<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>লিখিত বক্তব্য &#8211; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ</title>
	<atom:link href="https://www.islamiandolanbd.org/category/written-statement/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.islamiandolanbd.org</link>
	<description>শুধু নেতা নয় নীতির পরিবর্তন চাই</description>
	<lastBuildDate>Wed, 01 Feb 2023 06:50:07 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.6.5</generator>

<image>
	<url>https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/03/cropped-icon.png</url>
	<title>লিখিত বক্তব্য &#8211; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ</title>
	<link>https://www.islamiandolanbd.org</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>শিক্ষা সিলেবাস ২০২৩-এর অসঙ্গতি বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%a9-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jan 2023 12:00:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[লিখিত বক্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=4090</guid>

					<description><![CDATA[ভুলেভরা পাঠ্য বই বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে &#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, শিক্ষা সিলেবাসের অসঙ্গতি, ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছি। আমাদের এ ধারাবাহিক কার্যক্রমকে শিক্ষামন্ত্রী ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে মিথ্যাশ্রয়ী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করেছিলো। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<blockquote><p>ভুলেভরা পাঠ্য বই বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে<br />
&#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই</p></blockquote>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, শিক্ষা সিলেবাসের অসঙ্গতি, ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছি। আমাদের এ ধারাবাহিক কার্যক্রমকে শিক্ষামন্ত্রী ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে মিথ্যাশ্রয়ী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করেছিলো। এখন শিক্ষামন্ত্রীই মিথ্যুক প্রমাণিত হয়েছেন। অতএব শিক্ষামন্ত্রী এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে পারেন না।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ২০২৩-এর মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে জনগণের বোধ-বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় স্বার্থকে উপেক্ষা করে সাম্প্রদায়িক উষ্কানি, তথ্য ও ইতিহাস বিকৃতি, বিতর্কিত ও অবৈজ্ঞানিক মানব সৃষ্টিতত্ত্ব অনুপ্রবেশ, ট্রান্সজেন্ডার, পৌত্তলিক ও ব্রাহ্মণ্যবাদী সংস্কৃতির আধিপত্য, ইসলামকে ভিনদেশি সাব্যস্ত করা এবং প্লেজারিজমের মত নিন্দনীয় কাজের আশ্রয় নেয়া হয়েছে; যা জাতি হিসাবে আমাদের জন্য উদ্বেগ ও হতাশার।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা সিলেবাসে ভুলেভরা বই বাজেয়াপ্ত করার দাবি এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবিতে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সারাদেশে প্রতিটি জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল ও ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সুশীল সমাজের সাথে গোল টেবিল বৈঠক কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের আমীর।</p>
<p>রবিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৩) বেলা সাড়ে ১২টায় পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শিক্ষা সিলেবাস ২০২৩-এর অসঙ্গতি বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব প্রিন্সিনপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা খলিলুর রহমান, বরকত উল্লাহ লতিফ, নূরুল করীম আকরাম।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, পাঠ্যপুস্তক নিয়ে দেশের সর্বস্তরে বহুমাত্রিক আলোচনা উঠেছে। ভিন্ন ভিন্ন দিক নিয়ে অনেকেই কথা বলেছেন। পাঠ্যপুস্তকে বিদ্যমান সমস্যাসমূহ-</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সুলতানি আমলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বিকৃতি:<br />
সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুসন্ধানী বইয়ের পাঠ্যসূচির অধিকাংশ অধ্যায়ে আদিম সভ্যতা, হিন্দু ও বৌদ্ধধর্মের শাসন ইতিহাস এবং নগরায়ণের কথা বলা হয়েছে এবং শেষের অধ্যায়ে অল্প পরিসরে সুলতানি আমলের ইতিহাস আলোচিত হয়েছে। বাংলায় প্রায় ৬০০ বছরের মুসলিম শাসনকে আগেকার মৌর্য ও গুপ্ত সাম্রাজ্য, সেন, পাল আমল এবং পরের ব্রিটিশ ও পাকিস্তানী শাসনের সাথে তুলনা করা হয়েছে। সবগুলোই “বিদেশীদের শাসন”, সবাই নিজেদের “ভাষা, ধর্ম, রাজনীতি এখানকার মানুষের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্পষ্ট করে মুসলিম শাসনামলকে দখলদারিত্ব বলা হয়েছে।</p>
<p>হিন্দুধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ বেদ-কে এক ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে গৌতম বুদ্ধের জীবনীর অনেক অনুষঙ্গ আনা হয়েছে; যা সপ্তম শ্রেণির জন্য জরুরি নয়। “চলো আমরা আমাদের বৌদ্ধধর্মের বন্ধুদের কাছ থেকে/ বৌদ্ধধর্মের বই থেকে জাতকের গল্প পড়ে নেই” শিরোনামে শিক্ষার্থীদের ব্যাবহারিক কাজ দেয়া হয়েছে। পাল ও সেন আমলকে ইতিহাসের প্রাচীন যুগ বলে মুসলিম শাসনকে বহিরাগত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সুলতানি শাসনব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হিসেবে জবরদখল করে শরীয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা, একনায়কতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক সুবিধাজনক অবস্থান, বর্ণভেদ চালু করা, নারীদের শোচনীয় অবস্থা ইত্যাদি বিষয় চিত্রায়ন করা হয়েছে।</p>
<p>সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ বইয়ে সুলতানী আমল নিয়ে পক্ষপাতমূলক আলোচনা করা হয়েছে। মৌর্য, গুপ্ত এমনকি ব্রিটিশ শাসনকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে সুলতানী শাসনের উল্লেখ তার চেয়ে আলাদা। মুসলমানদের আগমনকে দখলদারিত্ব হিসাবে চিত্রায়িত করা হয়েছে। মুসলিম আগমনের সাথে বিহার-পাঠাগার ধ্বংসের সম্পর্ক দেখানো হয়েছে; যা ভারত গবেষকদের গবেষণায় মিথ্যাচার হিসাবে প্রমাণিত। যেখানে অন্য শাসনামলের ইতিবাচক দিকে বেশি আলোকপাত করা হয়েছে, সেখানে মুসলিম শাসনের নেতিবাচক দিকে মনোযোগ দেয়া হয়েছে বেশি। অন্যদিকে তাদের অবদানগুলো হয়েছে উপেক্ষিত। যে সমস্যা মৌর্য, গুপ্ত, সেন এবং সুলতানী শাসন সব আমলেই ছিল, বাকিদের বেলায় সেটা আলোচনা করা হয়নি। কিন্তু মুসলিম শাসনের উপর সেই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিরপেক্ষভাবে পড়লে যে কারো চোখে এই মুসলিম বিদ্বেষ চোখে পড়বে।</p>
<p>পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির বইগুলোর বিভিন্ন অধ্যায়ে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাংলার বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের কথা আনা হয়েছে। কিন্তু এখানেও এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে ইসলামী আন্দোলনগুলোকে। শহীদ তিতুমীর-এর বাঁশের কেল্লা এবং ফরায়েজী আন্দোলনের কথা একেবারেই অনুপস্থিত। কোথাও কোন উল্লেখ নেই ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লবে আলেমগণের ভূমিকা এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস।</p>
<p>অন্যদিকে বিভিন্ন শ্রেণির বইতে বারবার কলকাতা কেন্দ্রিক বেঙ্গল রেনেসাঁ (নবজাগরণ), স্বদেশী আন্দোলন এবং ক্ষুদিরাম-সূর্যসেনদের সশস্ত্র আন্দোলনের কথা এসেছে। বাংলার ইসলামী আন্দোলনের একমাত্র উল্লেখ পাওয়া যাচ্ছে নবম-দশম শ্রেণির “ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা” বইতে। সেখানেও বৈষম্যটা স্পষ্ট। ফকির বিদ্রোহ, তিতুমীরের আন্দোলন, খিলাফত আন্দোলন এক-এক পৃষ্ঠা করেও আলোচনা পায়নি। ফরায়েজী আন্দোলনের আলোচনা টেনেটুনে দেড় পৃষ্ঠা পেয়েছে। অন্যদিকে কলকাতার বেঙ্গল রেনেসাঁ নিয়ে হয়েছে বিস্তারিত আলোচনা। প্রীতিলতাদের “সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন” নিয়ে আলোচনা হয়েছে চার পৃষ্ঠা জুড়ে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> বাংলার ইসলামী পরিচয়কে আড়াল করা:<br />
মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের পাশাপাশি বাংলার ইসলামী পরিচয় যথাসম্ভব আড়াল করা হয়েছে। বাংলায় ইসলামের আগমনের ইতিহাস নিয়ে আলাদাভাবে তেমন কোন আলোচনা নেই। কোন কথাবার্তা নেই খান জাহান আলী, শাহজালাল, শাহপরান, পীর-আউলিয়া কারো ব্যাপারে। আবার যখন ইসলামের আলোচনা করা হচ্ছে তখনও ইসলামের মূল শিক্ষার বদলে লোকজ প্রচলনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। বিদেশি শাসন কাকে বলে? যারা বিদেশ থেকে এসে শাসন করে দেশের সম্পদ লুটে নিয়ে চলে যায় তাদেরকে বিদেশি শাসন বলা যায়। অন্যদিকে যারা বাইরে থেকে আসলেও এই ভূখণ্ডেই স্থায়ী হয়েছেন, এখানকার সভ্যতা, সংস্কৃতি বিকাশে ভূমিকা রেখেছেন তাদেরকে বিদেশি শাসক বলা যায় না। এই কারণেই বাংলার ইতিহাসের মূলধারায় মুসলিম শাসকদেরকে বিদেশি বা উপনিবেশিক শক্তি আকারে দেখা হয় না। তেমনি পাল ও সেন রাজাদেরকেও বিদেশি বা উপনিবেশিক শক্তি আকারে দেখা হয় না।</p>
<p>কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি- বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাঠ্যপুস্তকের বিকৃতি ঘটানো ও ইতিহাস থেকে মুসলমানদেরকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলার প্রচলিত ইতিহাসের বিরুদ্ধে গিয়ে পাঠ্যপুস্তকে প্রতিবেশী, ব্রাহ্মণ্যবাদীদের সুরে সুর মিলিয়ে মুসলিম শাসনকে দখলদারিত্ব ও উপনিবেশিক শাসন বলা হয়েছে। ইতিহাসে খ্যাত স্বাধীন সুলতানি আমল ও বারো ভুঁইয়াদের গৌরবময় ইতিহাসকেও অস্বীকার করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোরালোভাবে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা সুস্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, বাংলা একটি রাজনৈতিক একক ভূখণ্ড হিসেবে গড়ে উঠেছে মুসলামানদের হাতে এবং বাংলা ভাষার আশ্রয় ও বিকাশও হয়েছে মুসলমানদের হাতে, এটা ইতিহাসের সত্য ঘটনা। এই ঘটনার বাইরে গিয়ে বিদেশী উদ্দেশ্য প্রনোদিত কোন মিথ্যা ইতিহাস বাংলাদেশে চলতে দেয়া যায় না। একই সাথে আমরা দাবি জানাচ্ছি যে, পাঠ্যপুস্তকের এই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত বিকৃতি যারা আমাদের শিশুদের পাঠ্যপুস্তকে সংযুক্ত করেছেন তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্রকৃতিবিরুদ্ধ ও দেশীয় সংষ্কৃতি বিরোধী ট্রান্সজেন্ডার প্রমোট:<br />
সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুশীলনী বইয়ে ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যেখানে “শরীফার গল্প” নামে অধ্যায়ে ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যাওয়ার একটি ঘটনা স্বাভাবিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে মনে করিয়ে দেয়া বাঞ্চনীয় যে, হিজড়া আর ট্রান্সজেন্ডার এক বিষয় না। হিজড়া একটি বায়োলজিক্যাল বিষয়। ইসলাম তাদেরকে অন্যদের মতো সমান মর্যাদা ও গুরুত্ব প্রদান করে। ইসলামী ফিকাহের প্রতিটি কিতাবে তাদের সম্পর্কে আলোচনা আছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে হিজড়াদের প্রতি এক ধরণের বঞ্চনার রেওয়াজ আছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে আলেমদের উদ্যোগে তাদের শিক্ষা প্রদান ও মূলধারায় সম্পৃক্ত করার নানা আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডার বিষয়টি ভিন্ন। এটা হলো মানুষের জৈবিক লিঙ্গ পরিবর্তন করা। আর এই পরিবর্তনের পেছনে প্রধান যুক্তি হলো “মনে হওয়া”। পাঠ্যবইয়ে যে গল্প বলা হয়েছে সেখানেও বলা হয়েছে যে, “মনে মনে ছেলে বা মনে মনে মেয়ে হওয়া” এর কারণে একজন ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যাচ্ছে। ট্রান্সজেন্ডার আদতে নারী অধিকার ও নারীর স্বার্থবিরোধী। কারণ দৈহিকভাবে ছেলে এমন ব্যক্তি নিজেকে “মনে মনে মেয়ে” দাবী করে ধর্ষণের মামলা থেকে রেহাই পাওয়া, নারীদের জন্য বিশেষায়িত ক্ষেত্রগুলোতে বাড়তি সুবিধা নেয়াসহ নারীদের মাঝে প্রবেশাধিকার পেয়ে নারীর ক্ষতিসাধন করার আইনত অনুমোদন পেয়ে যাবে। এটা জন্মহারকে নেতিবাচক ধারায় প্রবাহিত করবে; যা পশ্চিমা বিশ্বসহ বহু দেশে আতংকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সার্বিকভাবে এই ট্রান্সজেন্ডার গোটা মানবজাতির প্রাকৃতিক চরিত্রকে ধ্বংস করবে; যা ইসলাম ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি অনুমোদন প্রদান করে না।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> শিশু মনে আত্ম-পরিচয় সংকট সৃষ্টি করা:<br />
সপ্তম ‘শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুশীলনী বইয়ের ৫২-৫৬ পৃষ্ঠায় ছেলে-মেয়েদের কোন পার্থক্য নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, শিশু বড় হয়ে যেমন চিন্তা করবে সে তেমনই হতে পারবে। অথচ এটি একটি প্রকৃতিবিরোধী বক্তব্য।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> স্বাস্থ্য সুরক্ষার নামে হাজার বছরের প্রথা ও রীতির বিরুদ্ধতা:<br />
স্বাস্থ্য সুরক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমাদের সমাজে এই বিষয়টি প্রধানত দুইভাবে করা হতো। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ও পারিবারিকভাবে। মেয়ে ও ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকালে যে পরিবর্তন হয় সে সম্পর্কে বিগত হাজার বছর ধরে পারিবারিকভাবেই বাচ্চারা জেনে আসছে। কিন্তু নতুন পাঠ্যবইয়ে বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয়েছে; যা ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বাচ্চাদের জন্য উপযোগী না এবং এসব বিষয়ে এমন আলোচনা বাচ্চাদের ভেতরে অহেতুক কৌতুহল তৈরি করবে; যা ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। তারচেয়েও বড় কথা হলো, এই বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন কেন হলো? কেন আমাদের হাজার বছরের রীতি ও প্রথাকে এভাবে উপেক্ষা করতে হবে? এই বইগুলোতে বিশেষত সপ্তম শ্রেণির বইয়ে “মন ও শরীরের ওপরে চাপ কমানো ও আরাম অনুভব করার কিছু ব্যায়াম” শিরোনামে যা বলা হয়েছে তা যোগব্যায়ামের সদৃশ। মুসলিম প্রধান দেশে চাপ ও আরাম প্রাপ্তির জন্য যোগব্যায়ামের মতো ভিনদেশি সভ্যতা প্রসূত বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তি করা অশুভ লক্ষণ বলে মনে হয়েছে। একই সাথে এই বইয়ে নারী-পুরুষের সম্পর্ককে খুবই সহজভাবে দেখানো হয়েছে। এমনকি বাচ্চাদের মাঝে প্রেম-ভালোবাসার মতো বিষয়কেও স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমাদের হাজার বছরের সামাজিক পুঁজিকে অপরাধের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে।</p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে মনে করে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো বিষয় অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। তবে অবশ্যই তা আমাদের রীতি-নীতি ও প্রথাশুদ্ধ হতে হবে। পশ্চিমারা যে সামাজিক পুঁজির চর্চা করে তার ফলে পশ্চিমা পরিবার ও সভ্যতা এমনকি মানব প্রজননের মতো বিষয়ও হুমকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য পশ্চিমা রীতি ও কৌশল আত্মস্ত করার কোন প্রয়োজন নেই। সেজন্য পুরো বইটাকেই পুনরায় আমাদের চর্চিত রীতি-নীতি ও সামজিক পুঁজির আলোকে সাজাতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ইসলামকে হেয় প্রতিপন্ন করা:<br />
ইসলামের ফরয বিধান পর্দা এবং মুসলিম পুরুষের পরিচয়বাহক দাঁড়ি-টুপিকে কটাক্ষ করা হয়েছে। সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুশীলনী বইয়ে পর্দাকে অবরোধ প্রথা এবং অবরোধবাসিনী শিরোনামের গল্পে পর্দাকে কটাক্ষ করে কিছু মনগড়া কল্পকাহিনী যুক্ত করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।</p>
<p>ষষ্ঠ শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুশীলনী বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের চিত্র ফুটিয়ে তুলতে দাঁড়ি-টুপি পরিহিত ছবি ব্যবহার করা হয়েছে; যার ঐতিহাসিক দালিলিক কোন ভিত্তি নেই। এভাবে বিশ্লেষণ করলে যে কারো কাছে প্রতীয়মান হবে যে, পুরো বইটাই একধরণের ইসলামবিদ্বেষী মনোভাব থেকে লেখা। স্বাধীনতার সময়কার রাজনীতির বর্ণনা দিতে গিয়ে আরবের দেশগুলো যারা একনায়কতন্ত্রের অধীনে পরিচালিত, তাদেরকে ইসলামী শরীয়াহ পালনকারী দেশ হিসেবে দেখিয়ে স্বাধীনতার বিপক্ষে তাদের অবস্থান দেখানো হয়েছে। পাকিস্তানী শাসকদেরকে ইসলামী শাসক হিসেবে দেখানো হয়েছে। আদতে পাকিস্তানী শাসক এবং আরবের শাসকবৃন্দ- তারা কেউই পূর্ণাঙ্গ ইসলাম অনসৃত না। অথচ এই বইয়ের উপস্থাপনা কৌশলে কোমলমতি বাচ্চাদের মনে ইসলামী শাসন সম্পর্কে বিরূপ ধারণা গড়ে উঠবে। আদতে যার কোন ভিত্তি নেই। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, পুরো বইটি বাতিল করতে হবে এবং সত্যনিষ্ঠ শিক্ষাবিদদের দ্বারা তা পুনরায় লিখতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> বিতর্কিত ও অবৈজ্ঞানিক বিবর্তনবাদকে চাপিয়ে দেয়া:<br />
৬ষ্ঠ শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুশীলনী বইয়ে বিবর্তনবাদের ইতিহাস উল্লেখ করে বানর থেকে ধারাবাহিকভাবে মানুষে রুপান্তর হওয়ার অবৈজ্ঞানিক এবং অবান্তর চিত্র দেখানো হয়েছে। বিবর্তনবাদ নিয়ে নুতন করে বলার কিছু নেই। এটা স্পষ্টত ইসলামসহ বিশ্বের সকল ধর্মের মৌলিক ধারণার বিরুদ্ধে। বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিজ্ঞ প্রফেসর ডারউইনের বিবর্তন মতবাদকে অবৈজ্ঞানিক এবং অযৌক্তিক বলে প্রমাণ করেছেন। ইতিমধ্যে রোমানিয়া, সাউথ কোরিয়া, তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড, বৃটেন, আমেরিকাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে সিলেবাস থেকে এই থিউরি বাদ দেয়া হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশে ইংলিশ মাধ্যমের শিক্ষা; যা ক্যামব্রিজ ইউনির্ভাসিটির সিলেবাস অনুযায়ী প্রবর্তিত, সেখানে এ লেভেল পযন্ত এই বিবর্তনের উল্লেখই নেই। এই বিবর্তনবাদকে বাংলাদেশের কোমলমতি বাচ্চাদের মনে চাপিয়ে দেয়া আদতে কোন বিজ্ঞান চর্চা না বরং ইসলাম ও ধর্ম বিরোধী একটি এজেন্ডা। আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই যে, এই ধরণের কোন বিতর্কিত ধারণা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শিখতে দেয়া যাবে না।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ধর্মীয় স্বাতন্ত্রতাকে বিলীন করে দেয়ার অপচেষ্টা:<br />
বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক একে অপরের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ অঞ্চলের হাজার বছরের চর্চিত সংস্কৃতি। প্রত্যেক ধর্মেরই আলাদা আলাদা রীতি-নীতি ও সংষ্কৃতি রয়েছে। কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেণির ঊহমষরংয ঋড়ৎ ঞড়ফধু বইয়ের ১৩৫-১৪৮ পৃষ্ঠা গল্পে চার ধর্মের চার বন্ধুর কাহিনী উল্লেখ করা হয়েছে; যেখানে প্রত্যক বন্ধুর প্রধান ধর্মীয় উৎসবে অপর সকল বন্ধুদের দাওয়াত দিয়ে একসাথে উদযাপনের কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি সৌহার্দ্যপূর্ণ মনে হলেও এমন গল্পের মাধ্যমে প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্ম, বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠানের স্বাতন্ত্রতা ও নিজস্বতা বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। কারণ ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের মাঝে পরস্পর সাংঘর্ষিক অনেক বিষয় আছে; যার মাধ্যমে প্রত্যেকেরই ধর্মীয় বিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্থ হবে।</p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, ধর্মীয় সম্প্রীতি শেখানোর জন্য সকলের ধর্ম ও বিশ্বাস বিনষ্ট করার কোন অর্থ হয় না। বরং যার যার ধর্ম ও বিশ্বাস যথাযথ জায়গায় রেখেই ধর্মীয় সম্প্রতি রক্ষা করা যায়; যার উদাহারণ আমরা বাঙালিরা হাজার বছর ধরে প্রদর্শন করে আসছি। ফলে এই ধরণের বিষয় পাঠ্যসূচি থেকে বাদ দিতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্রচ্ছদ এবং বইয়ের পাতায় পাতায় ভিনদেশী সংস্কৃতি উপস্থাপন:<br />
ষষ্ঠ শ্রেণির শিল্প ও সংষ্কৃতি বই এবং সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ অনুসন্ধানী বইয়ের প্রচ্ছদ এবং পেছনের পাতার প্রচ্ছদে ময়ূরের ছবি দেয়া হয়েছে; যা অন্য একটি দেশের (ভারতের) জাতীয় পাখি। মৌর্য আমলের বৌদ্ধ সমাজের পাটলিপুত্র মন্দির এবং হিন্দু সংস্কৃতির শিলালিপির। এটা আমাদের দেশের ইতিহাস সঠিকভাবে চিত্রায়ন করে না। প্রচ্ছদে পদ্মফুল, জবা ইত্যাদি আমাদের দেশের কোন প্রতিকীয় অংশ নয়। এছাড়াও ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে অসংখ্য মূর্তি, মন্দির, প্যাগোডা, মঠ, শিলালিপির ছবি দেয়া হয়েছে; যা অতি অপ্রাসঙ্গিক। পক্ষান্তরে মাত্র ৩টি মসজিদের ছবি দেয়া হয়েছে। ইতিহাস বইয়ের প্রথম পাতায় মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী বিদেশী বন্ধু শিরোনামে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধানসহ অন্যান্য বিদেশীদের ছবি যুক্ত করা হয়েছে। এক কথায় নৃ-তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের ঐতিহাসিক বর্ণনায় একচোখা আচরণ করা হয়েছে। এর অর্থ পরিষ্কার। এইসব বইয়ের লেখকরা বাংলার সাথে ইসলামের হাজার বছরের ইতিহাসকে অস্বীকার করতে চাইছে। এই অঞ্চলের সাথে ইসলামের সম্পর্ক অস্বীকার করার এই প্রবণতা একটি উদ্দেশ্যমূলক রাজনৈতিক এজেন্ডা। আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই যে, ইসলামকে উপেক্ষা ও দুর্বল করার কোন এজেন্ডাই এদেশে বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্লেজারিজম বা চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নেয়া:<br />
সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান অনুসন্ধানী বইয়ের ইংরেজি ভার্সনে প্রথম অধ্যায়ে ৩য় পৃষ্ঠা থেকে জীববৈচিত্র্য বিষয়ক অনেকগুলো পৃষ্ঠায় বিদেশী একটি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য হুবহু নিয়ে আসা হয়েছে এবং বাংলা ভার্সনের বইয়ে গুগল থেকে অনুবাদ করে তা এখানে বসিয়ে দেয়া হয়েছে; যা একাডেমিক মানদণ্ডে অপরাধ। অথচ, বই রচনা এবং সম্পাদনার দায়িত্বে যারা থাকেন তাদের কাজ হলো মৌলিক রচনা তৈরি করা এবং নির্ভুলভাবে সম্পাদনা করা।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> তথ্য ও বানানগত ভুল এবং ভাষাগত আগ্রাসন:<br />
বিভিন্ন বই বিশ্লেষণ করে দৃষ্টিগোচর হযেছে যে, পাতায় পাতায় ইংরেজী ও বাংলা বানানে ভুল, শাব্দিক অর্থে ভুল, ইতিহাসের তথ্যে ভুল, বঙ্গবন্ধুর পিতার নামে ভুল। এ সমস্ত ভুলে ভরা পাঠ্যবই শিশুদের পাঠদান করা হলে শিশুরা ভুল শিখবে। আমরা আরও উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি, বইয়ের বিভিন্ন গল্পের উদাহরণে যেসব চরিত্র ব্যবহার করা হয়েছে তাদের অধিকাংশের নামে দেশীয় ছাপ নেই বরং সুকৌশলে পাশ্চাত্য এবং ভারতীয় বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে সাংস্কৃতিক অগ্রাসন চালানো হয়েছে।</p>
<p>সার্বিক পর্যালোচনায় এমন বহু বিষয় আছে যা এদেশের মানুষের বোধ-বিশ্বাস, সামাজিক পুঁজির সাথে সাংঘর্ষিক। বিজ্ঞানের নামে বিজ্ঞান অসমর্থিত বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই অঞ্চলের ইতিহাসের একটি ভুল ও মিথ্যা বর্ণনা দেয়া হয়েছে; যার ভিত্তি আমাদের কাছে মনে হয়েছে ধর্ম নিরপেক্ষতার আড়ালে ব্রাহ্মণ্যবাদী, হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক এজেন্ডা। কারণ এই অঞ্চলে ইসলাম ও মুসলমানদের উপনিবেশিক ও আগ্রাসী শক্তি আকারে দেখানো হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত। আমাদের পাঠ্যবইয়েও এই কাজ করা হয়েছে।</p>
<p>এরপরে ট্রান্সজেন্ডারের ইস্যু আরেকটি ভয়াবহ দিক। এটা আমাদের পরিবার, সমাজ, মানব প্রজননসহ গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে ফেলবে। অতএব ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, এই বই সংশোধন না বরং বাতিল করতে হবে। এবং সত্যনিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ও উলামাদের সমন্বয়ে নতুন করে বই লিখতে হবে। একই সাথে এই বই রচনার সাথে জড়িতদের ভিন্ন কোন রাজনৈতিক দূরভিসন্ধি আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে এবং তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.0.3/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সুইডেন ও ডেনমার্কে কোরআন অবমাননা প্রসঙ্গ:<br />
ইসলামের সাথে পশ্চিমাদের আচরনে এটা দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ইউরোপ আজো মধ্যযুগীয় সংকীর্ণ চিন্তা থেকে বের হতে পারেনি। সাম্প্রতিক সুইডেনে ও ডেনমার্কে যেভাবে ঘোষণা দিয়ে পবিত্র কুরআনে অগ্নিসংযোগ করে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার প্রতি আঘাত করা হয়েছে তা অকল্পনীয়। কোন সভ্য সমাজে এই ধরণের আচরণ চিন্তাও করা যায় না। সুইডেনে ও ডেনমার্কে যা হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি যে, সুইডেন ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোড়ালো প্রতিবাদ জানাতে হবে।</p>
<p>[প্রেস বিজ্ঞপ্তি]</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/02/পাঠ্যসূচি-সংবাদ-সম্মেলন-29-01-2023.doc">বক্তব্যের অনুলিপি</a></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2023/02/সংবাদ-সম্মেলন.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>ইসলামী আন্দোলন-এর সংবাদ সম্মেলনে ৩দিনের কর্মসূচি ঘোষণা</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 May 2021 10:14:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গণআন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[লিখিত বক্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=2480</guid>

					<description><![CDATA[ইসরাইলের সাথে গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা, ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট ও শিক্ষাখাত ধ্বংসের ষড়যন্ত্র থেকে সরে আসতে হবে &#8211; পীর সাহেব চরমোনাই [ পোস্টের নিচের দিকে ভিডিও দেয়া আছে ] ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ইসরাইলের সাথে গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা, ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট ও শিক্ষাখাত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<blockquote>
<h1>ইসরাইলের সাথে গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা, ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট ও শিক্ষাখাত ধ্বংসের ষড়যন্ত্র থেকে সরে আসতে হবে</h1>
<p>&#8211; পীর সাহেব চরমোনাই</p></blockquote>
<p><strong><em>[ পোস্টের নিচের দিকে ভিডিও দেয়া আছে ]</em></strong></p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ইসরাইলের সাথে গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা, ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট ও শিক্ষাখাত ধ্বংসের ষড়যন্ত্র থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে।</p>
<p>আজ রোববার দুপুরে পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্ট থেকে “একসেপ্ট ইসরাইল” শব্দ বাদ, আসন্ন জাতীয় বাজেট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়াসহ দেশব্যাপী চলমান জেল-জুলুম ও মামলা প্রসঙ্গে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন।</p>
<p>যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, নায়েবে আমীর আল্লামা আব্দুল হক আজাদ, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহজ্ব খন্দকার গোলাম মাওলা, আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব আমনিুল ইসলাম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম ও হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুুল কাইয়ূম, জিএম রুহুল আমীন, উপাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা শেখ ফজুলল করীম মারূফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মাওলানা নেছার উদ্দিন, এডভোকেট লুৎফুর রহমান শেখ, এড. শওকত আলী হাওলাদার, মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, ছাত্রনেতা নূরুল করীম আকরাম প্রমুখ।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন পীর সাহেব চরমোনাই। কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২ জুন ঢাকায় মানববন্ধন, ৩ জুন দেশব্যাপী প্রতিটি জেলা ও মহানগরে মানববন্ধন, পাসর্পোট থেকে ‘একসেপ্ট ইসরাইল’ বাদ দেয়ার প্রতিবাদ ও তা সংযোজনের দাবীতে ৫ জুন ঢাকায় বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইট থেকে বিক্ষোভ মিছিল।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার ৫০তম বছরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল দেশপ্রেমিক বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন পীর সাহেব চরমোনাই। ওলামা ও রাজনৈতিক কর্মীদের মামলা প্রসঙ্গ তিনি বলেন, আটককৃত নিরপরাধ সকল ওলামায়ে কেরাম এবং তুচ্ছ কারণে বা হয়রানীমূলক মামলায় আটককৃত অন্যান্য সকল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবি করেন। অন্যথায় সরকার ওলামা নিপীড়ক শক্তি হিসেবে ইতিহাসে কলঙ্কিত হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরকার পক্ষ সবসময়ই নিয়মতান্ত্রিক বাদ-প্রতিবাদকে দমন-পীড়ন করে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয়। তার জের ধরে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হামলা মামলা দিয়ে নির্যাতন ও হয়রানি করে। সরকারের ফ্যাসিবাদী এই চরিত্রের সর্বশেষ শিকার ওলামায়ে কেরাম। নরেন্দ্র মোদীর আগমনের প্রেক্ষিতে জনমনের ক্ষোভ প্রকাশ ও তাতে সরকারের দমন-পীড়নমূলক আচরণের প্রেক্ষিতে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে পবিত্র রমজানে যেভাবে ওলামায়ে কেরামকে আটক করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে, তাতে এ দেশের মুসলমানদেরকে ১৮৫৭ এর সিপাহী বিপ্লবোত্তর ওলামাদের সাথে সা¤্রাজ্যবাদী ইংরেজদের আচরণকে মনে করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, উলামায়ে কেরাম সবচেয়ে শান্ত ও নির্ঝঞ্জাট জীবন যাপন করেন। তাদেরকে ঠুনকো অযুহাতের ভিত্তিতে মামলা দিয়ে জর্জরিত করা এবং গ্রেফতার করে দিনের পর দিন রিমান্ডে নেয়ার ফলে জনমনে এই সরকার ইসলাম বিরুদ্ধ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।</p>
<p>ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অবস্থান সাধুবাদ যোগ্য। বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের জন মানুষের আবেগ অনুভূতিকে আমলে নিয়ে জনতার পক্ষ থেকে প্রস্তাব করছি যে, আসন্ন জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ইসরাইলের সাম্প্রতিক বর্বরতার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাশ, জাতিসংঘ অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন পুন:ব্যক্ত করে ইজরাইলের নিন্দা করতে হবে। আসন্ন জাতিসংঘ অধিবেশন চলাকালে স্বাধীন সার্বভৌম একক ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্যও বাংলাদেশ সরব ভূমিকা পালন করবে। মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাস মুক্তকরণ কল্পে বহুজাতিক মুসলিম সেনাবাহিনী গঠনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।</p>
<p>পাসপোর্ট প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ফিলিস্তিনে ইজরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে যখন গোটা বিশ্বের মানুষ সোচ্চার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও যখন প্রথাগত ইসরাইলি পক্ষপাতের বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক নেতৃত্ব জোড়ালো প্রতিবাদ গড়ে তুলেছে, এ সময় বাংলাদেশের পাসপোর্ট থেকে ৫০ বছরের ঐতিহ্য ছুড়ে ফেলে “একসেপ্ট ইজরাইল” শব্দদ্বয় বাদ দেয়া অশুভ ইঙ্গত বহন করে। স্বাধীনতার শুরু থেকে ৫০টি বছর ধরে অনুসৃত একটি রীতি, যে রীতির সাথে আমাদের মৌলিক চেতনা সম্পৃক্ত; এমন একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণে জন পরিসরে ও সংসদে আলোচনা হয় নাই; বিষয়টি আলোচনায় আসার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি বক্তব্য আরো হতবাক করেছে। কারণ, তিনি আন্তর্জাতিক মান রক্ষার যে যুক্তি দিয়েছেন, তা কেবল অ-যুক্তিই নয় বরং একই সাথে অসত্য যুক্তি। পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় “একসেপ্ট ইজরাইল” শব্দদ্বয় কোন বাধা নয়। এর পক্ষে অনেক যুক্তি থাকলেও সহজ অর্থে কেবল এতটুকু উল্লেখই যথেষ্ট হবে যে, এই শব্দদ্বয় সহই মালয়েশিয়ার পাসপোর্ট বিশ্বের ১৯তম শক্তিশালী পাসপোর্ট।</p>
<p>বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩ জুন জাতীয় বাজেট ঘোষিত হবে। বাজেট হলো একটি দেশের আগামী একবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য জনমানুষের দেয়া টাকা খরচের পরিকল্পনা। এখানে আশা করা বাঞ্ছনীয় যে, বাজেট প্রণয়নের আগে জনমানুষের সাথে আলাপ করা হবে। আদতে তা হয় না। অর্থ মন্ত্রণালয় কিছু ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সাথে আলাপ করে, সমাজ ও বাস্তবতা বিমুখ আমলাদের দিয়ে বাজেট তৈরি করে। ফলে আমাদের বাজেটের কলেবর বাড়ে, কথার ফুলঝুরি উপচে পরে, কিন্তু কাজের কাজ কমই হয়।</p>
<p>বাজেট সম্পর্কে মৌলিক কিছু দাবী উপস্থাপন করছি-<br />
১. বাজেট উপস্থাপনের আগে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের সঙ্গে আলাদা করে আলোচনা করতে হবে।<br />
২. কল্পনাবিলাস বাদ দিয়ে রাষ্ট্র যন্ত্রের সক্ষমতা পরিমাপ করে সে অনুযায়ী বরাদ্দ দেয়া। আমরা জানি গত অর্থবছরে চিকিৎসা গবেষণায় টাকা রাখা হলেও তার কোন টাকা ব্যবহার হয় নাই। তারপরেও এবছর আবারো চিকিৎসা গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এমন উদাহরণ আরো অনেক দেয়া যাবে। সক্ষমতাহীন এমন বরাদ্দ দুর্নীতির রাস্তা খুলে দেয়।<br />
৩. ঋণ ও অনুদান নির্ভর বাজেট থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। স্বাধীনতার ৫০ বছরের কোনো দেশের পক্ষে ঋণ ও অনুদান নির্ভর বাজেট শোভা পায় না।<br />
৪. শিক্ষা ও জনসম্পদ উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে। এখানে প্রসঙ্গত বলে রাখি, বাজেটের বরাদ্দ দেখানোর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা কাম্য। শিক্ষাখাতে যে বরাদ্দ দেখানো হয়, তার সাথে অন্যখাতও জুড়ে দেয়া হয়। আমরা মনে করি, এই চতুরতা বাদ দেয়া উচিৎ।<br />
৫. আমরা গত বাজেটেও দেখেছি যে, বাজেটের ১৫% এর মতো অর্থ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হচ্ছে। এটা শোভনীয় না। এটাকে যুক্তিসংগত করতে হবে।<br />
৬. থোক বরাদ্দ কমাতে হবে।<br />
৭. এডিপি বাস্তবায়নের হার খুবই কম। আমলাদের অদক্ষতার কারণেই এটা হয়। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া দরকার।<br />
৮. প্রতিরক্ষা ব্যয় কমাতে হবে। দেশের উল্লেখযোগ্য অংশের নাগরিককে মৌলিক প্রয়োজন পূরণের ব্যবস্থা না করে প্রতিরক্ষায় অস্বাভাবিক ব্যয় অগ্রহণযোগ্য। প্রতিরক্ষা ব্যয় কমিয়ে জনস্বার্থ ও সামাজিক সুরক্ষা নির্ভর বাজেট দিতে হবে। সামরিক বাহিনীর ব্যয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও যৌক্তিকতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোকে একটি উৎপাদনশীল বাহিনীতে পরিণত করে গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, জনগণের পক্ষে জনস্বার্থে যে প্রস্তাব তুলে ধরেছি, আশাকরি সরকার এগুলোকে আমলে নিয়ে আশু সমাধানের উদ্যোগ নিবে। বিশেষত: সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে অশুভ গোপন সম্পর্ক স্থাপন চেষ্টা,ওলামা নির্যাতন, গণবিরোধী বাজেট, শিক্ষা ধ্বংসের ষড়যন্ত্র ও নতজানু ভারত নির্ভর আত্মঘাতী পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে আসতে হবে। স্বাস্থ্যখাত ধ্বংসে জড়িত মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের সরাতে হবে। অন্যথায় দেশের প্রতিনিধিত্বশীল সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে পরামর্শ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।</p>
<p>ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি আকার ধারণ করার পরে প্রায় দুই বছরে হতে চললো, টিকা আবিষ্কার ও গণ-টিকাদান প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে প্রায় অর্ধ বছর হতে চললো। কিন্তু বাংলাদেশে টিকা প্রাপ্তি ও বিতরণ প্রক্রিয়া ভুল সিদ্ধান্ত, অদক্ষতা ও নৈরাজ্যের কবলে পড়ে অনিশ্চিত হয়ে আছে। যেই ভারত সামান্য পেঁয়াজ নিয়ে নোংরা রাজনীতি করে, টিকার জন্য সেই ভারতের ওপর একক নির্ভরতা চরম পর্যায়ের বোকামি ছিল। যুক্তিহীন নতজানু ভারত নির্ভরতার চড়া মূল্য দিচ্ছে বাংলাদেশ। টিকা প্রাপ্তিতে ভারতের বিশ্বাসঘাতকতার পরও টনক নড়েনি সরকারের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সরকার রাশিয়া ও চীনের থেকে টিকা সংগ্রহ করা নিয়েও টালবাহানা করেছে। স্বয়ং পররাষ্ট্রমন্ত্রীও স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের মতলববাজী সময়ক্ষেপণ ও দিধাদ্বন্দ্বের জন্য আক্ষেপ করেছেন এবং টিকা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আশংকা প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী দেড় বছরের মতো নিয়মিত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। এমন গুরুতর পরিস্থিতিতে টিকা সংগ্রহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতলববাজী সময়ক্ষেপণ, সিদ্ধান্তহীনতা এবং তারপরেও তারা বহাল তবিয়তে থাকা আমাদেরকে হতবাক করে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অশুভ শক্তি কি স্বয়ং সরকারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী? তারা কি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের চেয়েও ক্ষমতাবান? না কি স্বয়ং সরকারই এই অশুভ চক্রের অংশ? করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা, টিকা সংগ্রহ ও বিতরণ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অশুভ শক্তিকে চিহ্নিত করতে এবং তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে অবিলম্বে জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠন করতে হবে।</p>
<p>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, মহামারি করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। শিক্ষার সঙ্গে জড়িত সবকিছুতেই বিপর্যয় নেমে এসেছে। লাগাতার ১৫ মাস ধরে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। মাঝখানে কিছুদিন কওমি মাদরাসা চালু থাকলেও গত এপ্রিল থেকে আবারো তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আলিয়া মাদরাসাও খোলেনি গত ১৫ মাসে। স্কুল, কলেজ ও আলিয়া মাদরাসার সকল ধরনের পরীক্ষা বন্ধ। গত বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অটো পাস দেয়া হয়েছে। এ বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা এখনো হয়নি। পরীক্ষা হবে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিল ছেড়ে এবারও অটো পাসের অপেক্ষায়।</p>
<p>দেশের প্রায় ৪ কোটি ছাত্র-ছাত্রী নিয়মতান্ত্রিক লেখাপড়া থেকে শুধু বঞ্চিত হচ্ছে তাই নয়, অনেকের শিক্ষাজীবনই শেষ হয়ে গেছে। অনেকে নানারকম অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। মাদকাসক্ত হয়েছে অনেক ছাত্র-ছাত্রী। অনলাইনে পড়াশুনার অজুহাতে ছাত্র-ছাত্রীদের একটি বিপুল অংশ অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন গেমসে আসক্ত হয়ে গেছে। মোবাইল আসক্তি তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এসব বিপর্যয়তো শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সংক্রান্ত। এর বাইরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে আর্থিক বিপর্যয়েও লাখ লাখ পরিবার পথে বসেছে। সরকার বারবার বলছে, “আগে জীবন রক্ষা, তারপর শিক্ষা”। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে লাখ লাখ নন-এমপিও শিক্ষক বেকার হয়ে গেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু না থাকাতে তারা বেতন ভাতা পাচ্ছেন না। সম্মানিত শিক্ষকগণ চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সরকারের উদাসীনতা, অদূরদর্শিতা ও খামখেয়ালীতে দেশের শিক্ষাখাত আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার কিন্ডার গার্টেন এবং প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, দেশে লাখ লাখ পরিবার আছে যাদের জীবন জীবিকা শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। লাখ লাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেছে শিক্ষা উপকরণকে কেন্দ্র করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাতে সেসব ব্যবসায়ীরা আজ বিপর্যস্ত। তাদের দিকে সরকারেরও কোনো নজর নেই।</p>
<p>সরকার চাচ্ছে সবাইকে ভ্যাকসিন দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে। কিন্তু ভ্যাকসিন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সহসাই সবাই ভ্যাকসিন পেয়ে যাবে, এমন আশা করা যায় না।</p>
<p>আর সময় না বাড়িয়ে অতিদ্রুত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিন। এজন্য যা যা করণীয় তাই করুন। অন্যথায় সরকারের অদূরদর্শী ও আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ছাত্র-শিক্ষক, অভিভাবক এবং ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীগণকে সঙ্গে নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/06/সংবাদ-সম্মেলন-পাসপোর্ট-বাজেট-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-জেল-জুলুম-30-05-2021.doc">সংবাদ সম্মেলনে আমীরের লিখিত বক্তব্যের ডকুমেন্ট ফাইল</a></p>
<h4>ভিডিও</h4>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="পাসপোর্ট, আসন্ন বাজেট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেল-জুলুম ও মামলা প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন" width="1170" height="658" src="https://www.youtube.com/embed/cUR_wYe7n94?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe></div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/05/iab-news-30-05-2021-songbad-sommelon.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
		<item>
		<title>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
		<link>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/</link>
					<comments>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 23 Mar 2021 11:50:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সংগঠন]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[লিখিত বক্তব্য]]></category>
		<category><![CDATA[সংবাদ সম্মেলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.islamiandolanbd.org/?p=2181</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে তাদের দলীয় উৎসবে পরিণত করেছে &#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই [ পোস্টের নিচের দিকে ভিডিও দেয়া আছে ] স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে সর্বদলীয় জাতীয় কমিটি গঠন করে এই উৎসবকে সার্বজনীন করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। পীর সাহেব চরমোনাই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<blockquote>
<h4>আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে তাদের দলীয় উৎসবে পরিণত করেছে<br />
&#8211; সংবাদ সম্মেলনে পীর সাহেব চরমোনাই</h4>
</blockquote>
<p><strong><em>[ পোস্টের নিচের দিকে ভিডিও দেয়া আছে ]</em></strong></p>
<p>স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে সর্বদলীয় জাতীয় কমিটি গঠন করে এই উৎসবকে সার্বজনীন করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীকে তাদের দলীয় উৎসবে পরিণত করেছে। সরকার দমন-পীড়ন, হামলা-মামলা দিয়ে জনতার মাঝে বিভেদ তৈরি করে রেখেছে। একটি জাতীয় আনন্দঘন মুহুর্তকে এভাবে দলীয়করণ করার নিন্দা জানাচ্ছি। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আনন্দমুখর মুহুর্তে সরকার দেশের রাজধানীতে সকল প্রকার সম্মিলিত ও প্রকাশ্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কেবল রাষ্ট্রীয় এবং সরকার দলীয় অনুষ্ঠানে পরিণত করেছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর মুহুর্তে এমন নিষেধাজ্ঞা স্বাধীনতার মৌলিক চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। মানুষের রক্তে কেনা স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপনে সরকারের এমন বিধি-নিষেধ অত্যন্ত নিন্দনীয়। অবিলম্বে সকল বিধি-নিষেধ তুলে নিতে হবে।</p>
<p>আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টায় পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী ও সমকালীন জনগুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দলের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য খন্দকার গোলাম মাওলা, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাদের, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, মাওলানা শোয়াইব, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা নেছার উদ্দিন, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, এডভোকটে শওকত আলী হাওরাদার প্রমূখ।</p>
<p><strong>সংবাদ সম্মেলনে ৮দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়</strong><br />
১. ২৬ মার্চ ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলা/মহানগর, উপজেলা ও ইউনিয়নে পতাকা র‌্যালী।<br />
২. মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান<br />
৩. দেশের প্রতিটি জেলায় মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে আলোচনা সভা, সেমিনার আয়োজন<br />
৪. মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক শ্বেতপত্র প্রকাশ<br />
৫. আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ইশতেহার প্রকাশ<br />
৬. মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষ দোয়া মাহফিল<br />
৭. ভোটাধিকারসহ জনগণের অন্যান্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনসচেতনতা তৈরী<br />
৮. বৈষম্যহীন, সুখী-সমৃদ্ধ ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জনমত গড়ে তোলা।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, মেহমানকে আপ্যায়ন করা ইসলামের রীতি। এমনকি সে যদি আপন পিতার হত্যাকারীও হয় তবুও। এটা ইসলামের সৌন্দর্য্য। সে হিসেবে বাংলাদেশে আমন্ত্রিত সকল বিদেশি মেহমানদের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিষয়টি আলাদা। তার সহিংস অতীত এবং ক্ষমতাগ্রহণের পরে ভারত জুড়ে তিনি যে ধর্মীয় সহিংসতা উস্কে দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশে তাকে স্বাগত জানানোর মতো কোনো পরিবেশ নেই।</p>
<p>নরেন্দ্র মোদি ভারতে বৈষম্য, সংখ্যালঘুদের ওপরে অত্যাচার-নিপীড়ন, ধর্মীয় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষকে পিটিয়ে মারা, কাশ্মীরের মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া এবং সিএ-এর মতো বর্ণবাদী আইন করে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভারতে বসবাস করা মানুষের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার মতো কাজ করছে। একই সাথে তিনি প্রতিবেশিদের সাথে সা¤্রাজ্যবাদী আগ্রাসী আচরণ করাসহ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার পরিপন্থী কার্যক্রমের প্রধান কুশিলবদের একজন।</p>
<p>বাংলাদেশের সীমান্তে প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যা, বাংলার মানুষের প্রাপ্য পানি নিয়ে অবৈধ কারসাজী, কুটকৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিক‚লে বাণিজ্য ঘাটতি জিইয়ে রাখা, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং আগ্রাসী বিনিয়োগ করে বাংলাদেশকে দুর্বল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহনে বাধ্য করা; ইত্যাদি কারণে নরেন্দ্র মোদিকে বাংলার মানুষ স্বাগত জানাতে পারে না। নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমন্ত্রিত হওয়ার নৈতিক যোগ্যতা রাখেন না। বরং নরেন্দ্র মোদির মতো উগ্র সাম্প্রদায়িক ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার এই মাইলফলকে উপস্থিত থাকা স্বাধীনতার মূল চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক।</p>
<p>তিনি বলেন, এদেশে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ একত্রে বসবাস করেছে। তাদের মাঝে সামাজিক ঝগড়া, ফাসাদ হলেও ধর্মকে কেন্দ্র করে গণ সাম্প্রদায়িকতা হয়নি। এমনকি এখানে গণধর্মান্তর ঘটেছে কোনো ধরণের সহিংসতা ছাড়া। হিন্দু প্রধান বাংলা মুসলিম প্রধান হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবেই।</p>
<p>সেই বাংলায় ইংরেজ আগমণের পর থেকে শুরু হয়ে সম্প্রতি সুনামগঞ্জের শাল্লা অবধি নানা সময়ে<br />
কথিত সাম্প্রদায়িক হানাহানির কথা শোনা যায় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে মুসলমান ও ইসলামপন্থীদের ওপরে দায় চাপানো হয়।</p>
<p>তিনি বলেন, কথিত সাম্প্রদায়িক হানাহানির প্রত্যেকটি ঘটনায় কিছু মিডিয়াতে প্রচুর পরিমানে তথ্য বিকৃতির ঘটনা ঘটে এবং প্রতিবারই ইসলামপন্থীদের ওপরে দায় চাপিয়ে স্বার্থান্বেষীরা স্বার্থ হাসিল করতে চায়। শাল্লাতেও একই নাটকের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। অনতিবিলম্বে কায়েমী স্বার্থবাদী বলয়ের বাইরের উলামায়ে কেরাম, সংখ্যালঘু প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের নাগরিকদের নিয়ে একটি নাগরিক তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার পেছনের স্বার্থান্বেষী অশুভচক্রকে খুঁজে বের করে শাস্তির মুখোমুখী করুন। অন্যথায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এমন একটি গণ-নাগরিক তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত অপরাধীদের সামাজিক বিচারের মুখোমুখী করবে, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের সকল ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার ঘোষণা দিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, প্রথম দফা নির্বাচনে নানাস্থানে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী এবং তাদের দলীয় মাস্তানরা আমাদের প্রার্থীদের হুমকি-ধমকি দিয়ে মনোনয়ন জমা দানে বাধা, মনোনয়ন প্রত্যাহারে চাপ প্রয়োগসহ নানা রকম আচরনবিধি বিরোধী ও অগণতান্ত্রিক অপকর্ম করেই যাচ্ছে।</p>
<p>নানা প্রতিকূলতা সত্যেও প্রথম পর্বে সারা দেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ২২৭জন চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে সক্ষম হয়েছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর আমাদের অনেক প্রার্থীকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনেকে নিজ নির্বাচনী এলাকায় যেতে পারছেন না। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে আরো হয়রানী করছে। আমি পরিস্কার করে বলতে চাই, এই ধারা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, বাক স্বাধীনতা, সুশাসন এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবীতে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, রাষ্ট্রের প্রধান কর্তব্য হলো, মানুষের খাদ্য সরবরাহ ঠিক রাখা এবং তা ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা। দুঃখের সাথে বলতে হয়, সরকার এ ক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম এখন আকাশচুম্বী। প্রতিদিন দাম বাড়ছে। সম্প্রতি কোনো কোনো পণ্যের দাম অল্প দিনের মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সীমিত আয়ের মানুষ তাদের খাদ্য তালিকা থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান বাদ দিয়ে কোনমতে জীবন যাপন করছে। চাল-ডাল, সবজী ও তেলের দাম মানুষের নাগাল ক্ষমতার বাইরে। গরুর গোস্ত কিনে খাওয়া এখন সাধারণ মানুষের কাছে স্বপ্নের মতো। মুরগিও এখন নাগালের বাইরে চলে গেছে।</p>
<p>সামনে রমজান। রমজানে সমগ্র মুসলিম দেশে নিত্যপণ্যের দাম কমানো হয়। আর বাংলাদেশে দাম বাড়ানোর কুৎসিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়। দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ার পেছনে দ্রব্যের দুঃপ্রাপ্যতা নয় বরং সরকারের অব্যবস্থাপনায় চাঁদাবাজী, সিন্ডিকেট, অবৈধ কারসাজি ও মজুতদারিই প্রধানত দায়ী। সরকারের উচিৎ এগুলো বন্ধ করে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, সরকারই অনেক ক্ষেত্রে এসব অবৈধ কারসাজির সাথে জড়িত। আমরা অনতিবিলম্বে বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবী জানাচ্ছি। যে করেই হোক, দ্রব্যমূল্যকে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখুন।</p>
<p>স্বাধীনতার ৫০ তম বছরে এসেও বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার পায়নি, আজও সরকার পরিচালনায় জনমতকে বুটের তলায় পিষে ফেলা হয়। বিগত জাতীয় নির্বাচনসহ স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার যা করেছে, তাতে স্বাধীনতার মর্ম বিচ্যুত হয়েছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার মহড়া শুরু করেছে।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই প্রশ্ন রেখে বলেন, যে জাতি মাত্র ৯ মাসে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, সে জাতিকে কেন ৫০টি বছর দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের দেশের সীমানায় আটকে থাকতে হলো? কেন বাংলাদেশ উন্নত দেশ না হয়ে উন্নয়নশীল দেশ হচ্ছে? জরিপ বলছে, দেশে অতি-গরীব মানুষের সংখ্যা পৌনে ২ কোটি; ১০ ভাগ ধনী মানুষের আয় দেশের মোট সম্পদের ৩৮ ভাগ, আর ১০ ভাগ গরীব মানুষের আয় দেশের মোট সম্পদের ১ ভাগেরও কম।</p>
<p>ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম এর সর্বশেষ সামাজিক উত্তরণ সূচকে বাংলাদেশ ৮২ টি দেশের মধ্যে ৭৮ তম স্থানে। অর্থাৎ সবার জন্য সুষম উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো তলানির দেশগুলোর একটি। দেশের ৩৯ ভাগ ¯œাতকোত্তর বেকার। বিশ্বব্যাংকের মানবসম্পদ সূচকে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের শিশুরা তার সম্ভাবনার মাত্র ৫০ ভাগ কাজে লাগাতে পারছে।</p>
<p>বাকি অর্ধেক সম্ভাবনাই নষ্ট হচ্ছে। ইকোনোমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের করা গণতান্ত্রিক সূচকে বাংলাদেশ ৮৮তম, মানব সম্পদ সূচকে ১২৩ তম, মানব উন্নয়ন সূচকে ১৩৫ তম, বিশ্ব ব্যাংকের বানিজ্য সহজিকরণ সূচকে ১৬৮ তম, দূষিত বায়ুর সূচকে ১ম, দূর্নীতিতে ১৪ তম, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে ১৫১ তম।</p>
<p>পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বৈশ্বিক সূচক উপস্থাপন করি তাহলে দেখা যাবে, সকল ইতিবাচক সূচকে বাংলাদেশ তলানীতে আর নেতিবাচক সূচকে বাংলাদেশ শীর্ষে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে এই হলো বাস্তবতা। এমন পরিস্থিতি কাম্য ছিলো না।</p>
<p>আজকের এই আনন্দঘন উৎসবমুখর ক্ষণে দাড়িয়ে কারো প্রতি কোন অভিযোগ না করে, যারা অতিতে ভালো কাজ করেছেন, তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আর যারা খারাপ কাজ করেছেন, তাদের বিচার জনগণের হাতে ছেড়ে দিচ্ছি।</p>
<p>পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণে বাঙালীর হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য বিধৌত ইসলামী মূলনীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার করছে। দেশকে সুখি সমৃদ্ধ উন্নত দেশে পরিণত করার প্রতিজ্ঞা করছে এবং দেশ থেকে দূর্নীতি, দুঃশাসন, অন্যায় ও অবিচার দূর করে ইসলামের সুমহান আদর্শের আলোকে দেশকে সবার জন্যে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।</p>
<p><a href="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/03/Speech-of-Press-Conference-Amir-of-IAB-23-03-2021.docx">সংবাদ সম্মেলনে আমীরের লিখিত বক্তব্যের ডকুমেন্ট ফাইল</a></p>
<h4>ভিডিও</h4>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="মোদির সফর ইস্যুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সংবাদ সম্মেলন" width="1170" height="658" src="https://www.youtube.com/embed/95owC4t0FRc?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe></div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.islamiandolanbd.org/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.islamiandolanbd.org/wp-content/uploads/2021/03/Image.jpg" medium="image"></media:content>
				</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/

Page Caching using Disk: Enhanced 

Served from: www.islamiandolanbd.org @ 2026-05-28 03:43:08 by W3 Total Cache
-->