সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যার ঘটনায় সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা জাতি জানতে চায়
-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ভারত আবারো সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যা করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। গত শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে ত্রিপুরার সেপাহিজালা জেলার কমলাসাগর সীমান্ত ফাঁড়ি সংলগ্ন নবীনপাড়া ও বঙ্গবন্ধের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পতিত ফ্যাসিবাদের আমলে নিয়মিত এই ধরণের হত্যাকাণ্ড ঘটতো। এই সরকারের আমলেও তা শুরু হয়েছে। আমরা জানতে চাই, এই হত্যাকাণ্ডের পরে সরকার কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে? বিএনপি সরকারও ফ্যাসিবাদের মতো নতজানু নীতি অনুসরণ করুক তা জাতি প্রত্যাশা করে না।
আজ ১১ মে এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ভিন্ন রাষ্ট্রের নৃশংসতা থেকে নিজ দেশের নাগরিকদের জীবন রক্ষা করা যে কোন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রধান কাজ। সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যা করে ভারত বারংবার দেশের সার্বভৌমত্বের ওপরে প্রশ্নবোধক চিহ্ন একে দিচ্ছে।
ঘটনার পরে আমরা সরকারের প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য অপেক্ষা করেছি। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ দেখতে চেয়েছি। কিন্তু আমাদের হতাশ হতে হয়েছে। আমরা সরকারকে বলবো, এই বিষয়ে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নিন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই বিষয়টি উত্থাপন করুন। নতজানু হবেন না। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে আমরা কোন নতজানু সরকার দেখতে চাই না।
বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ