ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জ্বালানি সমস্যা দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। জ্বালানি সংকটের নেতিবাচক প্রভাব কেবল বড় শিল্পে সীমাবদ্ধ নেই; ওষুধ, টেক্সটাইল, সিরামিক, চিনি পরিশোধন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং সেবা খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি আগের বছরের চেয়ে কমে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে বলে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো জানাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে কারখানা বন্ধ হচ্ছে, শ্রমিকরা কাজ হারাচ্ছে। এর প্রভাবে সমাজ, পরিবার ও বহুধরণের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। জ্বালানিখাতের সমস্যার দ্রুত কোন সমাধান নাই সত্য কিন্তু প্রতিটি সমস্যা সমাধানের জন্য তাৎক্ষনিক, স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকে। কিন্তু সরকারের মধ্যে এই ধরণের কোন উদ্বেগ ও উদ্যোগ চোঁখে পড়ছে না। ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হচ্ছে, বিনিয়োগ থমকে আছে। সরকারের দায়িত্ব হলো, মানুষকে সম্ভাবনা দেখানো, সমস্যার সমাধান করা। সেই কাজে সরকার সফলতা দেখাতে পারছে না।
আজ ৩১ আগস্ট, সোমবার এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব এই মন্তব্য করেন। মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করা সরকারের অন্যতম প্রধান ও মৌলিক দায়িত্ব। সরকার বাজেটে নানারকম করছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টমহল করছাড় উপভোগ করলেও খুচরা বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে না। মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, গম, পেঁয়াজ, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, খেজুর, মসলা, শিশুখাদ্যের কাঁচামাল ও ডায়ালাইসিস ফিল্টারসহ বিভিন্ন পণ্যে কর কমানো হয়। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, এসব পণ্য ও সেবার দাম কমার বদলে অনেক ক্ষেত্রে আগের মতোই আছে বা আরও বেড়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের দক্ষতার ঘাটতি অথবা সদিচ্ছার অভাবের কারণেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারকে বলবো, মানুষের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় দ্রুব্যের মূল্য কমাতে ব্যবস্থা নিন। রাষ্ট্র যেখানে করছাড় দিচ্ছে তার সুফল যেনো জনতা পায় তার ব্যবস্থা নিন।



