেউ কখনো দেখেছে বলে মনে হয় না। ক্ষমতাসীন সরকার ২০১৪ সালে করলো একতরফা প্রহসনের নির্বাচন, ২০১৮ সালে করলো রাতের ভোট আর ২০২৪ সালে এসে করছে ডামি নির্বাচন। নিজ দলের একাধিক প্রার্থী বিভিন্ন নামে দাড় করানো, জেল থেকে মুক্তি দেয়ার লোভ দেখিয়ে বিরোধী নেতাদের নির্বাচনে দাড় করানো, কিংস পার্টি গড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ানোর অপচেষ্টা করার মতো এই সরকার যা করছে, তাতে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম নির্বাচনের উদাহারণ হয়ে থাকবে এই নির্বাচন। নির্বাচন নিয়ে কতবড় নোংরামী হয়েছে তার উদাহারণ হয়ে থাকবে কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য। তিনি প্রকাশ্যেই বলেছেন, নির্বাচনে অংশ নেয়ার শর্তে কারাগারে থাকা সকল বিরোধী নেতাকে মুক্তির প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো। তার এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে, কারাগারে থাকা না থাকার মতো যে বিষয় আদালতের ওপরে নির্ভরশীল তাও এখন এই সরকার কুক্ষিগত করে নিয়েছে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ইসলামী আন্দোলনের আমীর বলেন, নির্বাচন নিয়ে সরকারের এমন নির্লজ্জ ও বেপরোয়া হওয়ার কারণ আমরা বুঝতে পারি। গবেষণা সংস্থা সিপিডির সদ্য প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ বছরে ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা শুধু ব্যাংক খাত থেকে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লুট করেছে। খেলাফি ঋণের নামে যা লুট করা হয়েছে তার হিসাব আলাদা। অবৈধ ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগের লোকেরা কত অবৈধ সম্পদ কামিয়েছে; তার একটা ছোট দৃষ্টান্ত হলো, পাঁতানো এই নির্বাচনে অংশ নেয়া আওয়ামী প্রার্থীদের ৮৭%ই কোটিপতি। ১৮ জনের সম্পদ শতকোটি টাকার ওপরে। এক মন্ত্রীর একারই বিদেশে দুই হাজার তিনশ বারো কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে, যা হলফনামায় গোপন করা হয়েছে। এর আগে এস আলম গ্রুপের এক বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করার কথাও জাতি জেনেছে। ফলে এই নির্বাচন তাদের লুটতরাজ বহাল রাখা এবং আইনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার অবলম্বন হয়ে দাড়িয়েছে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রহসনের নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিরোধীদলগুলো অংশ না নেয়ার প্রধান যুক্তিউল্লেখ করে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, প্রার্থীদের নিরাপত্তা এবং ভোটারদের স্বাধীন মত প্রকাশে বাধা দেয়ার আশংকা। আমাদের আশংকা যে যৌক্তিক ও যথার্থ ছিলো তা এই পাঁতানো ও শঠতাপূর্ণ নির্বাচনেও প্রমাণিত হয়েছে। এরই মধ্যে সারা দেশে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের উপর আক্রমন, গুলিবর্ষণ, ভোটারদের মার-ধর, হুমকি-ধমকি, প্রচারনায় বাধা, নির্বাচনী ক্যাম্পে অগ্নি সংযোগ ও গাড়ি বহরে অগ্নি সংযোগসহ সহিংসতা ও সংঘর্ষের শত শত ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নির্বাচনী অনিয়ম ও সংঘাত সংঘর্ষের প্রায় সাড়ে পাঁচশত অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা পরেছে। এসব ঘটনার প্রায় সবগুলোই ঘটিয়েছে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এবং তাদের কর্মী সমর্থকরা। যে সব জায়গায় সংঘাত সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- মাদারীপুুরে এবং বরিশালে নির্বাচনী সহিংসতায় ২ জন নিহত। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-১, ঝিনাইদহ-১, রাজশাহী-১, ২, ৪ ও ৫, নাটোর, নওগাঁ, টাঙ্গাইল, বরিশাল-২, গাজীপুর-১, ২ ও ৩, খুলনা-৫, নেত্রকোণা-১, রংপুর-২, রাজবাড়ী-২, মানিকগঞ্জ-২, চট্টগ্রাম-১, ৩, ১২, ১৫ ও ১৬, শরিয়তপুর, মাদারীপুর-৩, ফরিদপুর-৩, গোপালগঞ্জ-১, জয়পুরহাট-২, পাবনা-১, সিরাজগঞ্জ-৩, ৫ ও ৬, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা-১, খুলনা-৪, বগুড়া-১ ও ৪, কক্সবাজার-৪, মুন্সিগঞ্জ-৩, নরসিংদী-৫, কিশোরগঞ্জ-৫, চাপাইনবাবগঞ্জ-১ ও পঞ্চগর-১। এসব আসনে সংঘাত, সংঘর্ষ, গুলি, নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন, হত্যার হুমকিসহ নানা রকম সহিংস ঘটনা ঘটেছে। যেসব ঘটনার তেমন কোন প্রতিকার হয়নি।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, পাঁতানো নির্বাচনে নৌকা, ঈগল, ট্রাক ইত্যাদি যা আছে সবই শেখ হাসিনার লোক। সবাই আওয়ামী লীগের। এমনকি লাঙ্গল, সোনালী আশ, নোঙ্গরও শেখ হাসিনার আশির্বাদপুষ্ট। তারপরেও এই নির্বাচনে নৌকায় ভোট না দিলে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে বহু জায়গায়। নৌকায় ভোট না দিলে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার দরকার নাই মর্মে ভোটারগণকে আগাম হুশিয়ারি দেয়ার ঘটনা ঘঠছে অহরহ। এসবই আমাদের দাবীর যথার্থতা প্রমাণ করছে। দলীয় সরকারের অধিনে কোন নির্বাচনই সুষ্ঠু হয় না; এমনকি পাঁতানো নির্বাচনও সুষ্ঠু ও অবাধ হয় না।</div>
<div dir="auto">পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, রাষ্ট্র নাগরিকদের সেবা দিতে বাধ্য। সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের সেবা কোন দল বা ব্যক্তি দেয় না বরং রাষ্ট্র দেয়। কিন্তু আমরা দেখছি, এই সরকারের লোকজন ভোটারগণকে নৌকায় ভোট না দিলে বা ভোট কেন্দ্রে না গেলে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের অধীনে প্রদত্ব সেবা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। গরীব-অসহায় মানুষদের তারা বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ইত্যাদি বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। কতটা নির্লজ্জ, বেহায়া এবং অমানবিক হলে নাগরিককে কেউ এ ধরণের হুমকি দিতে পারে, তা আমরা ভাবতেও পারি না। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতা এক প্রার্থী নিজেকে ভারতের প্রার্থী দাবী করে দাপট দেখাচ্ছে। সরকারী কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে নৌকার পক্ষে ভোট চাচ্ছে। সার্বিকভাবে এই পাঁতানো ও শঠতাপূূর্ণ নির্বাচনেও এতো জঘন্যমাত্রায় এতো বেশি অনিয়ম, মাস্তানী ও অবৈধ ক্ষমতা প্রয়োগের ঘটনা ঘটছে যে, এটাকে আর নির্বাচন বলার কোন সুযোগ নাই। এটা মাফিয়া চক্রের প্রধান ঠিক রেখে আঞ্চলিক মাস্তান বাছাইয়ের তামাশায় পরিণত হয়েছে। এই কথিত নির্বাচন বিরোধী দলগুলোর দাবীর যথার্থতা আবারো প্রমান করলো যে, কোন দলীয় সরকারের অধিনে কোন সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হতে পারে না।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">৭ জানুয়ারির নির্বাচন আমার আপনার মৌলিক অধিকার কেড়ে নেয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন আমার আপনার ভোট জালিয়াতি করে ক্ষমতাসীনদের সীমাহীন লুটতরাজ, জুলুম, খুন,গুম ও অনিয়ম জারি রাখার নির্বাচন। এই নির্বাচন দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করা, ব্যাংকগুলো শূন্য করা, চুরি করে কোটিপতি হওয়ার অবৈধ পদ্ধতিকে অব্যাহত রাখার নির্বাচন। এই নির্বাচন হলো ক্ষমতাসীনদের পারস্পরিক ক্ষমতা ভাগাভাগির নির্লজ্জ খেলা। ফলে এই নির্বাচনে ভোট দেয়ার মানে হলো, ক্ষমতাসীনদের সকল অন্যায়,জুলুম ও দুর্নীতিকে বৈধতা দেয়া। যা কোনভাবেই জায়েজ নয়। যাদের মধ্যে দেশপ্রেম আছে, যারা দুর্নীতি, জুলুম-লুটতরাজকে ঘৃণা করেন, যারা মানুষের অধিকারকে সম্মান করেন তারা কেউ ভোট কেন্দ্রে যাবেন না। যারা আল্লাহকে ভয় করেন, যারা মাজলুমের বদদোয়াকে ভয় করেন, তারা কেউ ভোট দেবেন না। যারা ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেন, যারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের সম্মান করেন তারা কেউ ৭ জানুয়ারি ভোট কেন্দ্রে যাবেন না। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে বলবো, আপনারা কেউ এই দেশ বিরোধী অবৈধ নির্বাচনে জালিমদের সহযোগীতা করবেন না। প্রশাসনের কর্মচারী-কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলবো, প্রজাতন্ত্রের দায়িত্বশীল হিসেবে আপনারা জনগণের বিপক্ষে গিয়ে সরকারের কোন অবৈধ হুকুম তামিল করবেন না। আপনারা কেউ প্রহসনের নির্বাচনে সহযোগীতা করবেন না। এই জনবিরোধী প্রহসনের নির্বাচনে যারা সহযোগিতা করবে, জনগণ তাদেরকে কিছুতেই ক্ষমা করবে না।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">বর্তমান দলকানা তাবেদার নির্বাচন কমিশনকে উল্লেখ্য করে পীর সাহেব বলেন, আপনারা যদি নিজেদের ভালো চান এবং দেশের মঙ্গল চান তাহলে এখনো সময় আছে, নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে পদত্যাগ করে চলে যান। জনগণ আপনাদের নাটক আর দেখতে চায় না।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আমরা যদি গণহারে ভোট বর্জন করি তাহলে এই জালেম লুটেরারা বাধাগ্রস্থ হবে। আমরা ভোট বর্জন করলে জাতি, দেশের অর্থনীতি রক্ষা পাবে। আপনি ভোট বর্জন করলে মানবতা রক্ষার পথ উন্মোচিত হবে। জালেমদের বিদায় অবশ্যই হবে, ইনশাআল্লাহ। আমরা যদি জালিমের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধ এবং সুদৃঢ় থাকতে পারি, তাহলে অচিরেই জনগণের বিজয় হবেই হবে, ইনশাআল্লাহ।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আমরা এই জাতিকে রক্ষা করতে চাই, দেশকে বাচাতে চাই, দেশের অর্থনীতিকে বাচাতে চাই, লুটতরাজের অবসান চাই। আমরা একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান চাই। আমরা রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তন চাই। আমরা দেশের মানুষের অধিকার ফেরত পেতে চাই। সেজন্য আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলন সংগ্রাম চলবে। আমরা জনগণকে কর্তৃত্ববাদী এই জালিম সরকার বিরোধী গণ-আন্দোলনে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাই। পাশাপাশি আমরা জনগণের অধিকার রক্ষার লক্ষে আন্দোলনরত সকল বিরোধী দলকে ধৈর্যের সাথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাই।</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2024/01/1-scaled.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>দেশের চলমান সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/songbad-sommelon/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Admin-IAB]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Nov 2023 08:04:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=4454</guid>

					<description><![CDATA[দেশের চলমান সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই এর বক্তব্য নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রাসুলিহিল কারীম, আম্মাবাদ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আহুত আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় সংগ্রামরত সকলের প্রতি সম্মান জানাচ্ছি। একই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"><strong>দেশের চলমান সংকটজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই এর বক্তব্য</strong></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রাসুলিহিল কারীম, আম্মাবাদ।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আহুত আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় সংগ্রামরত সকলের প্রতি সম্মান জানাচ্ছি। একই সাথে উপস্থিত সকল সাংবাদিক বন্ধুদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">খুবই দুঃখ-ভারাক্রান্ত মনে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। দেশের পরিস্থিতি আপনারা জানেন। স্বাধীনতার এতোগুলো বছর পরে এসে এ ধরণের পরিস্থিতি আমাদের কারোই কাম্য ছিলো না। একজন নেতা এবং একটি দলের গোয়ার্তুমির কারণে দেশ আক্ষরিক অর্থেই যুদ্ধাবস্থায় নিপতিত হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতার প্রয়োগ অর্থে স্বাধীনতার যে তাৎপর্য তা হারিয়ে গেছে। ক্ষমতাসীনদের সীমাহীন ক্ষমতা লিপ্সার কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের ভয়াবহতা আমরা ৩ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছিলাম। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট উত্তরণে সরকারের কাছে আমরা কিছু যৌক্তিক দাবীও জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার কোনরূপ কর্ণপাত করেনি। এমতাবস্থায় একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল ও দেশের গণমানুষের প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ ও করণীয় নিয়ে আপনাদের অবহিত করতেই আজকের এই আয়োজন।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">বিদ্যমান রাজনৈতিক সমস্যাকে গভীরভাবে দেখলে এর কিছু ভয়াবহ চিত্র আমরা দেখতে পাইঃ-</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">১. রাষ্ট্রীয় জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারী দল আওয়ামী লীগের সীমাহীন গোয়ার্তুমি।</div>
<div dir="auto">নির্দিষ্ট মেয়াদের পরে সরকার পরিবর্তনে জনমতের মুখাপেক্ষি হওয়া আধুনিক বিশ্বের সর্বজন স্বীকৃত একটি রীতি। এই রীতি বাস্তবায়নে নির্বাচনকে অবাধ-নিরপেক্ষ করা অতীব জরুরী। বোধহীন নিম্নস্তরের স্বৈরাচার ছাড়া আর কেউ-ই এই প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করে না। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বয়ংক্রিয় ও কার্যকর করা যায় নাই। যারফলে নির্বাচনকালীন সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাড়ায়। যার প্রেক্ষিতে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে ১৯৯৬ সালে দেশে সার্বজনীন রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। তার সুফলও জাতি পেয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সার্বজনীন সমর্থিত এই ব্যবস্থাকে আদালতের কাঁধে বন্দুক রেখে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে হত্যা করেছে। শুধু হত্যা করেই তারা ক্ষ্যান্ত হয় নাই বরং এই ইস্যুতে তাদের আচরণ, কথাবার্তা চুড়ান্তমাত্রায় অমার্জিত, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও নির্লজ্জ। যে কারণে আজকে সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">২. স্বাধীনতা আক্ষরিক অর্থেই পরাহত।</div>
<div dir="auto">আধুনিক রাষ্ট্রে স্বাধীনতার অর্থ হলো, রাষ্ট্র ক্ষমতায় কে থাকবে না থাকবে তা নির্ভর করে জনগণের রায়ের উপর। এখানে সংবিধান পর্যন্ত বৈধতা পায় “জনগনের পরম অভিপ্রায়” থাকার কারণে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার দেশের পরিস্থিতিকে এ পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে, জনগণের সেই ক্ষমতা আর নাই। এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় কে থাকবে না থাকবে সেই প্রশ্নে বিদেশি শক্তির অবস্থানই প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে। অবস্থা কতটা খারাপ হয়েছে যে, আমেরিকা-ভারতের মতো দু’টি দেশের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয় এবং সেই আলোচনা রাজনীতিতে গুরুত্ববহণ করে। স্বাধীনতার জন্য এরচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি আর কিছু হতে পারে না। এদেশকে পরাধিনতার কালো মেঘে আচ্ছন্ন করার এ দায় আওয়ামী লীগকে বহন করতে হবে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">৩. সমঝোতার সকল পথ রুদ্ধ</div>
<div dir="auto">রাজনীতিকে বলা হয় “আর্ট অফ কম্প্রোমাইজ”। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে সেই কম্প্রোমাইজেশন ও বোঝাপড়া, সমঝোতার জায়গা রুদ্ধ হয়ে গেছে। এর দায়ও বর্তমান সরকারের। এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন, জানোয়ারদের সাথে কোন আলাপ-আলোচনা নাই, যখন দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অধিকাংশকে গ্রেফতার করা হয়, যখন প্রতিবাদ-সমাবেশে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয় তখন রাজনীতির প্রধান উপাদান আলাপ-আলোচনা, বোঝাপড়া ও সমঝোতার পথ আর খোলা থাকে না। তাদের ক্ষমতার স্বার্থে বিরোধী দলসমূহকে তাদের সব একগুঁয়েমী মেনে নিতে হবে। কোন বিষয়ে আলোচনা করা যাবে না। ইতিহাস সাক্ষি! আলোচনার পথ রুদ্ধ হলেই “পঁচিশের কালো রাত” তৈরি হয়।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">৪. আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল থেকে কার্যত উগ্রবাদী দলে পরিনত হয়েছে।</div>
<div dir="auto">বিরোধীদলের রাজনৈতিক কর্মসূচির সাথে তাল মিলিয়ে আওয়ামী লীগও কর্মসূচি দিচ্ছে এবং সেইসব কর্মসূচির নামের সাথে “শান্তি” থাকলেও কার্যত তা সন্ত্রাসের কর্মসূচিতে পরিনত হয়েছে। লাঠি নিয়ে মহড়া, যাকে তাকে তল্লাশি করা, আতংক তৈরি করার যে কাজ আওয়ামী লীগ করছে তা ৭১ এর শান্তিবাহিনীর কথাই মনে করিয়ে দেয়।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">৫. কলংকের নিন্মস্তরে পৌছে গেছে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ অতীতেও বিভিন্ন সময়ে লজ্জা ও বিবেক বর্জিত নির্বাচন কমিশন দেখেছে। কিন্তু বর্তমান কমিশন লজ্জা, বিবেক ও মেরুদণ্ডহীণতার সাপেক্ষে অতীতের সকল মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশের এহেন পরিস্থিতিতেও তারা তফসিল নিয়ে এগুচ্ছে। তারা ক্ষমতাসীনদের মনোরঞ্জনে কাজ করছে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">৬. স্বকীয়তা ও আদর্শ হারানো জনপ্রশাসন</div>
<div dir="auto">জনপ্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনী কোন দলের হয় না, এমনকি কোন সরকারেরও হয় না। তারা হয় রাষ্ট্রের। তারা সরকারের অধিনে কাজ কবে বটে তবে নিজেদের সততা, নীতি ও আদর্শ দিয়ে সর্বদা জনতার স্বার্থেই তারা কাজ করে। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা এক হতাশাজনক চিত্র দেখতে পাচ্ছি। তারা সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য তাদের অন্যায় নির্দেশ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">৭. দেশের অর্থনীতি, দ্রব্যমূল্য ও সুশাসনের চুড়ান্ত অবনতি এ বিষয়ে নতুন করে আর কিছু বলতে চাই না। রিজার্ভ পরিস্থিতি, ব্যাংকসহ আর্থিক খাতের দুর্নীতি, লুটপাট, দ্রব্যমূল্য, টাকা পাচার, অদক্ষতা ইত্যাদি নিয়ে প্রচুর আলাপ আলোচনা হয়েছে। আমরাও বারংবার এসব নিয়ে আন্দোলন করেছি। এখন নতুন করে এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না। এক কথায় বলতে গেলে সুশাসনের অভাবে দেশের অর্থনীতি আজ চরম বিপর্যস্ত।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এই যখন পরিস্থিতি, তখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তার দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হয়েছে। আমরা দেশের আইন-শৃংখলা মেনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে এসেছি। নানাভাবে আমরা সরকার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সতর্ক করার চেষ্টা করেছি, চাপপ্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৩ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে আপনারা এক গণবিস্ফোরণ দেখেছেন। সেখানে আমরা সরকারকে সতর্ক করে ১০ নভেম্বরের মধ্যে পদত্যাগ করার আহবান করেছিলাম। শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা ত্যাগের কথা বলেছিলাম। আপনারা জানেন, ইসলামের রীতি হলো, কোন শক্ত অবস্থান নেয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সতর্ক করতে হয়, সময় দিতে হয়। আমরাও তা দিয়েছিলাম।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">গাজীপুর, সাভারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় গার্মেন্টস শ্রমিকগণ ন্যায্য বেতন-ভাতার দাবীতে আন্দোলন করছেন। সরকার শ্রমিকদের রুটি-রুজির ন্যায্য আন্দোলন দমনেও র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি দিয়ে গুলি চালাচ্ছে। কাদুনে গ্যাস, লাঠিচার্জ করছে। মামলা-হামলা ও গ্রেফতার করছে। এমনকি দলীয় ক্যাডার দিয়েও শ্রমিকদের নির্যাতন করছে। পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত ৩জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন এবং বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। আমরা গার্মেন্টস শ্রমিকদের এহেন নির্যাতন ও হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সরকার বলছে তারা শ্রমিকদের ৫৬% বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করেছে। প্রকৃতপক্ষে বর্তমান মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যস্ফীতির নিরিখে হিসাব করলে দেখা যায় শ্রমিকদের বেতন বাড়েনি বরং আরো কমেছে। ৫বছর পূর্বে ২০১৮ সালে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরী সমন্বয় করে সর্বনিম্ন মজুরী করা হয়েছিল ৮৫০০/- টাকা। তখন প্রতি মার্কিন ডলারের মূল ছিল ৮৩ টাকা। ডলারের হিসাবে শ্রমিকরা তখন বেতন পেত প্রায় ১০৩ ডলার। এখন সর্বনিম্নমজুরী ঘোষণা করা হয়েছে ১২,৫০০/- টাকা। বর্তমান বাজারে (গত কালকের প্রত্রিকায় প্রকাশিত) মার্কিন ডলার ১২৭ টাকা। অতএব ডলারের হিসাবে শ্রমিকরা এখন পাবেন মাত্র ৯৮ ডলার। তার মানে ৫ বছর আগে শ্রমিকরা যে বেতন পেতেন সার্বিক বিবেচনায় এখন পাবেন তার চেয়ে প্রায় ৫ ডলার কম। অতএব এটা কিছুতেই ইনসাফ হতে পারে না। আমরা শ্রমিকদের নির্যাতন বন্ধ করে সরকার এবং মালিক পক্ষের প্রতি ইনসাফপূর্ণ মজুরী ঘোষণার আহবান করছি।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">আমরা আগেও বারংবার বলেছি যে, বর্তমান সরকারের অধীনে কোন জাতীয় নির্বাচন জনগণ মেনে নিবে না। কারণ নির্বাচনকালীণ সরকার হিসেবে যে আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা থাকার দরকার তা এই সরকারের নাই। এবং এটা বারংবার প্রমানিত হয়েছে। আমরা বিগত সময়গুলোতে স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে অংশ নিয়ে তাদের শঠতা, প্রতারণা ও সহিংসতা মানুষের সামনে প্রকাশ করে দিয়েছি। আওয়ামী লীগের চরিত্র যে পরির্বতন হবে না সর্বশেষ লক্ষীপুর ও বি-বাড়িয়ায় হয়ে যাওয়া দু’টি উপ-নির্বাচনও এর প্রমান।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">সরকার জনমত উপেক্ষা করে বারংবার সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে। কিন্তু আমরা জানি, সংবিধানের গ্রহণ ও মান্যতা তৈরিই হয় “জনগনের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তি” এর কারণে। আমাদের সংবিধানের প্রস্তাবনা অংশে যা বলা হয়েছে তাতে এই সংবিধানের যে অংশে যাই থাকুক না কেন, কোন অবস্থাতেই জনগনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করার ইখতেয়ার এই সংবিধান কাউকে দেয় না। তারপরেও সংবিধানের দোহাই দেয়া নির্লজ্জ মতলববাজি ছাড়া আর কিছু না।</div>
</div>
<div dir="auto"><img decoding="async" class="aligncenter size-large wp-image-4456" src="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/1-1024x576.png" alt="" width="1024" height="576" srcset="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/1-1024x576.png 1024w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/1-300x169.png 300w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/1-768x432.png 768w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/1-1536x864.png 1536w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/1-2048x1152.png 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চলমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরনের জন্য নির্বাচনকালীন “জাতীয় সরকার” এর ধারণা পেশ করেছে। জাতীয় সরকারের ধারণা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যমান সংবিধানের মান্যতাও রক্ষা করা যাবে একই সাথে চলতি সংকট থেকেও উত্তরণ হওয়া যাবে। আর জনগনের অভিপ্রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে যদি সংবিধানের কোন সংশোধনীও প্রয়োজন হয়, সে সুযোগও রয়েছে। অতীতে কারণে অকারণে ১৭ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">রাষ্ট্রপতি এবং নির্বাচন কমিশন কোন দলীয় বা সরকারী প্রতিষ্ঠান নয়। এগুলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সরকার সংবিধানের জপ করে, অথচ এই দুই প্রতিষ্ঠানকে সংবিধান যে ক্ষমতা দিয়েছে তারও যদি অনুসরণ করা হয় তাহলেও জাতি সংকট থেকে মুক্তি পেতে পারে। অথচ আমরা কি দেখলাম? সিইসি রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করে এসে আওয়ামী লীগের নেতাদের মতো করেই কথা বলছেন।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">দলা›দ্ধ নির্বাচন কমিশন ক্ষমাতাসীনদের চাহিদামত তড়িঘড়ি করে বিরোধী দলগুলোকে বাইরে রেখে একটি নির্বাচনী তফসীল ঘোষণার পায়তারা করছে। আমরা আপনাদের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে দিয়ে পরিস্কার করে বলতে চাই, আপনারা জাতীয় নির্বাচনের কোন তফসিল ঘোষণা করবেন না। আপনাদের প্রতি দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এবং ভোটারদের কোন আস্থা নেই। আপনারা দেশের বিরাজমান রাজনৈতিক সংকট আর বাড়াবেন না। তফসিল ঘোষণা করলে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় আপনাদেরকেই নিতে হবে।</div>
<div dir="auto">প্রধান নির্বাচন কমিশনার গণমাধ্যমের মালিক-সম্পাদকগণের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নিজেই বলেছেন, দেশে নির্বাচন করার মতো কাঙ্খিত পরিবেশ তৈরী হয়নি।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনের কাঙ্খিত পরিবেশ কখনোই হবে না। অতএব আপনারা পদত্যাগ করে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরীর সুযোগ সৃষ্টি করুন।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,</div>
<div dir="auto">আমরা আমাদের ৩ নভেম্বরের সমাবেশ থেকে দাবী করেছিলাম, বিরোধী দলের নেতাদের মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতি সবাইকে নিয়ে সংলাপে বসুন। তিনি সেই দাবীর প্রতি কর্ণপাত করেননি। বর্তমান রাষ্ট্রপতির নিয়োগের সময় তিনি যে ধরণের কথাবার্তা বলেছেন, তাতে তার আওয়ামী আনুগত্য প্রকাশিত হয়েছে। তারপরেও দেশের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল পদের অধিকারী হয়ে তার এই দলান্ধতা অন্ধকারকে আরো নিকষ করেছে। আমরা জাতিকে অন্ধকারে পথ হারাতে দিতে পারি না।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সেজন্য আমরা আবারো দাবী করছি যে,</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<blockquote>
<p style="text-align: left;">১. অনতিবিলম্বে চলতি সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে সকল প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে।</p>
</blockquote>
</div>
<blockquote>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a" style="text-align: left;">
<div dir="auto">২. রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতারকৃত বিরোধী দলের সকল নেতা-কর্মী এবং ওলামায়ে কেরামকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতির মধ্যস্থতায় সংলাপের আয়োজন করতে হবে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a" style="text-align: left;">
<div dir="auto">৩. দলান্ধ এই নির্বাচন কমিশনকে বাতিল করতে হবে।</div>
</div>
</blockquote>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<blockquote>
<div dir="auto" style="text-align: left;">৪. রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আগে কোন অবস্থাতেই তফসিল ঘোষণা করা যাবে না।</div>
</blockquote>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">কর্মসূচী</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>১. নির্বাচন কমিশন একতরফা তফসিল ঘোষণা করতে চাইলে তফসিল ঘোষণার দিন ঢাকায় নির্বাচন কমিশন অভিমুখে গণমিছিল করা হবে।</em></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>২. তফসিল ঘোষণার পরের দিন সারাদেশে প্রতিটি জেলা ও মহানগরে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল।</em></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>৩. আন্দোলনরত অন্যান্য বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ সকল কর্মসূচীর প্রতি পূর্ণ সমর্থন।</em></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>৪. জাতীয় সংকট নিরসনে সকল রাজনৈতিক দল, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের প্রতিনিধিগণকে নিয়ে আগামী ২০ শে নভেম্বর’২৩ সোমবার ঢাকায় জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।</em></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/2-scaled.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>জনগণকে স্ফূর্ত অংশগ্রহনের আহ্বান মহাসমাবেশ হবে শান্তিপূর্ণ &#8211; প্রেস ব্রিফিংয়ে মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/prees-breff/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Admin-IAB]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Nov 2023 09:36:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<category><![CDATA[সমাবেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=4443</guid>

					<description><![CDATA[ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেছেন, ৩ নভেম্বর মহাসমাবেশের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কিছু কিছু জেলায় বাস মালিক এবং লঞ্চ মালিকরা অগ্রিম ভাড়া নিয়েও এখন পরিবহন দিতে গড়িমসি করছে। যা কোনভাবেই কাম্য নয়। তিনি পরিবহন মালিকদের কাছ থেকে মহাসমাবেশের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, আমাদের কাছে সংবাদ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs x126k92a"></div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><span style="font-size: 16px;">ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেছেন, ৩ নভেম্বর মহাসমাবেশের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কিছু কিছু জেলায় বাস মালিক এবং লঞ্চ মালিকরা অগ্রিম ভাড়া নিয়েও এখন পরিবহন দিতে গড়িমসি করছে। যা কোনভাবেই কাম্য নয়। তিনি পরিবহন মালিকদের কাছ থেকে মহাসমাবেশের সহযোগিতা কামনা করেন।</span></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তিনি বলেন, আমাদের কাছে সংবাদ এসেছে কোথাও কোথাও প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মহাসমাবেশে না আসার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। তিনি বলেন, যেখানে প্রশাসনের অনুমতি হয়েছে, সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন মেনে নেয়া হবে না। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার পতনে মহাসমাবেশ থেকে নতুন কর্মসুচি ঘোষণা করা হবে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় পুরানা পল্টনস্থ কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য মহাসমাবেশের সর্বশেষ প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রেসব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, হাফেজ মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, নূরল বশর আজিজী।</div>
<div dir="auto"><img decoding="async" class="aligncenter size-large wp-image-4446" src="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-1-1024x576.jpeg" alt="" width="1024" height="576" srcset="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-1-1024x576.jpeg 1024w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-1-300x169.jpeg 300w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-1-768x432.jpeg 768w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-1-1536x864.jpeg 1536w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-1.jpeg 1600w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">উল্লেখ্য যে, সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতির প্রবর্তন এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবিতে এ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। <span style="font-size: 16px;">তিনি মহাসমাবেশ সফলে প্রশাসন, পরিবহন মালিক শ্রমিক, সাংবাদিক সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি সারাদেশে সকল জেলা, থানা, ইউনিয়ন ওয়ার্ডের ইসলামী আন্দোলন এবং সকল সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মী, ছাত্র-শিক্ষক শ্রমজীবী, পেশাজীবীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে আগামী কালের মহাসমাবেশে উপস্থিত হয়ে সমাবেশকে সফল করার আহবান জানান।</span></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, আমাদের মহাসমাবেশ হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। সংঘাত সহিংসতা কাম্য নয়। তিনি বিরোধী দলের কর্মসূচিতে আহত হয়ে মৃত্যুবরণকারী সাংবাদিক, পথচারী ও পুলিশের মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করে তাদের মাগফিরাত কামনা করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">মুফতী ফয়জুল করীম মহাসমাবেশ নিয়ে কোন প্রকার অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তিতে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামীকালের মহাসমাবেশ স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসমূদ্রে পরিণত হবে। কাজেই দেশবাসীকে কোন অপপ্রচার ও বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।</div>
<div dir="auto"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-large wp-image-4447" src="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-2-1024x682.jpeg" alt="" width="1024" height="682" srcset="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-2-1024x682.jpeg 1024w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-2-300x200.jpeg 300w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-2-768x512.jpeg 768w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-2-1536x1023.jpeg 1536w, https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM-2.jpeg 1600w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">মহাসমাবেশের সংবাদ কাভারের জন্য সাংবাদিকদেরকে বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশ, ইসলাম ও মানবতার পক্ষে এ সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। সাম্প্রতিক সময়ের আন্দোলনে যারা আহত, নিহত হয়েছে তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে অন্যায়ভাবে যে সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে অবিলম্বে তাদের মুক্তির দাবি জানান।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">নির্বাচন কমিশনের সংলাপে অংশ করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেখানে আমরা নির্বাচন কমিশন বাতিল দাবি করছি, যে নিবৃাচন কমিশন প্রার্থীর মৃত্যু কামনা করেন, সে নির্বাচন কমিশনের সংলাপে অংশগ্রহণের প্রশ্ন কিভাবে আসতে পারে। বিরোধী দলের কর্মসূচির প্রতি সমর্থন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির প্রতি আমাদের সমর্থণ আছে। জাতীয় সরকারের রূপরেখা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধির সমন্বয়ে জাতীয় সরকার গঠিত হবে।</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/11/WhatsApp-Image-2023-11-02-at-12.47.20-PM.jpeg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>সরকারকে পদত্যাগ করে জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে-সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Admin-IAB]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Jun 2023 10:35:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[গণআন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনৈতিক কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<category><![CDATA[সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পীরসাহেব চরমোনাই]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার পদত্যাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=4176</guid>

					<description><![CDATA[(নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের দাবিতে ৫দফা প্রস্তাব ৮ দফা দাবি ২দফা কর্মসূচী ঘোষণা) দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারকে পদত্যাগ করে জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তাব করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। তিনি নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের দাবিতে ৫দফা প্রস্তাব ৮ দফা দাবি ২দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto" style="text-align: center;"><strong>(নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের দাবিতে ৫দফা প্রস্তাব ৮ দফা দাবি ২দফা কর্মসূচী ঘোষণা)</strong></div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারকে পদত্যাগ করে জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তাব করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। তিনি নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের দাবিতে ৫দফা প্রস্তাব ৮ দফা দাবি ২দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, গত ১২ জুন বরিশাল সিটি নির্বাচনে ঘটে যাওয়া হৃদয়বিদারক ঘটনা বিভিন্ন মাধ্যমে গোটা দেশবাসী অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করেছে। সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা কতটা নির্মম ও পৈশাচিকভাবে বাংলাদেশের একজন জননন্দিত আলেম ও বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীমকে দফায়-দফায় আক্রমন করেছে, চরমভাবে আপমান অপদস্ত করেছে এমনকি শারীরিকভাবে আক্রমন করে রক্তাক্ত করেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">রবিবার বেলা ১২ টায় পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমসহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বর্বরোচিত হামলা, বরিশাল, খুলনা সিটি নির্বাচনে ভোট ডাকাতির ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিবাদ এবং বিকারগ্রস্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও অথর্ব নির্বাচন কমিশন বাতিল এবং নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবীতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্জালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিযাম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, মাওলান আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মুফতী হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা নেছার উদ্দিন, আলহাজ্ব মনির হোসেন, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, ড. বেলাল নূর আজিজী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, আল্লামা মকবুল হোসাইন, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, জিএম রুহুল আমীন, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা নূরুল করীম আকরাম, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, মাওলানা আরিফুল ইসলাম।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণে ক্ষমতাসীনদের রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সন্ত্রাসের কথাও নতুন নয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নিযুক্ত রির্টানিং কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করেও মুফতি ফয়জুল করীম সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তো দূরের কথা তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাটুকুও পাননি। উপরন্তু ঘটনার পর সাংবাদিকগণের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার একজন অবিবেচক উন্মাদের মতো মুফতি ফয়জুল করীমের শরীর থেকে রক্তক্ষরণ নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য ও উপহাস করেছেন। তিনি সাংবাদিকদেরকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন,‘তিনি (মুফতি ফয়জুল করীম) কি ইন্তেকাল করেছেন?’ একজন মানুষ কোন পর্যায়ের বিবেক বর্জিত হলে দেশের একজন সম্মানিত ব্যক্তির ব্যাপারে এ জাতীয় বক্তব্য করতে পারেন, তা আমাদের ভাবতেও অবাক লাগে। আমাদের দুর্ভাগ্য এমন একজন কান্ডজ্ঞানহীন বিকারগ্রস্ত মানুষ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে থাকতে পারে না। আমরা অবিলম্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব হাবিবুল আউয়ালের পদত্যাগ চাই। তিনি পদত্যাগ করতে না চাইলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত তাঁর অপসারন চাই। পাশাপাশি আমরা বরিশালে মুফতি ফয়জুল করীমের উপর আক্রমনকারী এবং তাঁকে অপমান অপদস্তকারী সন্ত্রাসী এবং ভোট ডাকাত ও দস্যুদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবী করছি। এমন অসভ্য ঘটনার পেছনে যারা রয়েছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তাদের চিহ্নিত করার দাবী জানাচ্ছি।</div>
<div dir="auto">পীর সাহেব চরমোনাই যে সব রাজনৈতিক দল, ওলামায়ে কেরাম, পীর মাশায়েখ এবং সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ মুফতী ফয়জুল করীমের উপর সরকারদলীয় সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং সহমর্মিতা জানিয়েছেন; তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">পীর সাহেব বলেন, দেশের মানুষ আজ আতঙ্কিত। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা আজ চিন্তিত। দেশময় সংঘাত আর সহিংসতার অশনি সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ নবম জাতীয় সংসদে একতরফাভাবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ করার পর থেকেই রাজনৈতিক সংকটে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আমরা বারবার রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের দাবী জানিয়ে আসছি। দেশের প্রায় সব রাজনৈতিকদল এবং নাগরিকসমাজের প্রতিনিধিগণ সংকট সমাধানের উদ্যোগ গ্রহনের কথা বলে আসলেও, কার্যকর কোন উদ্যোগ গ্রহন করা হয় নাই। আওয়ামীলীগ সরকার দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে ফেলেছে। বিগত প্রায় ১৪ বছর দেশে কোন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়নি। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোতেও জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি। ক্ষমতাসীনরা তাদের দলীয় লোকদেরকে নির্বাচিত করার জন্যে এহেন কাজ নেই যা করেনি। নির্লজ্জভাবে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসন কেউই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি। ফলে নির্বাচনকে মানুষ এখন প্রহসন এবং তামাশা মনে করে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বর্তমান বিতর্কিত সরকারের ক্ষমতার মেয়াদ প্রায় শেষ প্রান্তে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে সরকারের পরিবর্তন হতে হলে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন লাগবে। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতার পালা বদল হোক। কিন্তু আগামী জাতীয় নির্বাচন কিভাবে হবে, তা এখনো পরিস্কার নয়। ক্ষমতাসীনরা এবারও জাতীয় সংসদ বহাল রেখে গায়ের জোরে তাদের অধিনেই একটি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন করতে চায়। আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, জাতীয় সংসদ বহাল রেখে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে, সেই নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য হবে না। বরং আবারও ২০১৪ ও ২০১৮ এর নির্বাচনের মতো নির্বাচনের নামে প্রহসন হবে। রাতের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সংসদের কোন নৈতিক বৈধতা নেই। এই অবৈধ সংসদ বহাল রেখে কোন নির্বাচন দেশবাসী মেনে নেবে না।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহনে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন চাই। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, বৈধ এবং শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা পরিবর্তনের মাধ্যম হলো নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অভিপ্রায়ের যথার্থ বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ জন্যেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৯৮৭ সালে জন্মের পর থেকে ১৯৮৮ সালের ৩ রা মার্চ জাতীয় পার্টির অধিনে অনুষ্ঠিত হাস্যকর নির্বাচন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী তৎকালীন বিএনপি সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত একতরফা নির্বাচন এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত একতরফা নির্বাচন; এই তিনটি চরম বিতর্কিত এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া বাকি সবগুলো অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচনে জোটগতভাবে এবং এককভাবে অংশ নিয়েছে।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনকল্যাণে নিবেদিত একটি দেশপ্রেমিক শান্তিকামী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনমতের প্রতি গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল। তাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ক্ষেত্রে দেশের জনগণের অনুভূতি, দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর পরামর্শ ও মতামত এবং সিভিল সোসাইটির পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণকে অধিকতর মূল্যায়ন করে থাকে।</div>
<div dir="auto">এজন্যে অচিরেই অন্যান্য প্রতিনিধিত্বশীল, দেশপ্রেমিক, রাজনৈতিক দল এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনা করে নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের বিস্তৃত রূপরেখা ঘোষণা করবো, ইনশাআল্লাহ।</div>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>৫ দফা প্রস্তাবনা :</strong></div>
<blockquote>
<div dir="auto"><em>১. জাতীয় সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। </em></div>
<div dir="auto"><em>২. জাতীয় সরকার গঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বর্তমান জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে। </em></div>
<div dir="auto"><em>৩. সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার পাশাপাশি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। </em></div>
<div dir="auto"><em>৪. জাতীয় সরকার গঠিত হওয়ার পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করবেন। কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে অবশ্যই নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। </em></div>
<div dir="auto"><em>৫. বর্তমান মন্ত্রীসভার কেউ’ই নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারে থাকতে পারবেন না এবং জাতীয় সরকারে যারা থাকবেন তারা জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।</em></div>
<div dir="auto"><em>নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারে কারা থাকবেন : জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল, দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবী মহল এবং সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিগণের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুতই আমরা জাতীয় সরকারে কারা থাকবেন এবং সরকার কাঠামো কি হবে তা প্রকাশ করবো, ইনশাআল্লাহ।</em></div>
</blockquote>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>৮ দফা দাবী :</strong></div>
<blockquote>
<div dir="auto"><em>১. যেকোন মূল্যে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি রোধ করতে হবে। বাজার কারসাজীর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। লোডশেডিং-এর অসহনীয় যন্ত্রনা থেকে জাতীকে মুক্তি দিতে হবে।</em></div>
<div dir="auto"><em> ২. অবিলম্বে বিনা বিচারে দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী সকল মজলুম আলেম এবং রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে হবে। </em></div>
<div dir="auto"><em>৩. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় সংহতি ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির (চ.জ) নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে। </em></div>
<div dir="auto"><em>৪. বরিশালে মুফতি ফয়জুল করীমের উপর আক্রমনকারী এবং তাঁকে অপমান অপদস্তকারী সন্ত্রাসী এবং ভোট ডাকাত ও দস্যুদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এমন অসভ্য ঘটনার পেছনে যারা রয়েছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তাদের চিহ্নিত করতে হবে। </em></div>
<div dir="auto"><em>৫. গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে। </em></div>
<div dir="auto"><em>৬. সকল রাজনৈতিক দলের জন্যে সভা-সমাবেশসহ সাংবিধান স্বীকৃত সকল রাজনৈতিক কর্মসূচী ও বাকস্বাধীনতা উন্মুক্ত করতে হবে। </em></div>
<div dir="auto"><em>৭. সরকারের নির্বাহী আদেশে বন্ধ সকল টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্র অবিলম্বে চালু করতে হবে।</em></div>
<div dir="auto"><em> ৮. সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডসহ সকল সাংবাদিক হত্যার দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।</em></div>
</blockquote>
</div>
<div class="x11i5rnm xat24cr x1mh8g0r x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><strong>২ দফা কর্মসূচী:</strong></div>
<blockquote>
<div dir="auto"><em><strong>১. ২১ জুন বুধবার, সকাল ১০টায় অথর্ব প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবীতে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় অভিমূখে গণমিছিল।</strong></em></div>
<div dir="auto"><em><strong>২. ২৪ জুন শনিবার, সকাল ১০ টায় বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরন ও একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের লক্ষ্যে করণীয় বিষয়ে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং দেশের শীর্ষ ওলামা মাশায়েখ, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়।</strong></em></div>
</blockquote>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/06/355021912_671505828353885_4843412192767015261_n.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>শিক্ষা সিলেবাস ২০২৩-এর অসঙ্গতি বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%a9-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jan 2023 12:00:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[লিখিত বক্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=4090</guid>

					<description><![CDATA[ভুলেভরা পাঠ্য বই বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে &#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, শিক্ষা সিলেবাসের অসঙ্গতি, ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছি। আমাদের এ ধারাবাহিক কার্যক্রমকে শিক্ষামন্ত্রী ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে মিথ্যাশ্রয়ী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করেছিলো। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<blockquote><p>ভুলেভরা পাঠ্য বই বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে<br />
&#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই</p></blockquote>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, শিক্ষা সিলেবাসের অসঙ্গতি, ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছি। আমাদের এ ধারাবাহিক কার্যক্রমকে শিক্ষামন্ত্রী ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে মিথ্যাশ্রয়ী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করেছিলো। এখন শিক্ষামন্ত্রীই মিথ্যুক প্রমাণিত হয়েছেন। অতএব শিক্ষামন্ত্রী এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে পারেন না।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ২০২৩-এর মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে জনগণের বোধ-বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় স্বার্থকে উপেক্ষা করে সাম্প্রদায়িক উষ্কানি, তথ্য ও ইতিহাস বিকৃতি, বিতর্কিত ও অবৈজ্ঞানিক মানব সৃষ্টিতত্ত্ব অনুপ্রবেশ, ট্রান্সজেন্ডার, পৌত্তলিক ও ব্রাহ্মণ্যবাদী সংস্কৃতির আধিপত্য, ইসলামকে ভিনদেশি সাব্যস্ত করা এবং প্লেজারিজমের মত নিন্দনীয় কাজের আশ্রয় নেয়া হয়েছে; যা জাতি হিসাবে আমাদের জন্য উদ্বেগ ও হতাশার।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা সিলেবাসে ভুলেভরা বই বাজেয়াপ্ত করার দাবি এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবিতে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সারাদেশে প্রতিটি জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল ও ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সুশীল সমাজের সাথে গোল টেবিল বৈঠক কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের আমীর।</p>
<p>রবিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৩) বেলা সাড়ে ১২টায় পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শিক্ষা সিলেবাস ২০২৩-এর অসঙ্গতি বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব প্রিন্সিনপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা খলিলুর রহমান, বরকত উল্লাহ লতিফ, নূরুল করীম আকরাম।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে দেশের সর্বস্তরে বহুমাত্রিক আলোচনা উঠেছে। ভিন্ন ভিন্ন দিক নিয়ে অনেকেই কথা বলেছেন। পাঠ্যপুস্তকে বিদ্যমান সমস্যাসমূহ-</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সুলতানি আমলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বিকৃতি:<br />
সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুসন্ধানী বইয়ের পাঠ্যসূচির অধিকাংশ অধ্যায়ে আদিম সভ্যতা, হিন্দু ও বৌদ্ধধর্মের শাসন ইতিহাস এবং নগরায়ণের কথা বলা হয়েছে এবং শেষের অধ্যায়ে অল্প পরিসরে সুলতানি আমলের ইতিহাস আলোচিত হয়েছে। বাংলায় প্রায় ৬০০ বছরের মুসলিম শাসনকে আগেকার মৌর্য ও গুপ্ত সাম্রাজ্য, সেন, পাল আমল এবং পরের ব্রিটিশ ও পাকিস্তানী শাসনের সাথে তুলনা করা হয়েছে। সবগুলোই “বিদেশীদের শাসন”, সবাই নিজেদের “ভাষা, ধর্ম, রাজনীতি এখানকার মানুষের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্পষ্ট করে মুসলিম শাসনামলকে দখলদারিত্ব বলা হয়েছে।</p>
<p>হিন্দুধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ বেদ-কে এক ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে গৌতম বুদ্ধের জীবনীর অনেক অনুষঙ্গ আনা হয়েছে; যা সপ্তম শ্রেণির জন্য জরুরি নয়। “চলো আমরা আমাদের বৌদ্ধধর্মের বন্ধুদের কাছ থেকে/ বৌদ্ধধর্মের বই থেকে জাতকের গল্প পড়ে নেই” শিরোনামে শিক্ষার্থীদের ব্যাবহারিক কাজ দেয়া হয়েছে। পাল ও সেন আমলকে ইতিহাসের প্রাচীন যুগ বলে মুসলিম শাসনকে বহিরাগত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সুলতানি শাসনব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হিসেবে জবরদখল করে শরীয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা, একনায়কতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক সুবিধাজনক অবস্থান, বর্ণভেদ চালু করা, নারীদের শোচনীয় অবস্থা ইত্যাদি বিষয় চিত্রায়ন করা হয়েছে।</p>
<p>সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ বইয়ে সুলতানী আমল নিয়ে পক্ষপাতমূলক আলোচনা করা হয়েছে। মৌর্য, গুপ্ত এমনকি ব্রিটিশ শাসনকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে সুলতানী শাসনের উল্লেখ তার চেয়ে আলাদা। মুসলমানদের আগমনকে দখলদারিত্ব হিসাবে চিত্রায়িত করা হয়েছে। মুসলিম আগমনের সাথে বিহার-পাঠাগার ধ্বংসের সম্পর্ক দেখানো হয়েছে; যা ভারত গবেষকদের গবেষণায় মিথ্যাচার হিসাবে প্রমাণিত। যেখানে অন্য শাসনামলের ইতিবাচক দিকে বেশি আলোকপাত করা হয়েছে, সেখানে মুসলিম শাসনের নেতিবাচক দিকে মনোযোগ দেয়া হয়েছে বেশি। অন্যদিকে তাদের অবদানগুলো হয়েছে উপেক্ষিত। যে সমস্যা মৌর্য, গুপ্ত, সেন এবং সুলতানী শাসন সব আমলেই ছিল, বাকিদের বেলায় সেটা আলোচনা করা হয়নি। কিন্তু মুসলিম শাসনের উপর সেই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিরপেক্ষভাবে পড়লে যে কারো চোখে এই মুসলিম বিদ্বেষ চোখে পড়বে।</p>
<p>পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির বইগুলোর বিভিন্ন অধ্যায়ে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাংলার বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের কথা আনা হয়েছে। কিন্তু এখানেও এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে ইসলামী আন্দোলনগুলোকে। শহীদ তিতুমীর-এর বাঁশের কেল্লা এবং ফরায়েজী আন্দোলনের কথা একেবারেই অনুপস্থিত। কোথাও কোন উল্লেখ নেই ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লবে আলেমগণের ভূমিকা এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস।</p>
<p>অন্যদিকে বিভিন্ন শ্রেণির বইতে বারবার কলকাতা কেন্দ্রিক বেঙ্গল রেনেসাঁ (নবজাগরণ), স্বদেশী আন্দোলন এবং ক্ষুদিরাম-সূর্যসেনদের সশস্ত্র আন্দোলনের কথা এসেছে। বাংলার ইসলামী আন্দোলনের একমাত্র উল্লেখ পাওয়া যাচ্ছে নবম-দশম শ্রেণির “ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা” বইতে। সেখানেও বৈষম্যটা স্পষ্ট। ফকির বিদ্রোহ, তিতুমীরের আন্দোলন, খিলাফত আন্দোলন এক-এক পৃষ্ঠা করেও আলোচনা পায়নি। ফরায়েজী আন্দোলনের আলোচনা টেনেটুনে দেড় পৃষ্ঠা পেয়েছে। অন্যদিকে কলকাতার বেঙ্গল রেনেসাঁ নিয়ে হয়েছে বিস্তারিত আলোচনা। প্রীতিলতাদের “সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন” নিয়ে আলোচনা হয়েছে চার পৃষ্ঠা জুড়ে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> বাংলার ইসলামী পরিচয়কে আড়াল করা:<br />
মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের পাশাপাশি বাংলার ইসলামী পরিচয় যথাসম্ভব আড়াল করা হয়েছে। বাংলায় ইসলামের আগমনের ইতিহাস নিয়ে আলাদাভাবে তেমন কোন আলোচনা নেই। কোন কথাবার্তা নেই খান জাহান আলী, শাহজালাল, শাহপরান, পীর-আউলিয়া কারো ব্যাপারে। আবার যখন ইসলামের আলোচনা করা হচ্ছে তখনও ইসলামের মূল শিক্ষার বদলে লোকজ প্রচলনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। বিদেশি শাসন কাকে বলে? যারা বিদেশ থেকে এসে শাসন করে দেশের সম্পদ লুটে নিয়ে চলে যায় তাদেরকে বিদেশি শাসন বলা যায়। অন্যদিকে যারা বাইরে থেকে আসলেও এই ভূখণ্ডেই স্থায়ী হয়েছেন, এখানকার সভ্যতা, সংস্কৃতি বিকাশে ভূমিকা রেখেছেন তাদেরকে বিদেশি শাসক বলা যায় না। এই কারণেই বাংলার ইতিহাসের মূলধারায় মুসলিম শাসকদেরকে বিদেশি বা উপনিবেশিক শক্তি আকারে দেখা হয় না। তেমনি পাল ও সেন রাজাদেরকেও বিদেশি বা উপনিবেশিক শক্তি আকারে দেখা হয় না।</p>
<p>কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি- বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাঠ্যপুস্তকের বিকৃতি ঘটানো ও ইতিহাস থেকে মুসলমানদেরকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলার প্রচলিত ইতিহাসের বিরুদ্ধে গিয়ে পাঠ্যপুস্তকে প্রতিবেশী, ব্রাহ্মণ্যবাদীদের সুরে সুর মিলিয়ে মুসলিম শাসনকে দখলদারিত্ব ও উপনিবেশিক শাসন বলা হয়েছে। ইতিহাসে খ্যাত স্বাধীন সুলতানি আমল ও বারো ভুঁইয়াদের গৌরবময় ইতিহাসকেও অস্বীকার করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোরালোভাবে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা সুস্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, বাংলা একটি রাজনৈতিক একক ভূখণ্ড হিসেবে গড়ে উঠেছে মুসলামানদের হাতে এবং বাংলা ভাষার আশ্রয় ও বিকাশও হয়েছে মুসলমানদের হাতে, এটা ইতিহাসের সত্য ঘটনা। এই ঘটনার বাইরে গিয়ে বিদেশী উদ্দেশ্য প্রনোদিত কোন মিথ্যা ইতিহাস বাংলাদেশে চলতে দেয়া যায় না। একই সাথে আমরা দাবি জানাচ্ছি যে, পাঠ্যপুস্তকের এই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত বিকৃতি যারা আমাদের শিশুদের পাঠ্যপুস্তকে সংযুক্ত করেছেন তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্রকৃতিবিরুদ্ধ ও দেশীয় সংষ্কৃতি বিরোধী ট্রান্সজেন্ডার প্রমোট:<br />
সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুশীলনী বইয়ে ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যেখানে “শরীফার গল্প” নামে অধ্যায়ে ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যাওয়ার একটি ঘটনা স্বাভাবিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে মনে করিয়ে দেয়া বাঞ্চনীয় যে, হিজড়া আর ট্রান্সজেন্ডার এক বিষয় না। হিজড়া একটি বায়োলজিক্যাল বিষয়। ইসলাম তাদেরকে অন্যদের মতো সমান মর্যাদা ও গুরুত্ব প্রদান করে। ইসলামী ফিকাহের প্রতিটি কিতাবে তাদের সম্পর্কে আলোচনা আছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে হিজড়াদের প্রতি এক ধরণের বঞ্চনার রেওয়াজ আছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে আলেমদের উদ্যোগে তাদের শিক্ষা প্রদান ও মূলধারায় সম্পৃক্ত করার নানা আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডার বিষয়টি ভিন্ন। এটা হলো মানুষের জৈবিক লিঙ্গ পরিবর্তন করা। আর এই পরিবর্তনের পেছনে প্রধান যুক্তি হলো “মনে হওয়া”। পাঠ্যবইয়ে যে গল্প বলা হয়েছে সেখানেও বলা হয়েছে যে, “মনে মনে ছেলে বা মনে মনে মেয়ে হওয়া” এর কারণে একজন ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যাচ্ছে। ট্রান্সজেন্ডার আদতে নারী অধিকার ও নারীর স্বার্থবিরোধী। কারণ দৈহিকভাবে ছেলে এমন ব্যক্তি নিজেকে “মনে মনে মেয়ে” দাবী করে ধর্ষণের মামলা থেকে রেহাই পাওয়া, নারীদের জন্য বিশেষায়িত ক্ষেত্রগুলোতে বাড়তি সুবিধা নেয়াসহ নারীদের মাঝে প্রবেশাধিকার পেয়ে নারীর ক্ষতিসাধন করার আইনত অনুমোদন পেয়ে যাবে। এটা জন্মহারকে নেতিবাচক ধারায় প্রবাহিত করবে; যা পশ্চিমা বিশ্বসহ বহু দেশে আতংকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সার্বিকভাবে এই ট্রান্সজেন্ডার গোটা মানবজাতির প্রাকৃতিক চরিত্রকে ধ্বংস করবে; যা ইসলাম ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি অনুমোদন প্রদান করে না।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> শিশু মনে আত্ম-পরিচয় সংকট সৃষ্টি করা:<br />
সপ্তম ‘শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুশীলনী বইয়ের ৫২-৫৬ পৃষ্ঠায় ছেলে-মেয়েদের কোন পার্থক্য নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, শিশু বড় হয়ে যেমন চিন্তা করবে সে তেমনই হতে পারবে। অথচ এটি একটি প্রকৃতিবিরোধী বক্তব্য।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> স্বাস্থ্য সুরক্ষার নামে হাজার বছরের প্রথা ও রীতির বিরুদ্ধতা:<br />
স্বাস্থ্য সুরক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমাদের সমাজে এই বিষয়টি প্রধানত দুইভাবে করা হতো। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ও পারিবারিকভাবে। মেয়ে ও ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকালে যে পরিবর্তন হয় সে সম্পর্কে বিগত হাজার বছর ধরে পারিবারিকভাবেই বাচ্চারা জেনে আসছে। কিন্তু নতুন পাঠ্যবইয়ে বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয়েছে; যা ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বাচ্চাদের জন্য উপযোগী না এবং এসব বিষয়ে এমন আলোচনা বাচ্চাদের ভেতরে অহেতুক কৌতুহল তৈরি করবে; যা ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। তারচেয়েও বড় কথা হলো, এই বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন কেন হলো? কেন আমাদের হাজার বছরের রীতি ও প্রথাকে এভাবে উপেক্ষা করতে হবে? এই বইগুলোতে বিশেষত সপ্তম শ্রেণির বইয়ে “মন ও শরীরের ওপরে চাপ কমানো ও আরাম অনুভব করার কিছু ব্যায়াম” শিরোনামে যা বলা হয়েছে তা যোগব্যায়ামের সদৃশ। মুসলিম প্রধান দেশে চাপ ও আরাম প্রাপ্তির জন্য যোগব্যায়ামের মতো ভিনদেশি সভ্যতা প্রসূত বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তি করা অশুভ লক্ষণ বলে মনে হয়েছে। একই সাথে এই বইয়ে নারী-পুরুষের সম্পর্ককে খুবই সহজভাবে দেখানো হয়েছে। এমনকি বাচ্চাদের মাঝে প্রেম-ভালোবাসার মতো বিষয়কেও স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমাদের হাজার বছরের সামাজিক পুঁজিকে অপরাধের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে।</p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে মনে করে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো বিষয় অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। তবে অবশ্যই তা আমাদের রীতি-নীতি ও প্রথাশুদ্ধ হতে হবে। পশ্চিমারা যে সামাজিক পুঁজির চর্চা করে তার ফলে পশ্চিমা পরিবার ও সভ্যতা এমনকি মানব প্রজননের মতো বিষয়ও হুমকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য পশ্চিমা রীতি ও কৌশল আত্মস্ত করার কোন প্রয়োজন নেই। সেজন্য পুরো বইটাকেই পুনরায় আমাদের চর্চিত রীতি-নীতি ও সামজিক পুঁজির আলোকে সাজাতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ইসলামকে হেয় প্রতিপন্ন করা:<br />
ইসলামের ফরয বিধান পর্দা এবং মুসলিম পুরুষের পরিচয়বাহক দাঁড়ি-টুপিকে কটাক্ষ করা হয়েছে। সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুশীলনী বইয়ে পর্দাকে অবরোধ প্রথা এবং অবরোধবাসিনী শিরোনামের গল্পে পর্দাকে কটাক্ষ করে কিছু মনগড়া কল্পকাহিনী যুক্ত করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।</p>
<p>ষষ্ঠ শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুশীলনী বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের চিত্র ফুটিয়ে তুলতে দাঁড়ি-টুপি পরিহিত ছবি ব্যবহার করা হয়েছে; যার ঐতিহাসিক দালিলিক কোন ভিত্তি নেই। এভাবে বিশ্লেষণ করলে যে কারো কাছে প্রতীয়মান হবে যে, পুরো বইটাই একধরণের ইসলামবিদ্বেষী মনোভাব থেকে লেখা। স্বাধীনতার সময়কার রাজনীতির বর্ণনা দিতে গিয়ে আরবের দেশগুলো যারা একনায়কতন্ত্রের অধীনে পরিচালিত, তাদেরকে ইসলামী শরীয়াহ পালনকারী দেশ হিসেবে দেখিয়ে স্বাধীনতার বিপক্ষে তাদের অবস্থান দেখানো হয়েছে। পাকিস্তানী শাসকদেরকে ইসলামী শাসক হিসেবে দেখানো হয়েছে। আদতে পাকিস্তানী শাসক এবং আরবের শাসকবৃন্দ- তারা কেউই পূর্ণাঙ্গ ইসলাম অনসৃত না। অথচ এই বইয়ের উপস্থাপনা কৌশলে কোমলমতি বাচ্চাদের মনে ইসলামী শাসন সম্পর্কে বিরূপ ধারণা গড়ে উঠবে। আদতে যার কোন ভিত্তি নেই। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, পুরো বইটি বাতিল করতে হবে এবং সত্যনিষ্ঠ শিক্ষাবিদদের দ্বারা তা পুনরায় লিখতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> বিতর্কিত ও অবৈজ্ঞানিক বিবর্তনবাদকে চাপিয়ে দেয়া:<br />
৬ষ্ঠ শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুশীলনী বইয়ে বিবর্তনবাদের ইতিহাস উল্লেখ করে বানর থেকে ধারাবাহিকভাবে মানুষে রুপান্তর হওয়ার অবৈজ্ঞানিক এবং অবান্তর চিত্র দেখানো হয়েছে। বিবর্তনবাদ নিয়ে নুতন করে বলার কিছু নেই। এটা স্পষ্টত ইসলামসহ বিশ্বের সকল ধর্মের মৌলিক ধারণার বিরুদ্ধে। বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিজ্ঞ প্রফেসর ডারউইনের বিবর্তন মতবাদকে অবৈজ্ঞানিক এবং অযৌক্তিক বলে প্রমাণ করেছেন। ইতিমধ্যে রোমানিয়া, সাউথ কোরিয়া, তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড, বৃটেন, আমেরিকাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে সিলেবাস থেকে এই থিউরি বাদ দেয়া হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশে ইংলিশ মাধ্যমের শিক্ষা; যা ক্যামব্রিজ ইউনির্ভাসিটির সিলেবাস অনুযায়ী প্রবর্তিত, সেখানে এ লেভেল পযন্ত এই বিবর্তনের উল্লেখই নেই। এই বিবর্তনবাদকে বাংলাদেশের কোমলমতি বাচ্চাদের মনে চাপিয়ে দেয়া আদতে কোন বিজ্ঞান চর্চা না বরং ইসলাম ও ধর্ম বিরোধী একটি এজেন্ডা। আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই যে, এই ধরণের কোন বিতর্কিত ধারণা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শিখতে দেয়া যাবে না।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ধর্মীয় স্বাতন্ত্রতাকে বিলীন করে দেয়ার অপচেষ্টা:<br />
বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক একে অপরের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ অঞ্চলের হাজার বছরের চর্চিত সংস্কৃতি। প্রত্যেক ধর্মেরই আলাদা আলাদা রীতি-নীতি ও সংষ্কৃতি রয়েছে। কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেণির ঊহমষরংয ঋড়ৎ ঞড়ফধু বইয়ের ১৩৫-১৪৮ পৃষ্ঠা গল্পে চার ধর্মের চার বন্ধুর কাহিনী উল্লেখ করা হয়েছে; যেখানে প্রত্যক বন্ধুর প্রধান ধর্মীয় উৎসবে অপর সকল বন্ধুদের দাওয়াত দিয়ে একসাথে উদযাপনের কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি সৌহার্দ্যপূর্ণ মনে হলেও এমন গল্পের মাধ্যমে প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্ম, বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠানের স্বাতন্ত্রতা ও নিজস্বতা বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। কারণ ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের মাঝে পরস্পর সাংঘর্ষিক অনেক বিষয় আছে; যার মাধ্যমে প্রত্যেকেরই ধর্মীয় বিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্থ হবে।</p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, ধর্মীয় সম্প্রীতি শেখানোর জন্য সকলের ধর্ম ও বিশ্বাস বিনষ্ট করার কোন অর্থ হয় না। বরং যার যার ধর্ম ও বিশ্বাস যথাযথ জায়গায় রেখেই ধর্মীয় সম্প্রতি রক্ষা করা যায়; যার উদাহারণ আমরা বাঙালিরা হাজার বছর ধরে প্রদর্শন করে আসছি। ফলে এই ধরণের বিষয় পাঠ্যসূচি থেকে বাদ দিতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্রচ্ছদ এবং বইয়ের পাতায় পাতায় ভিনদেশী সংস্কৃতি উপস্থাপন:<br />
ষষ্ঠ শ্রেণির শিল্প ও সংষ্কৃতি বই এবং সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুসন্ধানী বইয়ের প্রচ্ছদ এবং পেছনের পাতার প্রচ্ছদে ময়ূরের ছবি দেয়া হয়েছে; যা অন্য একটি দেশের (ভারতের) জাতীয় পাখি। মৌর্য আমলের বৌদ্ধ সমাজের পাটলিপুত্র মন্দির এবং হিন্দু সংস্কৃতির শিলালিপির। এটা আমাদের দেশের ইতিহাস সঠিকভাবে চিত্রায়ন করে না। প্রচ্ছদে পদ্মফুল, জবা ইত্যাদি আমাদের দেশের কোন প্রতিকীয় অংশ নয়। এছাড়াও ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে অসংখ্য মূর্তি, মন্দির, প্যাগোডা, মঠ, শিলালিপির ছবি দেয়া হয়েছে; যা অতি অপ্রাসঙ্গিক। পক্ষান্তরে মাত্র ৩টি মসজিদের ছবি দেয়া হয়েছে। ইতিহাস বইয়ের প্রথম পাতায় মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী বিদেশী বন্ধু শিরোনামে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধানসহ অন্যান্য বিদেশীদের ছবি যুক্ত করা হয়েছে। এক কথায় নৃ-তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের ঐতিহাসিক বর্ণনায় একচোখা আচরণ করা হয়েছে। এর অর্থ পরিষ্কার। এইসব বইয়ের লেখকরা বাংলার সাথে ইসলামের হাজার বছরের ইতিহাসকে অস্বীকার করতে চাইছে। এই অঞ্চলের সাথে ইসলামের সম্পর্ক অস্বীকার করার এই প্রবণতা একটি উদ্দেশ্যমূলক রাজনৈতিক এজেন্ডা। আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই যে, ইসলামকে উপেক্ষা ও দুর্বল করার কোন এজেন্ডাই এদেশে বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্লেজারিজম বা চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নেয়া:<br />
সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান অনুসন্ধানী বইয়ের ইংরেজি ভার্সনে প্রথম অধ্যায়ে ৩য় পৃষ্ঠা থেকে জীববৈচিত্র্য বিষয়ক অনেকগুলো পৃষ্ঠায় বিদেশী একটি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য হুবহু নিয়ে আসা হয়েছে এবং বাংলা ভার্সনের বইয়ে গুগল থেকে অনুবাদ করে তা এখানে বসিয়ে দেয়া হয়েছে; যা একাডেমিক মানদণ্ডে অপরাধ। অথচ, বই রচনা এবং সম্পাদনার দায়িত্বে যারা থাকেন তাদের কাজ হলো মৌলিক রচনা তৈরি করা এবং নির্ভুলভাবে সম্পাদনা করা।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> তথ্য ও বানানগত ভুল এবং ভাষাগত আগ্রাসন:<br />
বিভিন্ন বই বিশ্লেষণ করে দৃষ্টিগোচর হযেছে যে, পাতায় পাতায় ইংরেজী ও বাংলা বানানে ভুল, শাব্দিক অর্থে ভুল, ইতিহাসের তথ্যে ভুল, বঙ্গবন্ধুর পিতার নামে ভুল। এ সমস্ত ভুলে ভরা পাঠ্যবই শিশুদের পাঠদান করা হলে শিশুরা ভুল শিখবে। আমরা আরও উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি, বইয়ের বিভিন্ন গল্পের উদাহরণে যেসব চরিত্র ব্যবহার করা হয়েছে তাদের অধিকাংশের নামে দেশীয় ছাপ নেই বরং সুকৌশলে পাশ্চাত্য এবং ভারতীয় বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে সাংস্কৃতিক অগ্রাসন চালানো হয়েছে।</p>
<p>সার্বিক পর্যালোচনায় এমন বহু বিষয় আছে যা এদেশের মানুষের বোধ-বিশ্বাস, সামাজিক পুঁজির সাথে সাংঘর্ষিক। বিজ্ঞানের নামে বিজ্ঞান অসমর্থিত বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই অঞ্চলের ইতিহাসের একটি ভুল ও মিথ্যা বর্ণনা দেয়া হয়েছে; যার ভিত্তি আমাদের কাছে মনে হয়েছে ধর্ম নিরপেক্ষতার আড়ালে ব্রাহ্মণ্যবাদী, হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক এজেন্ডা। কারণ এই অঞ্চলে ইসলাম ও মুসলমানদের উপনিবেশিক ও আগ্রাসী শক্তি আকারে দেখানো হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত। আমাদের পাঠ্যবইয়েও এই কাজ করা হয়েছে।</p>
<p>এরপরে ট্রান্সজেন্ডারের ইস্যু আরেকটি ভয়াবহ দিক। এটা আমাদের পরিবার, সমাজ, মানব প্রজননসহ গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে ফেলবে। অতএব ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, এই বই সংশোধন না বরং বাতিল করতে হবে। এবং সত্যনিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ও উলামাদের সমন্বয়ে নতুন করে বই লিখতে হবে। একই সাথে এই বই রচনার সাথে জড়িতদের ভিন্ন কোন রাজনৈতিক দূরভিসন্ধি আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে এবং তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সুইডেন ও ডেনমার্কে কোরআন অবমাননা প্রসঙ্গ:<br />
ইসলামের সাথে পশ্চিমাদের আচরনে এটা দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ইউরোপ আজো মধ্যযুগীয় সংকীর্ণ চিন্তা থেকে বের হতে পারেনি। সাম্প্রতিক সুইডেনে ও ডেনমার্কে যেভাবে ঘোষণা দিয়ে পবিত্র কুরআনে অগ্নিসংযোগ করে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার প্রতি আঘাত করা হয়েছে তা অকল্পনীয়। কোন সভ্য সমাজে এই ধরণের আচরণ চিন্তাও করা যায় না। সুইডেনে ও ডেনমার্কে যা হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি যে, সুইডেন ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোড়ালো প্রতিবাদ জানাতে হবে।</p>
<p>[প্রেস বিজ্ঞপ্তি]</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/02/পাঠ্যসূচি-সংবাদ-সম্মেলন-29-01-2023.doc">বক্তব্যের অনুলিপি</a></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/02/সংবাদ-সম্মেলন.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>জাতীয় সম্মেলন এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 31 Dec 2022 09:42:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[গণআন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় সম্মেলন]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়-সম্মেলন-২০২৩]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=4049</guid>

					<description><![CDATA[রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও বৈষম্যহীন উন্নত বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসবে জাতীয় সম্মেলন থেকে &#8211; সংবাদ সম্মেলনে গাজী আতাউর রহমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে ব্যাখ্যা করার কিছু নেই। অর্থনৈতিক দুরাবস্থা, নির্বাচন নিয়ে অস্থিরতা, জোট-মহাজোট ভাঙ্গা-গড়ার নিত্য ঘটনা, নিরব দুর্ভিক্ষ; সব মিলিয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<blockquote>
<h2>রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও বৈষম্যহীন<br />
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসবে জাতীয় সম্মেলন থেকে</h2>
<p>&#8211; সংবাদ সম্মেলনে গাজী আতাউর রহমান</p></blockquote>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে ব্যাখ্যা করার কিছু নেই। অর্থনৈতিক দুরাবস্থা, নির্বাচন নিয়ে অস্থিরতা, জোট-মহাজোট ভাঙ্গা-গড়ার নিত্য ঘটনা, নিরব দুর্ভিক্ষ; সব মিলিয়ে বাংলাদেশের জন্য বর্তমান সময় খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সময়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামীকাল ১ জানুয়ারি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে শুরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হবে। ২ জানুয়ারি ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।</p>
<p>আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শনিবার, বেলা ১২টায় পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় সম্মেলন এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারি মহাসচিব মাওলানা ইমতিয়াজ আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাদের, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা খলিলুর রহমান, জিএম রুহুল আমিন, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, মুফতী মোস্তফা কামাল, শহিদুল ইসলাম কবির প্রমুখ।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছে। জোট-মহাজোটের বাইরে আমরা যে একক ইসলামী ও জনশক্তি গড়ে তোলার কাজ করেছি তার ফলাফল আসতে শুরু করেছে। এটাকে কী করে কাজে লাগানো যায় এবং আরো ত্বরান্বিত করা যায় সে বিষয়ে ২ তারিখের জাতীয় সম্মেলন একটি মাইল ফলক হতে যাচ্ছে। সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন। আমরা ২০২২ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে শক্তিশালী কমিটি গঠন করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ; আমাদের লক্ষ্য সাফল্যের মাত্রা স্পর্শ করেছে। সম্মেলনে ওয়ার্ড পর্যায়ের বাছাইকৃত নেতৃত্ব এবং এর পাশাপাশি ইউনিয়ন থানা ও জেলা শাখার ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলন থেকে মুহতারাম আমীর আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে করণীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন। নির্বাচনী লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেবেন।</p>
<p>তিনি বলেন, আমরা দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে ঘনিষ্ঠ আলাপ করেছি। বহু বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। আগামীর পরিকল্পনায় সহযোগী হওয়ার বিষয়ে একধরণের বোঝাপড়া হয়েছে। সম্মেলনে সে বিষয়ে একধরনের প্রতিফলন দেখা যাবে, ইনশাআল্লাহ। একই সাথে আমরা সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপচারিতা ও বোঝাপড়া করেছি। তার প্রতিফলনও থাকবে সম্মেলনে।</p>
<p>তিনি বলেন, সম্মেলনের যাবতীয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। অভ্যর্থনা, নিরাপত্তাসহ সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা শেষ হয়েছে। দীর্ঘ দৌড়-ঝাঁপের পর অবশেষে সোহরাওয়ার্দি উদ্যান ব্যবহার করার ব্যাপারে প্রশাসনের অনুমতি হয়েছে। প্রশাসনের এই শুভ বুদ্ধির জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে সম্মেলনকে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ঢাকাবাসীর প্রতি সার্বিক সহযোগীতার উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও বৈষম্যহীন উন্নত বাংলাদেশ গড়তে ১৯ দফা ঘোষণা করবে। নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার দাবীসহ ১৫ দফা দাবী উপস্থাপন করা হবে। দলের আমীর তৃণমূলের নেতৃত্বের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করবেন। আক্ষরিক অর্থেই এই সম্মেলন জাতীয় রাজনীতির জন্য একটি বাঁক পরিবর্তনীয় ঐতিহাসিক ঘটনা হতে যাচ্ছে বলে আমাদের বিশ্বাস। আপনাদের এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি এবং আশা করছি যে, জাতির বিবেক হিসেবে জাতীয় সম্মেলনের প্রচার-প্রচারণা এবং সম্মেলনের বার্তা-তাৎপর্য জাতির সামনে তুলে ধরবেন। ২ তারিখের জাতীয় সম্মেলন থেকে রাজনীতির যে নতুন মাত্রার সূচনা হবে সেখানে তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে সাংবাদিকগণকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানান।</p>
<p>[প্রেস বিজ্ঞপ্তি]</p>
<blockquote>
<h2>রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও বৈষম্যহীন<br />
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসবে জাতীয় সম্মেলন থেকে</h2>
<p>&#8211; সংবাদ সম্মেলনে গাজী আতাউর রহমান</p>
<h2>রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও বৈষম্যহীন<br />
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসবে জাতীয় সম্মেলন থেকে</h2>
<p>&#8211; সংবাদ সম্মেলনে গাজী আতাউর রহমান</p></blockquote>
<p>&nbsp;</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2022/12/সংবাদ-সম্মেলন-31-12-22.doc">লিখিত বক্তব্য ডাউনলোড</a></p>
<p><iframe style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fiab87%2Fposts%2Fpfbid02eA1SjAV96BMFScNKQmubBiVngQEKpGP5QVdr6NCm51w1eYJqQ6WcJNm222cbphuxl&amp;show_text=true&amp;width=500" width="500" height="787" frameborder="0" scrolling="no" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
<p><iframe style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fiab87%2Fvideos%2F833555317938207%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" width="560" height="314" frameborder="0" scrolling="no" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
<p>&nbsp;</p>
<blockquote class="instagram-media" style="background: #FFF; border: 0; border-radius: 3px; box-shadow: 0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width: 540px; min-width: 326px; padding: 0; width: calc(100% - 2px);" data-instgrm-captioned="" data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/p/Cm087-lhLRj/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14">
<div style="padding: 16px;">
<p>&nbsp;</p>
<div style="display: flex; flex-direction: row; align-items: center;">
<div style="background-color: #f4f4f4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div>
<div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;">
<div style="background-color: #f4f4f4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div>
<div style="background-color: #f4f4f4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div>
</div>
</div>
<div style="padding: 19% 0;"></div>
<div style="display: block; height: 50px; margin: 0 auto 12px; width: 50px;"></div>
<div style="padding-top: 8px;">
<div style="color: #3897f0; font-family: Arial,sans-serif; font-size: 14px; font-style: normal; font-weight: 550; line-height: 18px;">View this post on Instagram</div>
</div>
<div style="padding: 12.5% 0;"></div>
<div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;">
<div>
<div style="background-color: #f4f4f4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div>
<div style="background-color: #f4f4f4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div>
<div style="background-color: #f4f4f4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div>
</div>
<div style="margin-left: 8px;">
<div style="background-color: #f4f4f4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div>
<div style="width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg);"></div>
</div>
<div style="margin-left: auto;">
<div style="width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div>
<div style="background-color: #f4f4f4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div>
<div style="width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div>
</div>
</div>
<div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;">
<div style="background-color: #f4f4f4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div>
<div style="background-color: #f4f4f4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div>
</div>
<p>&nbsp;</p>
<p style="color: #c9c8cd; font-family: Arial,sans-serif; font-size: 14px; line-height: 17px; margin-bottom: 0; margin-top: 8px; overflow: hidden; padding: 8px 0 7px; text-align: center; text-overflow: ellipsis; white-space: nowrap;"><a style="color: #c9c8cd; font-family: Arial,sans-serif; font-size: 14px; font-style: normal; font-weight: normal; line-height: 17px; text-decoration: none;" href="https://www.instagram.com/p/Cm087-lhLRj/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" target="_blank" rel="noopener">A post shared by Islami Andolan Bangladesh (@iab.official)</a></p>
</div>
</blockquote>
<p><script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></p>
<blockquote class="twitter-tweet">
<p dir="ltr" lang="bn"><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> জাতীয় সম্মেলন এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত<a href="https://t.co/CHir7JsNRk" target="_blank">https://t.co/CHir7JsNRk</a> <a href="https://t.co/nAq8uaUB5e" target="_blank">pic.twitter.com/nAq8uaUB5e</a></p>
<p>— Islami Andolan Bangladesh (@IAB_1987) <a href="https://twitter.com/IAB_1987/status/1609120443881099265?ref_src=twsrc%5Etfw" target="_blank" rel="noopener">December 31, 2022</a></p></blockquote>
<p><script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></p>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="২ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন্দ্রীয় সম্মেলন করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ | Channel 24" width="1170" height="658" src="https://www.youtube.com/embed/un3HHkCoj6Y?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe></div>
<p><iframe style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=314&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fchannel24live%2Fvideos%2F2282863028561087%2F&amp;show_text=false&amp;width=560&amp;t=0" width="560" height="314" frameborder="0" scrolling="no" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2022/12/সংবাদ-সম্মেলন.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>জনআকাঙ্খার বিপরীতে তাৎপর্যহীন সংলাপে ইসলামী আন্দোলন অংশ নিবে না</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Jan 2022 12:00:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=3414</guid>

					<description><![CDATA[ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ইসি গঠন নিয়ে আইন প্রণয়নের কথা বলছেন অনেক রাজনৈতিক দল। আইন প্রণয়নের প্রস্তাব যৌক্তিক এবং এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাও বটে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আইন প্রণয়ন করবে কে? একটি বিতর্কিত নির্বাচনে ক্ষমতা দখল করা সাংসদবৃন্দ? যাদের নিজেদেরই নৈতিক ভিত্তি নাই। একটি দলান্ধ ও মেরুদণ্ডহীন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ইসি গঠন নিয়ে আইন প্রণয়নের কথা বলছেন অনেক রাজনৈতিক দল। আইন প্রণয়নের প্রস্তাব যৌক্তিক এবং এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাও বটে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আইন প্রণয়ন করবে কে? একটি বিতর্কিত নির্বাচনে ক্ষমতা দখল করা সাংসদবৃন্দ? যাদের নিজেদেরই নৈতিক ভিত্তি নাই। একটি দলান্ধ ও মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশনের সুবিধাভোগী সাংসদবৃন্দ কোন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আত্মমর্যাদাশীল ইসি গঠনে কার্যকর আইন প্রণয়ণ করবে, এমন আশা করা বাহুল্য।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রধান যখন কোন সংলাপের আমন্ত্রণ জানান, তখন তাতে সাড়া দেয়া নাগরিক দায়িত্ব বোধের অংশ হয়ে দাঁড়ায়। এই বোধ থেকেই আমরা ২০১২ ও ২০১৭ সালের সংলাপে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু তিক্ত সত্য হলো, আমরা চরমভাবে হতাশ হয়েছি। গত দুই কমিশনের অধীনে যে দুটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে এগুলো এতটাই বিতর্কিত ও জালিয়াতিতে পূর্ণ যে, তা জাতি হিসেবে আমাদেরকে চরম হতাশ, বিব্রত ও লজ্জিত করেছে।</p>
<p>শনিবার দুপুরে পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংলাপে অংশ না নেয়ার কথা জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই। যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য খন্দকার গোলাম মাওলা, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারি মহাসচিব হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, কেএ আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা খলিলুর রহমান, জিএম রুহুল আমিন, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা নেছার উদ্দিন, এডভোকেট লুৎফুর রহমান শেখ, এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, আল্লামা মকবুল হোসাইন প্রমুখ।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, হতাশাজনক ব্যাপার হলো, এই ইসির নিয়োগকর্তা মহামান্য প্রেসিডেন্ট এসব কলঙ্কময় নির্বাচনের দায়ে তারই গঠিত কমিশনকে কোনরকম জবাবদিহিতার আওতায় আনেননি। কোন রকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। ফলে প্রেসিডেন্টের সাথে সংলাপকে আমাদের কাছে অর্থহীন বলে মনে হয়। তাছাড়া অতীতের দুটি সংলাপে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে প্রেসিডেন্টের কাছে আমাদের গঠনমূলক প্রস্তাবগুলোর কোনটাই মূল্যায়ন করা হয়নি। যে দল তাকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত করেছে, তিনি সেই দলীয় স্বার্থের বাইরে যেতে পারেননি।</p>
<p>মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মহামান্য প্রেসিডেন্ট সংলাপ নিয়ে দেশের চিন্তাশীল মহল, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সাধারণ জনগণের মাঝে আমরা কোন আগ্রই দেখতে পাচ্ছি না। বরং জনগণ মনে করছে, প্রেসিডেন্টের সংলাপে ফলপ্রসূ কিছু হবে না। অতীতের দুটি সংলাপ যেমন জনপ্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে, চলমান সংলাপেও এর ব্যতিক্রম কিছু হবে বলে জনগণ মনে করে না। অতএব, জনআকাঙ্খার বিপরীতে গিয়ে এমন একটি আবেদনহীন ও তাৎপর্যহীন সংলাপে অংশ নেয়াটা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সঙ্গত মনে করে না। তিনি আরো বলেন, ফলপ্রসূ সংলাপ হতে হলে সংলাপের বিষয়বস্তু পরিবর্তন করতে হবে। দেশবাসী মনে করে, নির্বাচন কমিশন গঠন নয় বরং সংলাপ হওয়া উচিৎ নির্বাচনকালীন সরকার কাঠামো নিয়ে। দেশে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কিভাবে হবে, তা নিয়ে সংলাপ হওয়া উচিৎ। এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে কিছু প্রস্তাবনা দেয়া হয়। প্রস্তাবনাগুলো হলো- ১. নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন করতে হবে। ২. নির্বাচনের সময় অবশ্যই অন্তবর্তীকালীন জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। ৩. ইসি আয়োজিত প্রতিটি নির্বাচনের পরে কনস্টিটিউশনাল কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন ও ইসির মূল্যায়ন করতে হবে। নির্বাচনে কোন ধরনের অসততা, অদক্ষতা ও পক্ষপাত পাওয়া গেলে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের অপসারণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ৪. জন প্রশাসন, আইন, স্বরাষ্ট্র ও তথ্যমন্ত্রণালয়কে নির্বাচন কালীন নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত করতে হবে। ৫. নির্বাচন কমিশনের বাজেট, সচিবালয় ও পরিচালনা নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করে দিতে হবে। ৬. নির্বাচন কালীন সহিংসতার প্রতিটি অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব ইসিকেই নিতে হবে। ৭. সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাউকে কাউকে দলীয় লেজুড়বৃত্তি করতে দেখা গেছে। যাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠে তাদেরকে চিহ্নিত করে স্থায়ীভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে।</p>
<p>২০১২ এর সংলাপে গঠিত নির্বাচন কমিশন ২০১৪ সালে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে একতরফা নির্বাচন এর আয়োজন করেছে; যেখানে ১৫৩ জন এমপিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী দেখানো হয়েছে। আর ২০১৭ এর সংলাপের পর গঠিত কমিশন ১০১৮ সালে একটি চরম বিতর্কিত ও অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন করেছে। যাকে অনেকেই মধ্যরাতের নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করে থাকে। এই দুই জাতীয় নির্বাচন এতটাই বিতর্কিত ও জালিয়াতিতে পূর্ণ যে, তা জাতি হিসেবে আমাদেরকে চরম হতাশ, বিব্রত ও লজ্জিত করেছে। তিনি বলেন, এই ইসির নিয়োগকর্তা মহামান্য রাষ্ট্রপতি এসব কলঙ্কময় নির্বাচনের দায়ে তারই গঠিত কমিশনকে কোনরকম জবাবদিহিতার আওতায় আনেননি; কোন রকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। ফলে রাষ্ট্রপতির সাথে সংলাপকে আমাদের কাছে অর্থহীন বলে মনে হয়।<br />
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৯৮৭ সালে জন্মের পর থেকে ১৯৮৮ সালের ৩ রা মার্চ জাতীয় পার্টির অধিনে অনুষ্ঠিত হাস্যকর নির্বাচন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী তৎকালীন বিএনপি সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত একতরফা নির্বাচন এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত একতরফা নির্বাচন; এই তিনটি চরম বিতর্কিত এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া বাকি সবগুলো অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচনে জোটগতভাবে এবং এককভাবে অংশ নিয়েছে।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনকল্যাণে নিবেদিত একটি দেশপ্রেমিক শান্তিকামী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনমতের প্রতি গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল। প্রতিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ক্ষেত্রে দেশের জনগণের অনুভূতি, দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর পরামর্শ ও মতামত এবং সিভিল সোসাইটির পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণকে অধিকতর মূল্যায়ন করে থাকে।</p>
<p>দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সংলাপ নিয়ে দেশের চিন্তাশীল মহল, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সাধারণ জনগণের মাঝে আমরা কোন আগ্রই দেখতে পাচ্ছি না। বরং জনগণ মনে করছে, রাষ্ট্রপতির সংলাপে ফলপ্রসূ কিছু হবে না। অতীতের দুটি সংলাপ যেমন জনপ্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে, চলমান সংলাপেও এর ব্যতিক্রম কিছু হবে বলে জনগণ মনে করে না।</p>
<p>জনআকাঙ্খার বিপরীতে গিয়ে এমন একটি আবেদনহীন ও তাৎপর্যহীন সংলাপে অংশ নেয়াটা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সঙ্গত মনে করে না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সব সময়ই সমঝোতা, সমন্বয় ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা আলাপ আলোচনা ও সংলাপের বিরোধী নই। দেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্ত করতে হলে, সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করতে হলে ফলপ্রসূ সংলাপের কোন বিকল্প নেই।</p>
<p>আর ফলপ্রসূ সংলাপ হতে হলে সংলাপের বিষয়বস্তু পরিবর্তন করতে হবে। দেশবাসী মনে করে, নির্বাচন কমিশন গঠন নয় বরং সংলাপ হওয়া উচিৎ নির্বাচনকালীন সরকার কাঠামো নিয়ে। দেশে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কিভাবে হবে, তা নিয়ে সংলাপ হওয়া উচিৎ। রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এমন একটি ফলপ্রসূ সংলাপের উদ্যোগ নিতে পারেন। জন আকাঙ্খার আলোকে এমন একটি সংলাপ হলে, তাতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অবশ্যই অংশ নিবে।</p>
<p>চলমান ইউপি নির্বাচনে নৈরাজ্য এবং দস্যুতা সম্পর্কে আপনারা জানেন। সারা দেশের ইউপি নির্বাচনগুলোতে নৈরাজ্যজনক অবস্থাতে দেশে কোন নির্বাচন কমিশন আছে বলে মনে হয় না। ধাপেঁ ধাপেঁ আয়োজিত ইউপি নির্বাচনের প্রতিটি ধাপেঁই ১০%-এর বেশি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান ও মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রত্যেকটি জায়গায়ই সরকার দলীয় প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং এমপিরা সরাসরি প্রভাব খাটিয়েছেন। সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী তার নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লার লাকসামে একটি ইউনিয়নেও নির্বাচন হতে দেয়নি। মনোহরগঞ্জ উপজেলায়ও তার লোকজন কাউকে মনোনয়নপত্র তুলতে দিচ্ছেন না। সারা দেশে এ জাতীয় বহু ঘটনা রয়েছে। তাই যে সব ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান ও মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন আমরা সে সব ইউনিয়নে আবারো নির্বাচনের দাবী জানাচ্ছি।</p>
<p>দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রার্থীদের উপর বিভিন্নভাবে হুমকি, ধমকি ও জুলুম নির্যাতন করা হয়েছে। যে সব ইউপিতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের উপর হামলা ও নির্যাতন করা হয়েছে, বাড়ীঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জালিয়ে দেয়া হয়েছে আমরা সে সবের সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি। দ্রুত সন্ত্রাসী এবং দস্যুদের গ্রেফতারের দাবী জানাচ্ছি।</p>
<p>আপনারা একমত হবেন, নিশ্চয়ই রাষ্ট্র গড়ে ওঠে মূলত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপরে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি শক্ত আইনভিত্তিক, সুসংহত কাঠামো নির্ভর হয় এবং কার্য পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীন হয় একই সাথে রাজনৈতিক সংস্কৃতি পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীল হয় তাহলে দেশ এগিয়ে যায়।<br />
বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য! ৩০ লক্ষ জীবনের বিনিময়েও দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীন করা যায়নি; প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোবদ্ধ করা যায়নি; নিয়োগ, কার্য পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা যায়নি। এযাবতকালে যারাই দেশ পরিচালনা করেছে, তারা সবাই এজন্য দায়ী। যে যত বেশি সময় দেশ শাসন করেছে তার দায় ততবেশি।</p>
<p>আইনমন্ত্রী বলে বেড়াচ্ছেন, ইসি গঠনে আইন করার মত সময় নাই। নানা বিতর্কিত পন্থায় টানা ১৩ বছর ক্ষমতায় থেকে যখন বলেন, ইসি গঠন সংক্রান্ত আইন করার সময় পান নাই; তখন একে মতলববাজি ছাড়া অন্য কিছু বলা যায় না।</p>
<p>স্বাধীনতার বিগত ৫০ বছরে কেন একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের রূপরেখা হলো না। এখনো কেন্ জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে আন্দোলন করতে হয়। এর জবাব স্বাধীনতা পরবর্তী যে ৩টি দল রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে তাদেরকেই দিতে হবে। ৩টি দলই সংবিধানকে অবজ্ঞা করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। যারা বিগত দিনে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে জনগণের অধিকারকে কুক্ষিগত করেছে, তাদেরকে অবশ্যই জনগণের কাঠগড়ায় দাড় হতে হবে।</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2022/01/Speech-for-Press-Conference-about-President-Conversation-02-01-22.doc">সংবাদ সম্মেলনে আমীরের লিখিত বক্তব্যের ডকুমেন্ট ফাইল</a></p>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="নির্বাচন কমিশন গঠন নয়, নির্বাচনকালীন সরকার কাঠামো নিয়ে সংলাপ হওয়া উচিত | পীর সাহেব চরমোনাই" width="1170" height="658" src="https://www.youtube.com/embed/xBes-bdN_9Y?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe></div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://live.staticflickr.com/65535/51803236234_8855446f2b_o.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>জনসমর্থনহীন সরকারের ব্যর্থতায় দেশের সর্বত্র বিপর্যয় চলছে &#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 Oct 2021 12:00:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=3126</guid>

					<description><![CDATA[ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, জনসমর্থনহীন সরকারের ব্যর্থতায় দেশের সর্বত্র বিপর্যয় চলছে। তিনি বলেন, হাজার বছর ধরে হিন্দু-মুসলিমরা এই ভূখণ্ডে পাশাপাশি বসবাস করে আসছে। মানুষ যার যার ধর্ম পালন করছে। কুমিল্লার একটি মন্দিরে পবিত্র কুরআন পাওয়াকে কেন্দ্র করে এবং ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকর স্ট্যাটাসকে ইস্যু করে দেশের বিভিন্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, জনসমর্থনহীন সরকারের ব্যর্থতায় দেশের সর্বত্র বিপর্যয় চলছে। তিনি বলেন, হাজার বছর ধরে হিন্দু-মুসলিমরা এই ভূখণ্ডে পাশাপাশি বসবাস করে আসছে। মানুষ যার যার ধর্ম পালন করছে। কুমিল্লার একটি মন্দিরে পবিত্র কুরআন পাওয়াকে কেন্দ্র করে এবং ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকর স্ট্যাটাসকে ইস্যু করে দেশের বিভিন্ন জেলায় যেসব অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে, আমরা এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দ্রুত বিচার চাই।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, বাঙ্গালীর হাজার বছরের ইতিহাস এবং মুসলমানদের ধর্মীয় শিক্ষা এ ধরণের ঘটনাকে সমর্থন করে না। ঘটনার সূত্রপাত থেকে পরবর্তী প্রত্যেকটি ঘটনায় প্রশাসনের ব্যর্থতার ছাপ স্পষ্ট। ৫০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে এ ধরণের ব্যর্থতা কল্পনাতীত। জনপ্রশাসনে অতিমাত্রায় রাজনীতি প্রবেশের কারণে সামগ্রিকভাবে দেশের প্রশাসন ব্যবস্থায় এক ধরণের অদক্ষতা তৈরি হয়েছে; যার খেসারত এসব ঘটনা।</p>
<p>তিনি বলেন, কুমিল্লার ঘটনার পরে জনরোষ তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। সেই রোষে মানুষ বিক্ষোভ করবে তাও স্বাভাবিক। বেসামরিক বাহিনীগুলোকে এই ধরণের গণবিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষিত করার কথা। ৫০ বছরের স্বাধীন একটি দেশের বেসামরিক বাহিনী গণবিক্ষোভ দমনে গুলি করার মতো চরম সিদ্ধান্ত সহজেই নিয়ে নিচ্ছে। যার প্রতিফলন নিকট অতিতে ভোলায়, হাটহাজারীতে ও বি-বাড়িয়ায় দেখা গেছে। চাঁদপুরেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী একই রকমভাবে চরমপন্থা অবলম্বন করে বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে অন্তত ৫ জনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর অল্পতেই এমন চরমপন্থা গ্রহণ করার প্রবণতা জনস্বাধীনতা, নাগরিক বোধ ও সভ্যতার জন্য ভয়ের কারণ। কুমিল্লার ঘটনা নিয়ে প্রতিবেশী দেশের একশ্রেণির মিডিয়া, সরকারী দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সুশীল সমাজ যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তা আধুনিক জাতি রাষ্ট্রের সব ধরণের নীতি-নৈতিকতা ছাড়িয়ে গেছে। তাদের এই ধরণের আগবাড়ানো প্রতিক্রিয়াশীলতায় এই ঘটনার অন্তরালে আন্তর্জাতিক রাজনীতির নোংরা কৌশলের আভাস পাওয়া যায়। কুমিল্লার ঘটনার পরে বাংলাদেশের এক শ্রেণির মিডিয়া, রাজনৈতিক সংগঠন ও সুশীল সমাজ যেভাবে ঘটনাকে কেবলমাত্র সাম্প্রদায়িকতা দিয়ে ব্যাখ্যা করেছে; তা হতাশাজনক।</p>
<p>আজ ২৩ অক্টোবর ২০২১ বুধবার ইসলামী আন্দোলনের পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের চলমান সঙ্কটময় পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মাওলা, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা আবদুল কাদের, মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, কে এম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা আহমদ আবদুুল কাইয়ূম, মাওলানা খলিলুর রহমান, উপাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা শেখ ফজুলল করীম মারুফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা নূরুল ইসলাম আল-আমীন, মুফতী হেমায়েতুল্লাহ, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, এড. লুৎফুর রহমান, এড. শওকত আলী হাওলাদার, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, আলহাজ্ব মনির হোসেন, মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা মকবুল হোসাইন, আলহাজ্ব সেলিম মাহমুদ প্রমুখ।</p>
<p>পীর সাহেব লিখিতে বক্তব্যে বলেন, কুমিল্লার ঘটনায় একটি কুচক্রিমহল সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মকে অবমাননা করে ঘোলা পানিতে স্বার্থ হাসিল করতে চায়। কারণ- ১. এই ধরণের ঘটনার কখনোই সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হয় না। প্রায় সকল ক্ষেত্রেই অনেক কথা হয়, আশ্বাসবাণী শোনানো হয় কিন্তু বিচার হয় না। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতিই অপশক্তিগুলোকে বারংবার ধর্ম অবমাননা করে উত্তেজনা তৈরির কৌশল ব্যবহার করতে উৎসাহিত করে। ২. বাংলাদেশে ধর্ম অবমাননা করার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন আইন নেই। ফলে যে ধর্মের অবমাননা করা হয় সেই ধর্মের অনুসারীরা এক ধরণের অসহায় বোধ করে। সেই অসহায় বোধ থেকেই তারা তৎক্ষণাৎ বিক্ষোভ দেখানো এবং ক্ষেত্র বিশেষে সহিংস বিক্ষোভ প্রদর্শনে উৎসাহিত হয়। ৩. ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা ও মন্ত্রীরা প্রায় নিয়মিত বিরতিতে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষদগার করে থাকেন। সাম্প্রতিক একজন অপরিণামদর্শী প্রতিমন্ত্রীর বালখিল্যতা জাতি দেখেছে। অপরিপক্ক সেই প্রতিমন্ত্রী যেভাবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তাতে জন-ক্ষোভ আরো বেড়েছে। ৪. দেশে যখন একদলীয় শাসন চলে, সরকার যখন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে কোণঠাসা করে রাখে তখন অনিয়ন্ত্রিত বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কুমিল্লা ও দেশব্যাপী তারই বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। ৫. রাষ্ট্রের সরকার যখন স্বৈরাচারী ও শক্তি নির্ভর হয় তখন যেকোনো সামাজিক সমস্যার সমাধানে জনতার মাঝেও শক্তি নির্ভর পন্থার প্রাবল্য দেখা দেয়।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে ১০ দফা প্রস্তাব পেশ করা হয় :<br />
১. কুমিল্লার ঘটনা ও তৎপরবর্তী ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিটি করতে হবে। এখানে কুমিল্লায় কোরআন অবমাননা, বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও মূর্তি ভাঙ্গা, রংপুরে আগুন দেয়া এবং চাঁদপুরে বিক্ষোভে গুলি করে হত্যা করার বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে হবে এবং সেই কমিটির তদন্ত রিপোর্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জনসন্মুখে প্রকাশ করে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। ২. ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইন করতে হবে এবং সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। তাহলে কোন ধরণের ধর্ম অবমাননার ঘটনা ঘটলে জনতা আর সহিংস হয়ে উঠবে না। ৩. রাজনৈতিক নেতা ও মন্ত্রীদের অতি বাচাল প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। মানুষের আবেগ-অনুভূতির জায়গায় আঘাত করে মন্তব্য করার প্রবণতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। তারই প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে অতি বাচাল তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রীসভা থেকে বহিষ্কার করতে হবে। ৪. দেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরাতে বিরোধী দলগুলোর ওপরে দমন-পীড়ন বন্ধ করতে হবে। আটক রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ৫. শাসন ব্যবস্থায় জনতার মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে এবং সহনশীল, বহুদলীয়, মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। ৬.বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর রাজনৈতিক ব্যবহার বন্ধ করে এবং তাদের নিয়োগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করে বাহিনীগুলোকে পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে। ৭. গণবিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে গুলি করার মতো চরমপন্থা অবলম্বন করার প্রবণতা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। ৮. ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির ও সংখ্যালঘুদের ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ী সরকারীভাবে নির্মাণ করে দিতে হবে এবং চাঁদপুরে পুলিশের গুলিতে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের পরিবারসহ ক্ষতিগ্রস্ত সকল ব্যক্তি ও পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ৯. দেশের একশ্রেণির মিডিয়া, রাজনৈতিক সংগঠন ও তথাকথিত সুশীল সমাজ এই ধরণের ঘটনায় যেভাবে ধর্মকে কেন্দ্র করে একচোখা বয়ান দাঁড় করায়, তা বন্ধ করতে হবে। বাঙ্গালী জাতির ইতিহাস ও মনস্তত্ত্ব বিরোধী তাদের এই ধরণের বয়ান নির্মাণের পেছনে কোনো দুরভিসন্ধি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। ১০. প্রতিবেশী দেশকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলাতে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা দিতে হবে।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার প্রভাবে দেশে সার্বিক দারিদ্র্যের হার (আপার প্রোভার্টি রেট) বেড়ে ৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিআইডিএস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, করোনায় বাংলাদেশে ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্রসীমার নিচে নেমে গেছে। আগের হিসাব যোগ করে গরিব মানুষের এই সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ কোটির বেশি। অন্যদিকে ক্যাবের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে ২০২০-২১ অর্থবছরে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৬.৮৮%। গত ৩ বছরের ভেতর এটি সর্বোচ্চ। আর ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মতে, গত একমাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে প্রায় ১৯.৬৪%। একদিকে করোনার কারণে মানুষের আয় কমে যাওয়া, অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের এই সীমাহীন বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ দিশেহারা।</p>
<p>পীর সাহেব বলেন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের প্রধান কাজগুলোর একটি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বলে, সরকার এই দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এখানে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ-<br />
১. পণ্যের প্রাক উৎপাদন ধাপসমূহ এবং উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাত করার প্রক্রিয়ার মধ্যে একদল মধ্যস্বত্ত্বভোগীর মাধ্যমে পণ্যের দাম বাড়ায়। ফলে উৎপাদক ও ভোক্তা উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই মধ্যসত্ত্বভোগী শ্রেণির প্রায় পুরোটাই রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী। উৎপাদক ও ভোক্তার মাঝে পণ্যের দামের পার্থক্য নিয়ে সুনির্দিষ্ট আইন করতে হবে। ২. আমদানিকৃত পণ্যের দাম নিয়ে কারসাজি বন্ধে টিসিবিকে আধুনিকায়ন ও দক্ষ করে তুলতে হবে। কাস্টমস ও শুল্ক বিভাগকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। ৩. দেশের নীতি নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের আধিক্য কমাতে হবে। ৪. পরিবহন খাতে মাসে ৩০০ কোটি টাকার বেশি চাঁদাবাজি হয়; যার প্রভাব গিয়ে সরাসরি ভোক্তার ওপরে পরে।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, একটি শক্তিশালী ও আত্মমর্যাদা সম্পন্ন নির্বাচন কমিশন দেশের সংবিধান রক্ষা ও জনতার সরকার প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করেই ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কময় নির্বাচন করা হয়েছে। গত কয়েকটি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে যে, এই নির্বাচন কমিশন কতটা নির্মমভাবে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে। চলতি ইসি ও তাদের নিয়োগকর্তারা যে ইতিহাসের কালো স্থানেই থাকবেন, তা বলাই বাহুল্য।</p>
<p>তিনি বলেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে ইসি নিয়োগ করা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। সার্চ কমিটির বাছাই করা ইসি যে কত জঘন্য হতে পারে তার নজীর তো এখনো চলমান। আসলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে এসব সার্চ কমিটি আর আইন কোনটাই ফল দেবে না। এজন্য সকল দলের মতামতের ভিত্তিতে একটি সার্বজনীন ইসি গঠন অথবা প্রতিনিধিত্বশীল দলগুলো থেকে একজন করে নিয়ে একটি সর্বদলীয় ইসি গঠন করুন। অন্যথায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অবস্থার প্রেক্ষিতে জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলবে, তারপরেও জনতার ভোট নিয়ে আর কোন ছলচাতুরী করতে দেয়া হবে না।</p>
<p>তিনি বলেন, দ্বিতীয় দফা ইউপি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশজুড়েই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু সরকারদলীয় স্থানীয় মাস্তানরা মনোনয়ন ফর্ম জমাদানে বাঁধা, প্রার্থীদের বাড়ি-ঘরে হামলা, ভয়-ভীতি দেখানোসহ নানা রকম মাস্তানি করেই যাচ্ছে। এখানে মানুষের মতামতের ভিত্তিতে নেতা নির্বাচনে অংশ নেয়া আমাদের অধিকার। নির্বাচন কমিশনকে বলবো, পাপের খাতা অনেক ভারি হয়েছে। শেষকালে এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু করে সেই পাপ খানিকটা মোচন করে যান।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, মামলা হলো অপরাধী সংশোধনের আইনি প্রক্রিয়া; বর্তমানে মামলা ভিন্নমত দমনের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। চলতি ঘটনাকে কেন্দ্র করেও বহু মামলা হয়েছে এবং তাতে হাজার-হাজার বেনামী আসামী দেখানো হয়েছে। কোন নিরীহ মানুষকে যাতে হয়রানী করা না হয়। দেশে বিভিন্ন কারাগারে শত শত ওলামায়ে কেরাম আটক অবস্থায় আছেন। মামলা মাথায় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন হাজার হাজার ওলামা। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ নাই, এমন ওলামা ও রাজনৈতিক বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দিন এবং মামলা প্রত্যাহার করুন।</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা হরণের জন্য তথ্য প্রযুক্তি আইনের যথেচ্ছা রাজনৈতিক ব্যবহার সর্ব-মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল করীম আকরাম এবং ঢাকা মহানগর উত্তর প্রচার সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পরশের বিরুদ্ধেও এ আইনে ভিত্তিহীন একটি মামলা করা হয়েছে। অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে পীর সাহেব চরমোনাই কর্মসূচী ঘোষণা করেন যে, আগামী ২৭ অক্টোবর দেশের চলমান সংকট ও তা থেকে উত্তরনের লক্ষে দেশের সর্ব-মহলের শীর্ষস্থানীয় পীর-মাশায়েখ, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী ও সমাজকর্মীদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/10/সাংবাদিক-সম্মেলন-২৩-১০-২১.doc">সংবাদ সম্মেলনে আমীরের লিখিত বক্তব্যের ডকুমেন্ট ফাইল</a></p>
<h4>ভিডিও</h4>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই’র পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য" width="1170" height="658" src="https://www.youtube.com/embed/CWMDWhleBKg?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe></div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/10/1.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Jun 2021 09:02:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=2744</guid>

					<description><![CDATA[জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে মানবিক বিবেচনায় দেশের সকল কওমী মাদরাসা অবিলম্বে খুলে দেওয়া, মুসলমান সন্তানদের পবিত্র কুরআন এবং ফরজ জ্ঞান শিক্ষার জন্যে সকল প্রাইমারী স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ, কুরবানীর পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ এবং দেশের প্রায় ৩ লাখ মসজিদের ১০ লাখ ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের চাকুরীবিধি ও বেতন কাঠামো ঠিক করার দাবী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে মানবিক বিবেচনায় দেশের সকল কওমী মাদরাসা অবিলম্বে খুলে দেওয়া, মুসলমান সন্তানদের পবিত্র কুরআন এবং ফরজ জ্ঞান শিক্ষার জন্যে সকল প্রাইমারী স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ, কুরবানীর পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ এবং দেশের প্রায় ৩ লাখ মসজিদের ১০ লাখ ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের চাকুরীবিধি ও বেতন কাঠামো ঠিক করার দাবী জানানো হয়েছে।</p>
<p>আজ বেলা ১২ টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী।</p>
<p>কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, শায়খুল হাদীস মাওলানা হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মাওলানা কামাল উদ্দিন সিরাজ, মুফতি আশরাফ আলী নূরী, মুফতি ওয়ালী উল্লাহ, মাওলানা মোরতুজা কাসেমী, মুফতি আক্তারুজ্জামান, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, মাওলানা রফিকুন্নবী হক্কানী, মাওলানা শাহজাহান হাবিবি, মাওলানা বাসির মাহমুদ প্রমূখ।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে আল্লামা ফয়েজী বলেন, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ বাংলাদেশের সকল ধারার ওলামায়ে কেরামের সম্মিলিত মঞ্চ। ইসলামী ইতিহাসের চিরন্তন ধারা ও ঐতিহ্য অনুসারে উম্মাহর কল্যাণকামীতা, পথপ্রদর্শন ও জনমানুষের হয়ে শাসক শ্রেণীর সাথে ভারসাম্য রক্ষা করার উদ্দেশ্যে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ গঠিত হয়েছে। আধুনিক পরিভাষায় বললে, ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ একটি “সিভিল সোসাইটি” বা নাগরিক সংঘ। যারা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে জনতার কণ্ঠ হিসেবে কাজ করে।</p>
<p>তিনি বলেন, কওমি মাদরাসা আর সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঝে চরিত্রগত মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। কওমি মাদরাসা শিক্ষা প্রদানের সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে। ফলে কওমি মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরিতে অবদান রাখে। করোনার এই দুঃসময়ে যখন মানুষের খাদ্য সংকট চরমে; এমনি মুহূর্তে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর খাদ্য ও আবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করে রাখা অমানবিক।</p>
<p>তিনি বলেন, সরকার এতিমখানা চালু রাখার নির্দেশনা জারি করেছে। এটা ইতিবাচক। এই নির্দেশনার আওতায় সকল কওমি মাদরাসাও অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। কারণ, প্রতিটি কওমি মাদরাসায় এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং-এর ব্যবস্থা আছে। তা সত্বেও কওমি মাদরাসা বন্ধ করে হাজার হাজার এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের খাদ্যঝুকির মধ্যে ফেলা হয়েছে। এটা সামাজিক অস্থিরতাও তৈরি করছে। এসকল মানবিক ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে দেশের সকল কওমি মাদরাসা খুলে দেওয়ার মাধ্যমে লাখ লাখ শিক্ষার্থী, এতিম ও অসহায় মানুষের আবাসন ও খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন করার মূল লক্ষ্যই হলো, সকল শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠান থেকে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা পাবে। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার অন্য ধারাগুলো এই লক্ষ্য থেকে অনেকটাই বিচ্যুত। প্রাইভেট পড়ানো, কোচিং ও নোট ব্যবস্থার দৌরাত্ম্য শিক্ষাব্যবস্থায় সর্বজন বিদিত ব্যাধি। অপরদিকে কওমি মাদ্রাসা এখনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আদর্শ মান ধরে রেখেছে। একমাত্র কওমী মাদ্রাসাতেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হয়। এখানে কোন প্রাইভেট পড়ানো, কোচিং ও নোট বাণিজ্য হয় না। শিক্ষকগণ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠানে মনোনিবেশ করেন এবং তাদের আয় উপার্জনও সম্পুর্ণভাবে প্রতিষ্ঠান প্রদেয় বেতন-ভাতার উপর নির্ভর করে।</p>
<p>বর্তমানে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে তাদের আয়-উপার্জন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে আছে। উপার্জনের জন্য বারোয়ারি ধান্দা না করে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় একনিষ্ঠতার এই শুদ্ধবাদীতাই যেন কওমি শিক্ষকদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, নির্ভেজাল শিক্ষানিষ্ঠ শিক্ষকদের শিক্ষানুরাগকে সম্মান করে এবং তাদের মানবিক দিক বিবেচনা করে অবিলম্বে সকল কওমি মাদরাসা খুলে দিন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে পর্যায়ক্রমে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে দিন।</p>
<p>মডেল মসজিদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রজেক্টকে আমরা সাধুবাদ জানাই। এমন একটি মহৎ কাজের জন্য বর্তমান সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। একইসাথে মডেল মসজিদগুলোকে সবদিক থেকে মডেল মসজিদে রূপান্তর করা এবং সামাজিক সুফল নিশ্চিত করতে বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের সাথে পরামর্শ করে আমরা সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবনা পেশ করছি।</p>
<p>* মডেল মসজিদের জনবল নিয়োগে ওলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে নিয়োগ বোর্ড গঠন করতে হবে; যাতে অনৈতিক পন্থা অবলম্বন এবং কোনরকম দুর্নীতি ছাড়াই যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করা যায়।<br />
* মডেল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য যে বেতন কাঠামোর প্রস্তাব করা হয়েছে; তা রীতিমতো অসম্মানজনক ও বৈষম্যমূলক। ইমাম পদের যোগ্যতা হিসেবে হাফেজ, দাওরা/ কামিল, মুফতি, মুহাদ্দিস চাওয়া হয়েছে।<br />
মাস্টার্স ও উচ্চতর ডিগ্রির বিপরীতে যে বেতন-কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে, তা কিছুতেই সুবিবেচনা প্রসূত নয়। মডেল মসজিদের ইমাম-খতিবদের জন্য প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের মর্যাদা ও বেতন-ভাতা, মুয়াজ্জিনদের জন্য ২য় শ্রেণি এবং খাদেমদের জন্য ৩য় শ্রেণির মর্যাদা ও সুযোগ সুবিধা প্রদানের দাবী জানাচ্ছি।</p>
<p>* ৫৬০ টি মডেল মসজিদের বাকিগুলোর নির্মাণ কাজ তদারকির জন্য ওলামাদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করার আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ, মসজিদ নির্মাণে ইতোমধ্যেই দুর্নীতির কথা শোনা যাচ্ছে; যা দুঃখজনক।<br />
* এখানে প্রসঙ্গত: মসজিদ আল্লাহর ঘর। আমরা আশা করতে চাই, এই মসজিদ কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই নির্মাণ করা হয়েছে। সেজন্য আমরা আশা করব, এই মসজিদকে দলীয় রাজনৈতিক প্রচারণার উপাদান বানানো হবে না। যদি ইখলাস থাকে, তাহলে হাজার বছর পরেও মানুষ এর নির্মাতাকে মনে রাখবে। আর রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি থাকলে, মসজিদ এ ‘যেরারের’ ইতিহাস মনে করিয়ে দিতে চাই।</p>
<p>কুরবানীর চামড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এদেশ মুসলমানপ্রধান হওয়ায় পবিত্র ঈদুল আজহার সময় প্রচুর গরু-ছাগল কুরবানি হয়। এছাড়া সারাবছরই এসব পশুর গোশত ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে। ফলে দেশে চামড়ার উৎপাদন ও সরবরাহ ক্রমেই বাড়ছে। ১৯৯০-পরবর্তী সময়ে ওয়েট ব্লু উৎপাদনের সীমিত পরিসর পেরিয়ে ক্রাস্ড ও ফিনিস্ড লেদার, জুতা, ব্যাগ ও অন্যান্য চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে চামড়া খাতের রপ্তানিতে পণ্য বৈচিত্র এসেছে। বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য বিদেশেও পরিচিতি পায় এবং দ্বিতীয় বৃহৎ রপ্তানি পণ্য হিসাবে পরিগণিত হয়। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে সরকারের ভুল নীতি ও সিদ্ধান্তহীনতায় রপ্তানি আয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থান হারিয়ে চামড়া খাত তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দরিদ্র জনগোষ্ঠির ওপরে এবং কওমী মাদ্রাসার ওপরে।</p>
<p>কুরবানীর চামড়া গরীবের হক। দেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোর আয়ের বড় একটি খাত এই কুরবানীর চামড়া। আজকের সংবাদ সম্মেলন থেকে আমরা জোর দাবী জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে চামড়া খাতের অব্যবস্থাপনা, সিদ্ধান্তহীনতা দূর করে, চামড়া শিল্পকে শক্তিশালী করুন। আর এবারের জরুরী অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে কাঁচা চামড়া রপ্তানীর অনুমোদন দিন। একই সাথে কাঁচা চামড়া নিয়ে অবৈধ কারসাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করতে হবে এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে যাতে ট্যানারীগুলো চামড়া ক্রয় করে, তার যথাযথ ব্যবস্থা করতে হবে।</p>
<p>ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন কাঠামো ও চাকুরী বিধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনগণ মানুষের ধর্মীয় অপরিহার্য বিধান আঞ্জাম দেন। অথচ তাদের বেতন-ভাতা নিয়ে নৈরাজ্যের চূড়ান্ত হয়। কোন নিয়ম নীতি ছাড়া খামখেয়ালি ভাবে তাদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ করা হয়। দেশের প্রায় ৩ লাখ মসজিদে কমবেশি ১০ লাখ মানুষের কর্মক্ষেত্র। তাদের বেতন-ভাতা ও পেনশন এমন বিশৃংখল হওয়া দায়িত্বশীল রাষ্ট্র ধারণার খেলাফ। সেজন্য ওলামাদের সমন্বয়ে দেশের সকল মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য অবিলম্বে চাকুরী বিধি ও জাতীয় বেতন কাঠামো নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছি।</p>
<p>আলেমদের মুক্তি প্রসঙ্গে আল্লামা ফয়েজী বলেন, জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ আজকের সংবাদ সম্মেলন থেকে আটককৃত সকল নিরপরাধ আলেম-ওলামাদের মুক্তির দাবি করছে।</p>
<p>ধর্মীয় ফরজ শিক্ষার ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকল মুসলমানদের জন্য কুরআন ও প্রয়োজনীয় মাসআলা শেখা ফরজ। রাষ্ট্রের উচিত নাগরিকদের বিশ্বাস মতে সকল অপরিহার্য বিষয়াবলীর আয়োজন করা। সেই বিবেচনাতে দেশের সকল প্রাইমারি বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের কোরআন ও ফরয ইলম শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে শিক্ষার সকলস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/06/সাংবাদিক-সম্মেলন-ওলামা-মাশায়েখ-15-6-21.doc">সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যের ডকুমেন্ট ফাইল</a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/06/image.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে ৩ জুন ২০২১ দেশব্যাপী (জেলা ও মহানগর) মানববন্ধন</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81-2/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 May 2021 10:25:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[চলমান কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা সংস্কার]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=2544</guid>

					<description><![CDATA[৩০ মে ২০২১ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সংবাদ সম্মেলন থেকে দলের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) ঘোষিত কর্মসূচি- * অবিলম্বে দেশেরসকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে ৩ জুন ২০২১ বৃহস্পতিবার, সকাল ১১টায় দেশব্যাপী (জেলা ও মহানগর) মানববন্ধন]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>৩০ মে ২০২১ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সংবাদ সম্মেলন থেকে দলের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) ঘোষিত কর্মসূচি-</p>
<p>* অবিলম্বে দেশেরসকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে ৩ জুন ২০২১ বৃহস্পতিবার, সকাল ১১টায় দেশব্যাপী (জেলা ও মহানগর) মানববন্ধন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/04/iab-program.jpeg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে ২ জুন ২০২১ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 May 2021 10:25:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[চলমান কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা সংস্কার]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=2542</guid>

					<description><![CDATA[৩০ মে ২০২১ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সংবাদ সম্মেলন থেকে দলের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) ঘোষিত কর্মসূচি- * অবিলম্বে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে ২ জুন ২০২১ বুধবার, সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>৩০ মে ২০২১ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সংবাদ সম্মেলন থেকে দলের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) ঘোষিত কর্মসূচি-</p>
<p>* অবিলম্বে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে ২ জুন ২০২১ বুধবার, সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/04/iab-program-blue.jpeg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>ইসলামী আন্দোলন-এর সংবাদ সম্মেলনে ৩দিনের কর্মসূচি ঘোষণা</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 May 2021 10:14:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গণআন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[লিখিত বক্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=2480</guid>

					<description><![CDATA[ইসরাইলের সাথে গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা, ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট ও শিক্ষাখাত ধ্বংসের ষড়যন্ত্র থেকে সরে আসতে হবে &#8211; পীর সাহেব চরমোনাই [ পোস্টের নিচের দিকে ভিডিও দেয়া আছে ] ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ইসরাইলের সাথে গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা, ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট ও শিক্ষাখাত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<blockquote>
<h1>ইসরাইলের সাথে গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা, ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট ও শিক্ষাখাত ধ্বংসের ষড়যন্ত্র থেকে সরে আসতে হবে</h1>
<p>&#8211; পীর সাহেব চরমোনাই</p></blockquote>
<p><strong><em>[ পোস্টের নিচের দিকে ভিডিও দেয়া আছে ]</em></strong></p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ইসরাইলের সাথে গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা, ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট ও শিক্ষাখাত ধ্বংসের ষড়যন্ত্র থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে।</p>
<p>আজ রোববার দুপুরে পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্ট থেকে “একসেপ্ট ইসরাইল” শব্দ বাদ, আসন্ন জাতীয় বাজেট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়াসহ দেশব্যাপী চলমান জেল-জুলুম ও মামলা প্রসঙ্গে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন।</p>
<p>যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, নায়েবে আমীর আল্লামা আব্দুল হক আজাদ, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহজ্ব খন্দকার গোলাম মাওলা, আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব আমনিুল ইসলাম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম ও হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুুল কাইয়ূম, জিএম রুহুল আমীন, উপাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা শেখ ফজুলল করীম মারূফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মাওলানা নেছার উদ্দিন, এডভোকেট লুৎফুর রহমান শেখ, এড. শওকত আলী হাওলাদার, মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, ছাত্রনেতা নূরুল করীম আকরাম প্রমুখ।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন পীর সাহেব চরমোনাই। কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২ জুন ঢাকায় মানববন্ধন, ৩ জুন দেশব্যাপী প্রতিটি জেলা ও মহানগরে মানববন্ধন, পাসর্পোট থেকে ‘একসেপ্ট ইসরাইল’ বাদ দেয়ার প্রতিবাদ ও তা সংযোজনের দাবীতে ৫ জুন ঢাকায় বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইট থেকে বিক্ষোভ মিছিল।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার ৫০তম বছরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল দেশপ্রেমিক বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন পীর সাহেব চরমোনাই। ওলামা ও রাজনৈতিক কর্মীদের মামলা প্রসঙ্গ তিনি বলেন, আটককৃত নিরপরাধ সকল ওলামায়ে কেরাম এবং তুচ্ছ কারণে বা হয়রানীমূলক মামলায় আটককৃত অন্যান্য সকল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবি করেন। অন্যথায় সরকার ওলামা নিপীড়ক শক্তি হিসেবে ইতিহাসে কলঙ্কিত হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরকার পক্ষ সবসময়ই নিয়মতান্ত্রিক বাদ-প্রতিবাদকে দমন-পীড়ন করে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয়। তার জের ধরে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হামলা মামলা দিয়ে নির্যাতন ও হয়রানি করে। সরকারের ফ্যাসিবাদী এই চরিত্রের সর্বশেষ শিকার ওলামায়ে কেরাম। নরেন্দ্র মোদীর আগমনের প্রেক্ষিতে জনমনের ক্ষোভ প্রকাশ ও তাতে সরকারের দমন-পীড়নমূলক আচরণের প্রেক্ষিতে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে পবিত্র রমজানে যেভাবে ওলামায়ে কেরামকে আটক করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে, তাতে এ দেশের মুসলমানদেরকে ১৮৫৭ এর সিপাহী বিপ্লবোত্তর ওলামাদের সাথে সা¤্রাজ্যবাদী ইংরেজদের আচরণকে মনে করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, উলামায়ে কেরাম সবচেয়ে শান্ত ও নির্ঝঞ্জাট জীবন যাপন করেন। তাদেরকে ঠুনকো অযুহাতের ভিত্তিতে মামলা দিয়ে জর্জরিত করা এবং গ্রেফতার করে দিনের পর দিন রিমান্ডে নেয়ার ফলে জনমনে এই সরকার ইসলাম বিরুদ্ধ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।</p>
<p>ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অবস্থান সাধুবাদ যোগ্য। বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের জন মানুষের আবেগ অনুভূতিকে আমলে নিয়ে জনতার পক্ষ থেকে প্রস্তাব করছি যে, আসন্ন জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ইসরাইলের সাম্প্রতিক বর্বরতার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাশ, জাতিসংঘ অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন পুন:ব্যক্ত করে ইজরাইলের নিন্দা করতে হবে। আসন্ন জাতিসংঘ অধিবেশন চলাকালে স্বাধীন সার্বভৌম একক ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্যও বাংলাদেশ সরব ভূমিকা পালন করবে। মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাস মুক্তকরণ কল্পে বহুজাতিক মুসলিম সেনাবাহিনী গঠনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।</p>
<p>পাসপোর্ট প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ফিলিস্তিনে ইজরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে যখন গোটা বিশ্বের মানুষ সোচ্চার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও যখন প্রথাগত ইসরাইলি পক্ষপাতের বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক নেতৃত্ব জোড়ালো প্রতিবাদ গড়ে তুলেছে, এ সময় বাংলাদেশের পাসপোর্ট থেকে ৫০ বছরের ঐতিহ্য ছুড়ে ফেলে “একসেপ্ট ইজরাইল” শব্দদ্বয় বাদ দেয়া অশুভ ইঙ্গত বহন করে। স্বাধীনতার শুরু থেকে ৫০টি বছর ধরে অনুসৃত একটি রীতি, যে রীতির সাথে আমাদের মৌলিক চেতনা সম্পৃক্ত; এমন একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণে জন পরিসরে ও সংসদে আলোচনা হয় নাই; বিষয়টি আলোচনায় আসার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি বক্তব্য আরো হতবাক করেছে। কারণ, তিনি আন্তর্জাতিক মান রক্ষার যে যুক্তি দিয়েছেন, তা কেবল অ-যুক্তিই নয় বরং একই সাথে অসত্য যুক্তি। পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় “একসেপ্ট ইজরাইল” শব্দদ্বয় কোন বাধা নয়। এর পক্ষে অনেক যুক্তি থাকলেও সহজ অর্থে কেবল এতটুকু উল্লেখই যথেষ্ট হবে যে, এই শব্দদ্বয় সহই মালয়েশিয়ার পাসপোর্ট বিশ্বের ১৯তম শক্তিশালী পাসপোর্ট।</p>
<p>বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩ জুন জাতীয় বাজেট ঘোষিত হবে। বাজেট হলো একটি দেশের আগামী একবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য জনমানুষের দেয়া টাকা খরচের পরিকল্পনা। এখানে আশা করা বাঞ্ছনীয় যে, বাজেট প্রণয়নের আগে জনমানুষের সাথে আলাপ করা হবে। আদতে তা হয় না। অর্থ মন্ত্রণালয় কিছু ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সাথে আলাপ করে, সমাজ ও বাস্তবতা বিমুখ আমলাদের দিয়ে বাজেট তৈরি করে। ফলে আমাদের বাজেটের কলেবর বাড়ে, কথার ফুলঝুরি উপচে পরে, কিন্তু কাজের কাজ কমই হয়।</p>
<p>বাজেট সম্পর্কে মৌলিক কিছু দাবী উপস্থাপন করছি-<br />
১. বাজেট উপস্থাপনের আগে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের সঙ্গে আলাদা করে আলোচনা করতে হবে।<br />
২. কল্পনাবিলাস বাদ দিয়ে রাষ্ট্র যন্ত্রের সক্ষমতা পরিমাপ করে সে অনুযায়ী বরাদ্দ দেয়া। আমরা জানি গত অর্থবছরে চিকিৎসা গবেষণায় টাকা রাখা হলেও তার কোন টাকা ব্যবহার হয় নাই। তারপরেও এবছর আবারো চিকিৎসা গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এমন উদাহরণ আরো অনেক দেয়া যাবে। সক্ষমতাহীন এমন বরাদ্দ দুর্নীতির রাস্তা খুলে দেয়।<br />
৩. ঋণ ও অনুদান নির্ভর বাজেট থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। স্বাধীনতার ৫০ বছরের কোনো দেশের পক্ষে ঋণ ও অনুদান নির্ভর বাজেট শোভা পায় না।<br />
৪. শিক্ষা ও জনসম্পদ উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে। এখানে প্রসঙ্গত বলে রাখি, বাজেটের বরাদ্দ দেখানোর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা কাম্য। শিক্ষাখাতে যে বরাদ্দ দেখানো হয়, তার সাথে অন্যখাতও জুড়ে দেয়া হয়। আমরা মনে করি, এই চতুরতা বাদ দেয়া উচিৎ।<br />
৫. আমরা গত বাজেটেও দেখেছি যে, বাজেটের ১৫% এর মতো অর্থ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হচ্ছে। এটা শোভনীয় না। এটাকে যুক্তিসংগত করতে হবে।<br />
৬. থোক বরাদ্দ কমাতে হবে।<br />
৭. এডিপি বাস্তবায়নের হার খুবই কম। আমলাদের অদক্ষতার কারণেই এটা হয়। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া দরকার।<br />
৮. প্রতিরক্ষা ব্যয় কমাতে হবে। দেশের উল্লেখযোগ্য অংশের নাগরিককে মৌলিক প্রয়োজন পূরণের ব্যবস্থা না করে প্রতিরক্ষায় অস্বাভাবিক ব্যয় অগ্রহণযোগ্য। প্রতিরক্ষা ব্যয় কমিয়ে জনস্বার্থ ও সামাজিক সুরক্ষা নির্ভর বাজেট দিতে হবে। সামরিক বাহিনীর ব্যয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও যৌক্তিকতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোকে একটি উৎপাদনশীল বাহিনীতে পরিণত করে গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, জনগণের পক্ষে জনস্বার্থে যে প্রস্তাব তুলে ধরেছি, আশাকরি সরকার এগুলোকে আমলে নিয়ে আশু সমাধানের উদ্যোগ নিবে। বিশেষত: সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে অশুভ গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা,ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট, শিক্ষা ধ্বংসের ষড়যন্ত্র ও নতজানু ভারত নির্ভর আত্মঘাতী পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে আসতে হবে। স্বাস্থ্যখাত ধ্বংসে জড়িত মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের সরাতে হবে। অন্যথায় দেশের প্রতিনিধিত্বশীল সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে পরামর্শ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।</p>
<p>ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি আকার ধারণ করার পরে প্রায় দুই বছরে হতে চললো, টিকা আবিষ্কার ও গণ-টিকাদান প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে প্রায় অর্ধ বছর হতে চললো। কিন্তু বাংলাদেশে টিকা প্রাপ্তি ও বিতরণ প্রক্রিয়া ভুল সিদ্ধান্ত, অদক্ষতা ও নৈরাজ্যের কবলে পড়ে অনিশ্চিত হয়ে আছে। যেই ভারত সামান্য পেঁয়াজ নিয়ে নোংরা রাজনীতি করে, টিকার জন্য সেই ভারতের ওপর একক নির্ভরতা চরম পর্যায়ের বোকামি ছিল। যুক্তিহীন নতজানু ভারত নির্ভরতার চড়া মূল্য দিচ্ছে বাংলাদেশ। টিকা প্রাপ্তিতে ভারতের বিশ্বাসঘাতকতার পরও টনক নড়েনি সরকারের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সরকার রাশিয়া ও চীনের থেকে টিকা সংগ্রহ করা নিয়েও টালবাহানা করেছে। স্বয়ং পররাষ্ট্রমন্ত্রীও স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের মতলববাজী সময়ক্ষেপণ ও দিধাদ্বন্দ্বের জন্য আক্ষেপ করেছেন এবং টিকা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আশংকা প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী দেড় বছরের মতো নিয়মিত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। এমন গুরুতর পরিস্থিতিতে টিকা সংগ্রহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতলববাজী সময়ক্ষেপণ, সিদ্ধান্তহীনতা এবং তারপরেও তারা বহাল তবিয়তে থাকা আমাদেরকে হতবাক করে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অশুভ শক্তি কি স্বয়ং সরকারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী? তারা কি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের চেয়েও ক্ষমতাবান? না কি স্বয়ং সরকারই এই অশুভ চক্রের অংশ? করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা, টিকা সংগ্রহ ও বিতরণ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অশুভ শক্তিকে চিহ্নিত করতে এবং তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে অবিলম্বে জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠন করতে হবে।</p>
<p>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, মহামারি করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। শিক্ষার সঙ্গে জড়িত সবকিছুতেই বিপর্যয় নেমে এসেছে। লাগাতার ১৫ মাস ধরে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। মাঝখানে কিছুদিন কওমি মাদরাসা চালু থাকলেও গত এপ্রিল থেকে আবারো তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আলিয়া মাদরাসাও খোলেনি গত ১৫ মাসে। স্কুল, কলেজ ও আলিয়া মাদরাসার সকল ধরনের পরীক্ষা বন্ধ। গত বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অটো পাস দেয়া হয়েছে। এ বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা এখনো হয়নি। পরীক্ষা হবে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিল ছেড়ে এবারও অটো পাসের অপেক্ষায়।</p>
<p>দেশের প্রায় ৪ কোটি ছাত্র-ছাত্রী নিয়মতান্ত্রিক লেখাপড়া থেকে শুধু বঞ্চিত হচ্ছে তাই নয়, অনেকের শিক্ষাজীবনই শেষ হয়ে গেছে। অনেকে নানারকম অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। মাদকাসক্ত হয়েছে অনেক ছাত্র-ছাত্রী। অনলাইনে পড়াশুনার অজুহাতে ছাত্র-ছাত্রীদের একটি বিপুল অংশ অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন গেমসে আসক্ত হয়ে গেছে। মোবাইল আসক্তি তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এসব বিপর্যয়তো শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সংক্রান্ত। এর বাইরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে আর্থিক বিপর্যয়েও লাখ লাখ পরিবার পথে বসেছে। সরকার বারবার বলছে, “আগে জীবন রক্ষা, তারপর শিক্ষা”। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে লাখ লাখ নন-এমপিও শিক্ষক বেকার হয়ে গেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু না থাকাতে তারা বেতন ভাতা পাচ্ছেন না। সম্মানিত শিক্ষকগণ চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সরকারের উদাসীনতা, অদূরদর্শিতা ও খামখেয়ালীতে দেশের শিক্ষাখাত আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার কিন্ডার গার্টেন এবং প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, দেশে লাখ লাখ পরিবার আছে যাদের জীবন জীবিকা শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। লাখ লাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেছে শিক্ষা উপকরণকে কেন্দ্র করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাতে সেসব ব্যবসায়ীরা আজ বিপর্যস্ত। তাদের দিকে সরকারেরও কোনো নজর নেই।</p>
<p>সরকার চাচ্ছে সবাইকে ভ্যাকসিন দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে। কিন্তু ভ্যাকসিন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সহসাই সবাই ভ্যাকসিন পেয়ে যাবে, এমন আশা করা যায় না।</p>
<p>আর সময় না বাড়িয়ে অতিদ্রুত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিন। এজন্য যা যা করণীয় তাই করুন। অন্যথায় সরকারের অদূরদর্শী ও আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ছাত্র-শিক্ষক, অভিভাবক এবং ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীগণকে সঙ্গে নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/06/সংবাদ-সম্মেলন-পাসপোর্ট-বাজেট-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-জেল-জুলুম-30-05-2021.doc">সংবাদ সম্মেলনে আমীরের লিখিত বক্তব্যের ডকুমেন্ট ফাইল</a></p>
<h4>ভিডিও</h4>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="পাসপোর্ট, আসন্ন বাজেট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেল-জুলুম ও মামলা প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন" width="1170" height="658" src="https://www.youtube.com/embed/cUR_wYe7n94?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe></div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/05/iab-news-30-05-2021-songbad-sommelon.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 23 Mar 2021 11:50:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সংগঠন]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[লিখিত বক্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=2181</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে তাদের দলীয় উৎসবে পরিণত করেছে &#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই [ পোস্টের নিচের দিকে ভিডিও দেয়া আছে ] স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে সর্বদলীয় জাতীয় কমিটি গঠন করে এই উৎসবকে সার্বজনীন করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। পীর সাহেব চরমোনাই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<blockquote>
<h4>আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে তাদের দলীয় উৎসবে পরিণত করেছে<br />
&#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই</h4>
</blockquote>
<p><strong><em>[ পোস্টের নিচের দিকে ভিডিও দেয়া আছে ]</em></strong></p>
<p>স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে সর্বদলীয় জাতীয় কমিটি গঠন করে এই উৎসবকে সার্বজনীন করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে তাদের দলীয় উৎসবে পরিণত করেছে। সরকার দমন-পীড়ন, হামলা-মামলা দিয়ে জনতার মাঝে বিভেদ তৈরি করে রেখেছে। একটি জাতীয় আনন্দঘন মুহুর্তকে এভাবে দলীয়করণ করার নিন্দা জানাচ্ছি। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আনন্দমুখর মুহুর্তে সরকার দেশের রাজধানীতে সকল প্রকার সম্মিলিত ও প্রকাশ্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কেবল রাষ্ট্রীয় এবং সরকার দলীয় অনুষ্ঠানে পরিণত করেছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর মুহুর্তে এমন নিষেধাজ্ঞা স্বাধীনতার মৌলিক চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। মানুষের রক্তে কেনা স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপনে সরকারের এমন বিধি-নিষেধ অত্যন্ত নিন্দনীয়। অবিলম্বে সকল বিধি-নিষেধ তুলে নিতে হবে।</p>
<p>আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টায় পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী ও সমকালীন জনগুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দলের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য খন্দকার গোলাম মাওলা, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাদের, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, মাওলানা শোয়াইব, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা নেছার উদ্দিন, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, এডভোকটে শওকত আলী হাওরাদার প্রমূখ।</p>
<p><strong>সংবাদ সম্মেলনে ৮দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়</strong><br />
১. ২৬ মার্চ ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলা/মহানগর, উপজেলা ও ইউনিয়নে পতাকা র‌্যালী।<br />
২. মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান<br />
৩. দেশের প্রতিটি জেলায় মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে আলোচনা সভা, সেমিনার আয়োজন<br />
৪. মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক শ্বেতপত্র প্রকাশ<br />
৫. আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ইশতেহার প্রকাশ<br />
৬. মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ দোয়া মাহফিল<br />
৭. ভোটাধিকারসহ জনগণের অন্যান্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনসচেতনতা তৈরী<br />
৮. বৈষম্যহীন, সুখী-সমৃদ্ধ ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জনমত গড়ে তোলা।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, মেহমানকে আপ্যায়ন করা ইসলামের রীতি। এমনকি সে যদি আপন পিতার হত্যাকারীও হয় তবুও। এটা ইসলামের সৌন্দর্য্য। সে হিসেবে বাংলাদেশে আমন্ত্রিত সকল বিদেশি মেহমানদের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিষয়টি আলাদা। তার সহিংস অতীত এবং ক্ষমতাগ্রহণের পরে ভারত জুড়ে তিনি যে ধর্মীয় সহিংসতা উস্কে দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশে তাকে স্বাগত জানানোর মতো কোনো পরিবেশ নেই।</p>
<p>নরেন্দ্র মোদি ভারতে বৈষম্য, সংখ্যালঘুদের ওপরে অত্যাচার-নিপীড়ন, ধর্মীয় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষকে পিটিয়ে মারা, কাশ্মীরের মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া এবং সিএ-এর মতো বর্ণবাদী আইন করে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভারতে বসবাস করা মানুষের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার মতো কাজ করছে। একই সাথে তিনি প্রতিবেশিদের সাথে সা¤্রাজ্যবাদী আগ্রাসী আচরণ করাসহ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার পরিপন্থী কার্যক্রমের প্রধান কুশিলবদের একজন।</p>
<p>বাংলাদেশের সীমান্তে প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যা, বাংলার মানুষের প্রাপ্য পানি নিয়ে অবৈধ কারসাজী, কুটকৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিক‚লে বাণিজ্য ঘাটতি জিইয়ে রাখা, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং আগ্রাসী বিনিয়োগ করে বাংলাদেশকে দুর্বল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহনে বাধ্য করা; ইত্যাদি কারণে নরেন্দ্র মোদিকে বাংলার মানুষ স্বাগত জানাতে পারে না। নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমন্ত্রিত হওয়ার নৈতিক যোগ্যতা রাখেন না। বরং নরেন্দ্র মোদির মতো উগ্র সাম্প্রদায়িক ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার এই মাইলফলকে উপস্থিত থাকা স্বাধীনতার মূল চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক।</p>
<p>তিনি বলেন, এদেশে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ একত্রে বসবাস করেছে। তাদের মাঝে সামাজিক ঝগড়া, ফাসাদ হলেও ধর্মকে কেন্দ্র করে গণ সাম্প্রদায়িকতা হয়নি। এমনকি এখানে গণধর্মান্তর ঘটেছে কোনো ধরণের সহিংসতা ছাড়া। হিন্দু প্রধান বাংলা মুসলিম প্রধান হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবেই।</p>
<p>সেই বাংলায় ইংরেজ আগমণের পর থেকে শুরু হয়ে সম্প্রতি সুনামগঞ্জের শাল্লা অবধি নানা সময়ে<br />
কথিত সাম্প্রদায়িক হানাহানির কথা শোনা যায় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে মুসলমান ও ইসলামপন্থীদের ওপরে দায় চাপানো হয়।</p>
<p>তিনি বলেন, কথিত সাম্প্রদায়িক হানাহানির প্রত্যেকটি ঘটনায় কিছু মিডিয়াতে প্রচুর পরিমানে তথ্য বিকৃতির ঘটনা ঘটে এবং প্রতিবারই ইসলামপন্থীদের ওপরে দায় চাপিয়ে স্বার্থান্বেষীরা স্বার্থ হাসিল করতে চায়। শাল্লাতেও একই নাটকের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। অনতিবিলম্বে কায়েমী স্বার্থবাদী বলয়ের বাইরের উলামায়ে কেরাম, সংখ্যালঘু প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের নাগরিকদের নিয়ে একটি নাগরিক তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার পেছনের স্বার্থান্বেষী অশুভচক্রকে খুঁজে বের করে শাস্তির মুখোমুখী করুন। অন্যথায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এমন একটি গণ-নাগরিক তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত অপরাধীদের সামাজিক বিচারের মুখোমুখী করবে, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের সকল ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার ঘোষণা দিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, প্রথম দফা নির্বাচনে নানাস্থানে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী এবং তাদের দলীয় মাস্তানরা আমাদের প্রার্থীদের হুমকি-ধমকি দিয়ে মনোনয়ন জমা দানে বাধা, মনোনয়ন প্রত্যাহারে চাপ প্রয়োগসহ নানা রকম আচরনবিধি বিরোধী ও অগণতান্ত্রিক অপকর্ম করেই যাচ্ছে।</p>
<p>নানা প্রতিকূলতা সত্যেও প্রথম পর্বে সারা দেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ২২৭জন চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে সক্ষম হয়েছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর আমাদের অনেক প্রার্থীকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনেকে নিজ নির্বাচনী এলাকায় যেতে পারছেন না। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে আরো হয়রানী করছে। আমি পরিস্কার করে বলতে চাই, এই ধারা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, বাক স্বাধীনতা, সুশাসন এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবীতে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, রাষ্ট্রের প্রধান কর্তব্য হলো, মানুষের খাদ্য সরবরাহ ঠিক রাখা এবং তা ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা। দুঃখের সাথে বলতে হয়, সরকার এ ক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম এখন আকাশচুম্বী। প্রতিদিন দাম বাড়ছে। সম্প্রতি কোনো কোনো পণ্যের দাম অল্প দিনের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সীমিত আয়ের মানুষ তাদের খাদ্য তালিকা থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান বাদ দিয়ে কোনমতে জীবন যাপন করছে। চাল-ডাল, সবজী ও তেলের দাম মানুষের নাগাল ক্ষমতার বাইরে। গরুর গোস্ত কিনে খাওয়া এখন সাধারণ মানুষের কাছে স্বপ্নের মতো। মুরগিও এখন নাগালের বাইরে চলে গেছে।</p>
<p>সামনে রমজান। রমজানে সমগ্র মুসলিম দেশে নিত্যপণ্যের দাম কমানো হয়। আর বাংলাদেশে দাম বাড়ানোর কুৎসিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়। দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ার পেছনে দ্রব্যের দুঃপ্রাপ্যতা নয় বরং সরকারের অব্যবস্থাপনায় চাঁদাবাজী, সিন্ডিকেট, অবৈধ কারসাজি ও মজুতদারিই প্রধানত দায়ী। সরকারের উচিৎ এগুলো বন্ধ করে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, সরকারই অনেক ক্ষেত্রে এসব অবৈধ কারসাজির সাথে জড়িত। আমরা অনতিবিলম্বে বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবী জানাচ্ছি। যে করেই হোক, দ্রব্যমূল্যকে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখুন।</p>
<p>স্বাধীনতার ৫০ তম বছরে এসেও বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার পায়নি, আজও সরকার পরিচালনায় জনমতকে বুটের তলায় পিষে ফেলা হয়। বিগত জাতীয় নির্বাচনসহ স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার যা করেছে, তাতে স্বাধীনতার মর্ম বিচ্যুত হয়েছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার মহড়া শুরু করেছে।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই প্রশ্ন রেখে বলেন, যে জাতি মাত্র ৯ মাসে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, সে জাতিকে কেন ৫০টি বছর দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের দেশের সীমানায় আটকে থাকতে হলো? কেন বাংলাদেশ উন্নত দেশ না হয়ে উন্নয়নশীল দেশ হচ্ছে? জরিপ বলছে, দেশে অতি-গরীব মানুষের সংখ্যা পৌনে ২ কোটি; ১০ ভাগ ধনী মানুষের আয় দেশের মোট সম্পদের ৩৮ ভাগ, আর ১০ ভাগ গরীব মানুষের আয় দেশের মোট সম্পদের ১ ভাগেরও কম।</p>
<p>ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম এর সর্বশেষ সামাজিক উত্তরণ সূচকে বাংলাদেশ ৮২ টি দেশের মধ্যে ৭৮ তম স্থানে। অর্থাৎ সবার জন্য সুষম উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো তলানির দেশগুলোর একটি। দেশের ৩৯ ভাগ ¯œাতকোত্তর বেকার। বিশ্বব্যাংকের মানবসম্পদ সূচকে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের শিশুরা তার সম্ভাবনার মাত্র ৫০ ভাগ কাজে লাগাতে পারছে।</p>
<p>বাকি অর্ধেক সম্ভাবনাই নষ্ট হচ্ছে। ইকোনোমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের করা গণতান্ত্রিক সূচকে বাংলাদেশ ৮৮তম, মানব সম্পদ সূচকে ১২৩ তম, মানব উন্নয়ন সূচকে ১৩৫ তম, বিশ্ব ব্যাংকের বানিজ্য সহজিকরণ সূচকে ১৬৮ তম, দূষিত বায়ুর সূচকে ১ম, দূর্নীতিতে ১৪ তম, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে ১৫১ তম।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বৈশ্বিক সূচক উপস্থাপন করি তাহলে দেখা যাবে, সকল ইতিবাচক সূচকে বাংলাদেশ তলানীতে আর নেতিবাচক সূচকে বাংলাদেশ শীর্ষে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে এই হলো বাস্তবতা। এমন পরিস্থিতি কাম্য ছিলো না।</p>
<p>আজকের এই আনন্দঘন উৎসবমুখর ক্ষণে দাড়িয়ে কারো প্রতি কোন অভিযোগ না করে, যারা অতিতে ভালো কাজ করেছেন, তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আর যারা খারাপ কাজ করেছেন, তাদের বিচার জনগণের হাতে ছেড়ে দিচ্ছি।</p>
<p>পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণে বাঙালীর হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য বিধৌত ইসলামী মূলনীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার করছে। দেশকে সুখি সমৃদ্ধ উন্নত দেশে পরিণত করার প্রতিজ্ঞা করছে এবং দেশ থেকে দূর্নীতি, দুঃশাসন, অন্যায় ও অবিচার দূর করে ইসলামের সুমহান আদর্শের আলোকে দেশকে সবার জন্যে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/03/Speech-of-Press-Conference-Amir-of-IAB-23-03-2021.docx">সংবাদ সম্মেলনে আমীরের লিখিত বক্তব্যের ডকুমেন্ট ফাইল</a></p>
<h4>ভিডিও</h4>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="মোদির সফর ইস্যুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সংবাদ সম্মেলন" width="1170" height="658" src="https://www.youtube.com/embed/95owC4t0FRc?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe></div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/03/Image.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/

Page Caching using Disk: Enhanced 

Served from: www.islamiandolanbd.org @ 2026-04-16 13:23:35 by W3 Total Cache
-->